ঢাকা 11:04 am, Saturday, 4 February 2023

মাতৃ ও শিশু ভাতার আবেদন নিয়ম, কাগজপত্র ও যোগ্যতা

  • আপডেট সময় : 11:15:40 am, Wednesday, 24 August 2022 93 বার পড়া হয়েছে
আচ্ছালামুয়ালাইকুম প্রিয় পাঠক গন। আশা করি ভালো আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। বেশি কথা না বাড়িয়ে আসা যাক আসল কথায়। আজ আমরা যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো, তা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যা আমাদের গ্রাম অঞ্চল এর প্রায় অযানা একটি বিষয়। আজ আলোচনা করবো।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্রঃ

১/ দুই (২) কপি পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা ছবি।
২/ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক গর্ভকালীন সনদ বা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কর্তৃক গর্ভকালীন সনদ।
৩/ বাংলাদেশের নাগরিক্ত সনদ।
৪/ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত দেওয়া পত্র।
৫/ জন্ম নিবন্ধন সনদ পত্র।

শিশু ভাতার আবেদনঃ

আপনি কি জানেন বাংলাদেশ সরকার শিশু ভাতা নামে একটি ভাতা পদ্ধতি চালু রেখেছেন যেখানে গরীব ও পথচারী, দারিদ্র শিশুদের জন্য অর্থ বরাদ্দ আছে। পৌরসভা আথবা ইউনিয়ন ভিত্তিক সরকারি সকল কর্ম রত ব্যক্তিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে তাদের একটি সিস্টেম এর মধ্যে দিয়ে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের একটি ব্যবস্থা রয়েছে।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

তবে অনেক শিশুই এই বিষয়ে থেকে বঞ্চিত অনেকেই এই বিষয়ে অজ্ঞাত বা অজানা।এর প্রধান কারণ বিভিন্ন ধাপের কর্মকর্তা ব্যাক্তি গন এই বিষয়গুলি সম্পর্কে আমাদের জানায় না। এর ফলে শিশু ভাতার আবেদন সম্পর্কে জানেন না বঞ্চিত হয়। এই কারণেই অনেক সমস্যাগ্রস্ত শিশু, দারিদ্র শিশুরা অর্থের অভাবে লেখাপড়া ছেড়ে শিশু শ্রম এ জরিয়ে পরে, এবং নানান কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েন।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

যা একটি বাড়ন্ত শিশুর জন্য অনেক টাই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এবং দেশে স্বাক্ষরতার হার অনেক কম অন্যান্য দেশের তুলনায়।এক্ষেত্রে আমি একটি বিষয় উল্লেখ করে আপনাদের এবং সকল দারিদ্র শিশুদের সহযোগিতা করতে চাই।
সেটি হলো উপজেলা ধীন নানান কর্মকর্তারা কাছে আপনার সমস্যার কথা জানিয়ে বা উল্লেখ করে শিশু ভাতার জন্য শিশু টার নামে যে পরিচিত রয়েছে আমাদের মধ্যে অর্থাৎ শিশু ভাতা আবেদন করে উপকৃত হতে পারেন। এতে করে অনেক শিশু লেখাপড়ার প্রতি অগ্রসর হবে এবং স্বাক্ষরতার হর বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে শিশুর বিকাশ বাড়বে ও দেশের জন্য এটি একটি দারুন কর্যকৃতী হবে।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

মাতৃত্ব ভাতা কিংবা মাতৃভাতার জন্য আবেদন করার নিয়মঃ

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে গরীব ও দরিদ্র মানুষদের সহযোগিতার লক্ষ্যে উন্নত ও মানসম্মত দেশ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন ভাতা নির্ধারণ করে রেখেছেন।
এতে করে গরিব-দুঃখী, দারিদ্র মানুষজন বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়ে লাভবান হতে পারেন ও দারিদ্রতা কমাতে পাড়েন। এক্ষেত্রে আমরা যে বিষয় সম্পর্কে আপনাদের সামনে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে মাতৃত্ব ভাতা বা মাতৃ ভাতা।এই ভাতা সংক্রান্ত বিভিন্ন সকল তথ্য নিয়ে উপস্থিত হয়েছি আজ আমরা ।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

গর্ভবতী মহিলা এই ভাতার জন্য উপযুক্ত। এক্ষেত্রে গরিব ঘরে বা দারিদ্র ঘড়ে যে সকল মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় অবস্থান করছেন তারা এই সেবার জন্য আবেদন করতে পারেন।এবং নিশ্চিতে দারিদ্রতা কাটিয়ে শিশুদের উজ্জল ভবিষ্যৎ গড়তে পাড়েন।
এছাড়াও ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের কর্মরত নিজ ওয়াডের ইউপি সদস্য বা মেম্বার এর মাধ্যমে আপনি এই সেবাটি পেতে পারেন। তাছাড়াও আপনার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এ বিষয়ে সম্পর্কে জানার পর আবেদনের বিষয়টি সম্পূর্ণ করতে পারেন। আশা করি বিষয়টি বোঝাতে সফল হয়েছি।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

মাতৃত্ব ভাতা পাওয়ার যোগ্যতাঃ

মাতৃত্ব ভাতা বা মাতৃ ভাতা পাওয়ার জন্য যে সকল যোগ্যতা থাকা দরকার সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হবে এখানে এবং তা যেনে নেওয়া যাক। এতএব আপনারা যারা এই ভাতা টি পাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছেন তারা অবশ্যই আপনার যোগ্য কিনা এই বিষয়টি সম্পএযেনে রাখা দরকার।
এবং অবশ্যই নিজেদের কাছে প্রশ্ন করুন আর উত্তর টা মিলিয়ে নিন।আপনি সেখানে আমার উত্তটির সাথে আমার কথার মিল হলে নিকটস্থ উপজেলা নির্বাহি অফিসার কিংবা ইউনিয়ন ইউপি সদস্য (মেম্বার) এর মাধ্যমে আপনার মাতৃত্ব ভাতা করিয়ে নিতে পাড়েন।
আশা করতেছি বিষয় টি সম্পর্কে সম্পন্ন বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি। এই ক্ষেত্রে নিচে আপনার যে মাতৃ ভাতা পাওয়ার জন্য যোগ্যতা থাকতে হবে সেটিই উল্লেখ করা হচ্ছে।
ক. প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণকাল (যেকোনো একবার প্রয্যয)।
খ. বয়স কমপক্ষে ২০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে বয়স।
গ. মোট মাসিক ১৫০০/- টাকার সর্ব নিম্ন।
ঘ. দরিদ্র প্রতিবন্ধী মা অনেক বেশী অগ্রাধিকার পাবেন।
ঙ. কেবল বসতবাড়ি রয়েছে বা অন্যের জায়গায় বাস করে বা জমি নেই ।
চ. নিজের বা পরিবারের কোনো কৃষি জমি, মৎস্য চাষের জন্য পুকু নেই, কেবল বসত বাড়ী ।
ছ. উপকার ভোগী নির্বাচনের সময় অর্থাৎ জুলাই মাসে উপকারভো গীকে অবশ্যই গর্ভবতী থাকতে হবে ।
জ. প্রথম ও দ্বিতীয় গর্ভের সন্তান গর্ভাবস্থায় বা জন্মের ২ (দুই) বছরের মধ্যে মারা গেলে তৃতীয় গর্ভধারণকালে ভাতা প্রাপ্য হবেন ।
ঝ. একজন ভাতাভোগী জীবনে একবার ২ (দুই) বছর সময়কা লের জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা বা মাতৃ ভাতা পাবেন।
ঞ. কোনো কারণে সন্তানের মৃত্যু হলে অথবা গর্ভপাতের কারণে নির্দিষ্ট চক্র অসম্পূর্ণ থাকলে তিনি পুনরায় গর্ভবতী হলে পরবর্তীতে ২ (দুই) বছরের মাতৃত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন, যদি অন্যান্য শর্ত পূরণ হয়ে থাকে।
ইত্যাদি।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

শিশু ও মাতৃ ভাতার আবেদন ফরমঃ

অনেকেই শিশু ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনলাইনে শিশু ভাতা আবেদন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করতে পাড়ন না। এবং না পারায় এই ভাতা থেকে বঞ্চিত হন। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক ডিজিটের অতি সহজেই পূরণ এবং নির্ভুল ভাবে শিশু ভাতা আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিতে করতে পারেন।
ট্যাগস :

মাতৃ ও শিশু ভাতার আবেদন নিয়ম, কাগজপত্র ও যোগ্যতা

আপডেট সময় : 11:15:40 am, Wednesday, 24 August 2022
আচ্ছালামুয়ালাইকুম প্রিয় পাঠক গন। আশা করি ভালো আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। বেশি কথা না বাড়িয়ে আসা যাক আসল কথায়। আজ আমরা যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো, তা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যা আমাদের গ্রাম অঞ্চল এর প্রায় অযানা একটি বিষয়। আজ আলোচনা করবো।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্রঃ

১/ দুই (২) কপি পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা ছবি।
২/ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কর্তৃক গর্ভকালীন সনদ বা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কর্তৃক গর্ভকালীন সনদ।
৩/ বাংলাদেশের নাগরিক্ত সনদ।
৪/ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত দেওয়া পত্র।
৫/ জন্ম নিবন্ধন সনদ পত্র।

শিশু ভাতার আবেদনঃ

আপনি কি জানেন বাংলাদেশ সরকার শিশু ভাতা নামে একটি ভাতা পদ্ধতি চালু রেখেছেন যেখানে গরীব ও পথচারী, দারিদ্র শিশুদের জন্য অর্থ বরাদ্দ আছে। পৌরসভা আথবা ইউনিয়ন ভিত্তিক সরকারি সকল কর্ম রত ব্যক্তিদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে তাদের একটি সিস্টেম এর মধ্যে দিয়ে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের একটি ব্যবস্থা রয়েছে।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

তবে অনেক শিশুই এই বিষয়ে থেকে বঞ্চিত অনেকেই এই বিষয়ে অজ্ঞাত বা অজানা।এর প্রধান কারণ বিভিন্ন ধাপের কর্মকর্তা ব্যাক্তি গন এই বিষয়গুলি সম্পর্কে আমাদের জানায় না। এর ফলে শিশু ভাতার আবেদন সম্পর্কে জানেন না বঞ্চিত হয়। এই কারণেই অনেক সমস্যাগ্রস্ত শিশু, দারিদ্র শিশুরা অর্থের অভাবে লেখাপড়া ছেড়ে শিশু শ্রম এ জরিয়ে পরে, এবং নানান কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েন।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

যা একটি বাড়ন্ত শিশুর জন্য অনেক টাই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এবং দেশে স্বাক্ষরতার হার অনেক কম অন্যান্য দেশের তুলনায়।এক্ষেত্রে আমি একটি বিষয় উল্লেখ করে আপনাদের এবং সকল দারিদ্র শিশুদের সহযোগিতা করতে চাই।
সেটি হলো উপজেলা ধীন নানান কর্মকর্তারা কাছে আপনার সমস্যার কথা জানিয়ে বা উল্লেখ করে শিশু ভাতার জন্য শিশু টার নামে যে পরিচিত রয়েছে আমাদের মধ্যে অর্থাৎ শিশু ভাতা আবেদন করে উপকৃত হতে পারেন। এতে করে অনেক শিশু লেখাপড়ার প্রতি অগ্রসর হবে এবং স্বাক্ষরতার হর বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে শিশুর বিকাশ বাড়বে ও দেশের জন্য এটি একটি দারুন কর্যকৃতী হবে।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

মাতৃত্ব ভাতা কিংবা মাতৃভাতার জন্য আবেদন করার নিয়মঃ

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে গরীব ও দরিদ্র মানুষদের সহযোগিতার লক্ষ্যে উন্নত ও মানসম্মত দেশ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন ভাতা নির্ধারণ করে রেখেছেন।
এতে করে গরিব-দুঃখী, দারিদ্র মানুষজন বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়ে লাভবান হতে পারেন ও দারিদ্রতা কমাতে পাড়েন। এক্ষেত্রে আমরা যে বিষয় সম্পর্কে আপনাদের সামনে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে মাতৃত্ব ভাতা বা মাতৃ ভাতা।এই ভাতা সংক্রান্ত বিভিন্ন সকল তথ্য নিয়ে উপস্থিত হয়েছি আজ আমরা ।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

গর্ভবতী মহিলা এই ভাতার জন্য উপযুক্ত। এক্ষেত্রে গরিব ঘরে বা দারিদ্র ঘড়ে যে সকল মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় অবস্থান করছেন তারা এই সেবার জন্য আবেদন করতে পারেন।এবং নিশ্চিতে দারিদ্রতা কাটিয়ে শিশুদের উজ্জল ভবিষ্যৎ গড়তে পাড়েন।
এছাড়াও ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের কর্মরত নিজ ওয়াডের ইউপি সদস্য বা মেম্বার এর মাধ্যমে আপনি এই সেবাটি পেতে পারেন। তাছাড়াও আপনার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এ বিষয়ে সম্পর্কে জানার পর আবেদনের বিষয়টি সম্পূর্ণ করতে পারেন। আশা করি বিষয়টি বোঝাতে সফল হয়েছি।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

মাতৃত্ব ভাতা পাওয়ার যোগ্যতাঃ

মাতৃত্ব ভাতা বা মাতৃ ভাতা পাওয়ার জন্য যে সকল যোগ্যতা থাকা দরকার সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হবে এখানে এবং তা যেনে নেওয়া যাক। এতএব আপনারা যারা এই ভাতা টি পাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছেন তারা অবশ্যই আপনার যোগ্য কিনা এই বিষয়টি সম্পএযেনে রাখা দরকার।
এবং অবশ্যই নিজেদের কাছে প্রশ্ন করুন আর উত্তর টা মিলিয়ে নিন।আপনি সেখানে আমার উত্তটির সাথে আমার কথার মিল হলে নিকটস্থ উপজেলা নির্বাহি অফিসার কিংবা ইউনিয়ন ইউপি সদস্য (মেম্বার) এর মাধ্যমে আপনার মাতৃত্ব ভাতা করিয়ে নিতে পাড়েন।
আশা করতেছি বিষয় টি সম্পর্কে সম্পন্ন বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি। এই ক্ষেত্রে নিচে আপনার যে মাতৃ ভাতা পাওয়ার জন্য যোগ্যতা থাকতে হবে সেটিই উল্লেখ করা হচ্ছে।
ক. প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণকাল (যেকোনো একবার প্রয্যয)।
খ. বয়স কমপক্ষে ২০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে বয়স।
গ. মোট মাসিক ১৫০০/- টাকার সর্ব নিম্ন।
ঘ. দরিদ্র প্রতিবন্ধী মা অনেক বেশী অগ্রাধিকার পাবেন।
ঙ. কেবল বসতবাড়ি রয়েছে বা অন্যের জায়গায় বাস করে বা জমি নেই ।
চ. নিজের বা পরিবারের কোনো কৃষি জমি, মৎস্য চাষের জন্য পুকু নেই, কেবল বসত বাড়ী ।
ছ. উপকার ভোগী নির্বাচনের সময় অর্থাৎ জুলাই মাসে উপকারভো গীকে অবশ্যই গর্ভবতী থাকতে হবে ।
জ. প্রথম ও দ্বিতীয় গর্ভের সন্তান গর্ভাবস্থায় বা জন্মের ২ (দুই) বছরের মধ্যে মারা গেলে তৃতীয় গর্ভধারণকালে ভাতা প্রাপ্য হবেন ।
ঝ. একজন ভাতাভোগী জীবনে একবার ২ (দুই) বছর সময়কা লের জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা বা মাতৃ ভাতা পাবেন।
ঞ. কোনো কারণে সন্তানের মৃত্যু হলে অথবা গর্ভপাতের কারণে নির্দিষ্ট চক্র অসম্পূর্ণ থাকলে তিনি পুনরায় গর্ভবতী হলে পরবর্তীতে ২ (দুই) বছরের মাতৃত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন, যদি অন্যান্য শর্ত পূরণ হয়ে থাকে।
ইত্যাদি।

মাতৃ শিশু ভাতার আবেদন

শিশু ও মাতৃ ভাতার আবেদন ফরমঃ

অনেকেই শিশু ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনলাইনে শিশু ভাতা আবেদন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করতে পাড়ন না। এবং না পারায় এই ভাতা থেকে বঞ্চিত হন। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক ডিজিটের অতি সহজেই পূরণ এবং নির্ভুল ভাবে শিশু ভাতা আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিতে করতে পারেন।