ঢাকা 11:29 am, Saturday, 4 February 2023

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার বা মার্কেট এর সকল তথ্য।

  • আপডেট সময় : 09:55:12 pm, Thursday, 25 August 2022 88 বার পড়া হয়েছে
আচ্ছালামুয়ালাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আজ আমরা আলোচনা করবো বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ে। এর আগে আমরা আলোচনা করেছি শেয়ার মার্কেট কী? ব্রকার কী? শেয়ার কেন উঠা নামা করে? শেয়ার বা স্টক কী? সহ নানান অজানা জিনিস। কথা না বড়িয়ে, নিচে দেওয়া হলো বাংলাদেশের শেয়ার বাজার ব মার্কেট।অন্যান্য দেশের মতোও বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ আছে। স্টক এক্সচেঞ্জ ২টি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সুগঠিত মূলধন বাজার।
দেশ বিভক্তির কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ ছিল এ অঞ্চলের ক্রয়বিক্রয়ের স্থান। ১৯৫৪ সালে এর নামকরণ করা হয়েছিল ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লিমিটেড।কিন্তু পরবর্তীতে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এর কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার পর ১৯৭৬ সালে আবার এর কার্যক্রম শুরু যা এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের মূলধন বাজার এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্য সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ( SEC)।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ & বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জ এর বা শেয়ার বাজারকে সুগঠিত ও গতিশীল & প্রতিযোগিতা মুলক করে গড়ে তুলতে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর অনুমোদন সাপেক্ষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তাই বলা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ আছে

1. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

2. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ

তাছাড়া আরো বিভিন্ন জায়গায় নুতন বানানোর পরিকল্পনা চলছে। এখন বাংলাদেশে এই ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত জানাব ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের বৃহৎ ও প্রথম স্টক এক্সচেঞ্জ হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা শেয়ার বাজার।দেশের শেয়ার বাজারকে সুগঠিত ও গতিশীল করার জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর ভূমিকা অপরিসীম।। ১৯৫৪ সালে সর্বপ্রথম এদেশে পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লিমিটেড নামে একটি শেয়ার বাজার বা স্টক এক্সচেঞ্জ গঠিত হয়। যার নিবন্ধিত কার্যালয় ছিল নারায়ণগঞ্জ এ।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

১৯৬৯ সালে এটি৷ ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৬৪ এর নাম পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লিমিটেড থেকে পরিবর্তন করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ রাখা হয়।। স্বাধীনতার সময় এর সদস্য সংখ্যা ছিল ১৯৫ জন & তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ছিল ১৯৬ টি। কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ছিল ৪০০ কোটি টাকা।
সরকারি নীতিগত কারনে দীর্ঘদিন পর্যন্ত বন্ধ থাকার পর ১৯৬৪ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আবার তার কার্যকর শুরু করে। তখন এর তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ছিল মাত্র ৯ টি।। কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ছিল ১৩,৭৫,৪০,০০০ টাকা। কিন্তু বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর সদস্য সংখ্যা ২৩৬ টি।। যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সংপৃক্ত রয়েছে ২১৮ জন সদস্য। বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর মোট কোম্পানির সংখ্যা ৫৬৩টি। শেয়ার বাজার এর সার্বিক অবস্থা বুঝার জন্য সাধারণত সূচক ব্যবহার করা হয়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এ ৩টি সূচক রয়েছে,

1. DSE ব্রড সুচক

2. DSES সূচক

3. DSE 30 সূচক।

২০১৮ সালের ৩জানুয়ারি এর হিসাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর মূলধন ছিল ৪,২৮৫,০৯৫ মিলিয়ন টাকা এবং বর্তানের এর প্রধান মূল্যসূচক DSEX এর পয়েন্ট হল ৫৫৮৩ পয়েন্ট। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর একটি পরিচালনা বোর্ড রয়েছে। যার সদস্য সংখ্যা হল ২৫ জন।এই পরিচালনা বোর্ড এর কাজ হল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর প্রশাসনিক ও অন্যান্য সকল কাজ পরিচালনা করা।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

২৫ জন সদস্যর মধ্যে থেকে ১২জন সদস্য ব্রোকারদের থেকে নির্বাচিত হন & ১২ জন সদস্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর অনুমোদনক্রমে এক্সচেঞ্জের বাইরে থেকে বাচাই করা হয়। পরিচালনা বোর্ড এর বাকি সদস্য হল প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও। সিইও এর ভোট দেওয়ার ক্ষমতা থাকে না।এই পরিচালনা বোর্ড মাত্র ৩ বছরের জন্য গঠন করা হয়। চীনের সেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে ডিএসইর মালিকানায় যুক্ত হয়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এ চার ধরনের মার্কেটর ব্যবস্থা রয়েছে,

1. পাবলিক মার্কেট

2. ব্লক মার্কেট

3. স্পট মার্কেট

4. অডলট মার্কেট

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালে দেশের ২য় শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট হিসেবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে এর কার্যক্রম শুরু করা হয় ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর মাসে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর সকল কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কাজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর মতো। কিছু বিশেষ কারণে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর থেকে এগিয়ে গেছে।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ চট্টগ্রাম এর আগ্রাবাদে অবস্থিত। ১৮ জন সদস্য নিয়ে একটা নীতি নির্ধারণী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির ১৮ জন সদস্যর মধ্যে ৬ জন সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কতৃক মনোনীত। ১২ জন সাধারণ সদস্যদের থেকে মনোনীত।। বোর্ড প্রেসিডেন্ট ও ৩জন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে থাকে।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

শুরুতে সদস্য সংখ্যা বা সিকিউরিটিজ এর সংখ্যা ছিল ৩০ টি এবং পরিশোধিত মূলধন এর পরিমাণ ছিল ২১৫.৪ কোটি টাকা। ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর এর শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ২৪৫ টি কোম্পানি, ১৭ টি মিচুয়াল ফান্ড ও ১টি ডিবেঞ্চারে উন্নীত হয় & এর পরিশোধিত মূলধন এর পরিমাণ ছিল ৩০,৪২০ মিলিয়ন কোটি টাকা। ২০১৫ সালে এর তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ এর সংখ্যা ছিল ২৮৯ টি এবং বাজার মুলধনের পরিমাণ ছিল ২,৫৭,১৪৫ কোটি টাকা। বর্তমানে এর মোট কোম্পানির সংখ্যা ২৯৬ টি।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর ৩টি সূচক রয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এ ১০.৩০ থেকে ৩.৩০ পর্যন্ত লেনদেন চলে। এই সময়ে শেয়ার, স্টক, ডিবেঞ্চার, সিকিউরিটিজ ডাব বলতে থাকে। সদস্য ও তাদের সহযোগীরা এতে অংশ নেয়। সর্বোচ্চ ডাক প্রদানকারীকে শেয়ার হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য যে,

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ একই পদ্ধতিতে লেনদেন সম্পাদিত হয়৷ ১৯৯৮ সালের ১০ই আগস্ট থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ তাদের কার্যক্রম অন-লাইন পদ্ধতিতে পরিচালনা শুরু করে। ১৯৯৩ সালেই ৮ ই জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠন করা হয় । এই কমিশন এর কিছু কাজ মধ্যে রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কে সঠিকভাবে পরিচালনা করা জন্য।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

সিকিউরিটি ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে নিয়োজিত কোম্পানিগুলো নাম তালিকাভুক্ত করা ও তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন এর মূল কাজ। সদস্যদের সাহায্যে সহযোগিতা করাও এর কাজ। স্বার্থরক্ষা করা ও ব্যবস্থাপনা। পরিচালনার নীতি নির্ধারণ করে। জালিয়াতি ও নিয়ম বহির্ভূত লেনদেল বন্ধেও এই কমিশন কাজ করে থাকে।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার বা মার্কেট এর সকল তথ্য।

আপডেট সময় : 09:55:12 pm, Thursday, 25 August 2022
আচ্ছালামুয়ালাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আজ আমরা আলোচনা করবো বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ে। এর আগে আমরা আলোচনা করেছি শেয়ার মার্কেট কী? ব্রকার কী? শেয়ার কেন উঠা নামা করে? শেয়ার বা স্টক কী? সহ নানান অজানা জিনিস। কথা না বড়িয়ে, নিচে দেওয়া হলো বাংলাদেশের শেয়ার বাজার ব মার্কেট।অন্যান্য দেশের মতোও বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ আছে। স্টক এক্সচেঞ্জ ২টি বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সুগঠিত মূলধন বাজার।
দেশ বিভক্তির কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ ছিল এ অঞ্চলের ক্রয়বিক্রয়ের স্থান। ১৯৫৪ সালে এর নামকরণ করা হয়েছিল ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লিমিটেড।কিন্তু পরবর্তীতে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এর কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার পর ১৯৭৬ সালে আবার এর কার্যক্রম শুরু যা এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের মূলধন বাজার এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্য সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ( SEC)।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ & বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জ এর বা শেয়ার বাজারকে সুগঠিত ও গতিশীল & প্রতিযোগিতা মুলক করে গড়ে তুলতে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর অনুমোদন সাপেক্ষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তাই বলা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ আছে

1. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

2. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ

তাছাড়া আরো বিভিন্ন জায়গায় নুতন বানানোর পরিকল্পনা চলছে। এখন বাংলাদেশে এই ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত জানাব ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের বৃহৎ ও প্রথম স্টক এক্সচেঞ্জ হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা শেয়ার বাজার।দেশের শেয়ার বাজারকে সুগঠিত ও গতিশীল করার জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর ভূমিকা অপরিসীম।। ১৯৫৪ সালে সর্বপ্রথম এদেশে পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লিমিটেড নামে একটি শেয়ার বাজার বা স্টক এক্সচেঞ্জ গঠিত হয়। যার নিবন্ধিত কার্যালয় ছিল নারায়ণগঞ্জ এ।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

১৯৬৯ সালে এটি৷ ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৬৪ এর নাম পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লিমিটেড থেকে পরিবর্তন করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ রাখা হয়।। স্বাধীনতার সময় এর সদস্য সংখ্যা ছিল ১৯৫ জন & তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ছিল ১৯৬ টি। কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ছিল ৪০০ কোটি টাকা।
সরকারি নীতিগত কারনে দীর্ঘদিন পর্যন্ত বন্ধ থাকার পর ১৯৬৪ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আবার তার কার্যকর শুরু করে। তখন এর তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ছিল মাত্র ৯ টি।। কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ছিল ১৩,৭৫,৪০,০০০ টাকা। কিন্তু বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর সদস্য সংখ্যা ২৩৬ টি।। যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সংপৃক্ত রয়েছে ২১৮ জন সদস্য। বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর মোট কোম্পানির সংখ্যা ৫৬৩টি। শেয়ার বাজার এর সার্বিক অবস্থা বুঝার জন্য সাধারণত সূচক ব্যবহার করা হয়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এ ৩টি সূচক রয়েছে,

1. DSE ব্রড সুচক

2. DSES সূচক

3. DSE 30 সূচক।

২০১৮ সালের ৩জানুয়ারি এর হিসাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর মূলধন ছিল ৪,২৮৫,০৯৫ মিলিয়ন টাকা এবং বর্তানের এর প্রধান মূল্যসূচক DSEX এর পয়েন্ট হল ৫৫৮৩ পয়েন্ট। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর একটি পরিচালনা বোর্ড রয়েছে। যার সদস্য সংখ্যা হল ২৫ জন।এই পরিচালনা বোর্ড এর কাজ হল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর প্রশাসনিক ও অন্যান্য সকল কাজ পরিচালনা করা।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

২৫ জন সদস্যর মধ্যে থেকে ১২জন সদস্য ব্রোকারদের থেকে নির্বাচিত হন & ১২ জন সদস্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর অনুমোদনক্রমে এক্সচেঞ্জের বাইরে থেকে বাচাই করা হয়। পরিচালনা বোর্ড এর বাকি সদস্য হল প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও। সিইও এর ভোট দেওয়ার ক্ষমতা থাকে না।এই পরিচালনা বোর্ড মাত্র ৩ বছরের জন্য গঠন করা হয়। চীনের সেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে ডিএসইর মালিকানায় যুক্ত হয়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এ চার ধরনের মার্কেটর ব্যবস্থা রয়েছে,

1. পাবলিক মার্কেট

2. ব্লক মার্কেট

3. স্পট মার্কেট

4. অডলট মার্কেট

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালে দেশের ২য় শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট হিসেবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে এর কার্যক্রম শুরু করা হয় ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর মাসে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর সকল কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কাজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর মতো। কিছু বিশেষ কারণে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর থেকে এগিয়ে গেছে।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ চট্টগ্রাম এর আগ্রাবাদে অবস্থিত। ১৮ জন সদস্য নিয়ে একটা নীতি নির্ধারণী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির ১৮ জন সদস্যর মধ্যে ৬ জন সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কতৃক মনোনীত। ১২ জন সাধারণ সদস্যদের থেকে মনোনীত।। বোর্ড প্রেসিডেন্ট ও ৩জন ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে থাকে।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

শুরুতে সদস্য সংখ্যা বা সিকিউরিটিজ এর সংখ্যা ছিল ৩০ টি এবং পরিশোধিত মূলধন এর পরিমাণ ছিল ২১৫.৪ কোটি টাকা। ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর এর শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ২৪৫ টি কোম্পানি, ১৭ টি মিচুয়াল ফান্ড ও ১টি ডিবেঞ্চারে উন্নীত হয় & এর পরিশোধিত মূলধন এর পরিমাণ ছিল ৩০,৪২০ মিলিয়ন কোটি টাকা। ২০১৫ সালে এর তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ এর সংখ্যা ছিল ২৮৯ টি এবং বাজার মুলধনের পরিমাণ ছিল ২,৫৭,১৪৫ কোটি টাকা। বর্তমানে এর মোট কোম্পানির সংখ্যা ২৯৬ টি।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর ৩টি সূচক রয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এ ১০.৩০ থেকে ৩.৩০ পর্যন্ত লেনদেন চলে। এই সময়ে শেয়ার, স্টক, ডিবেঞ্চার, সিকিউরিটিজ ডাব বলতে থাকে। সদস্য ও তাদের সহযোগীরা এতে অংশ নেয়। সর্বোচ্চ ডাক প্রদানকারীকে শেয়ার হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য যে,

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ একই পদ্ধতিতে লেনদেন সম্পাদিত হয়৷ ১৯৯৮ সালের ১০ই আগস্ট থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ তাদের কার্যক্রম অন-লাইন পদ্ধতিতে পরিচালনা শুরু করে। ১৯৯৩ সালেই ৮ ই জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠন করা হয় । এই কমিশন এর কিছু কাজ মধ্যে রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কে সঠিকভাবে পরিচালনা করা জন্য।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজার কয়টি

সিকিউরিটি ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে নিয়োজিত কোম্পানিগুলো নাম তালিকাভুক্ত করা ও তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন এর মূল কাজ। সদস্যদের সাহায্যে সহযোগিতা করাও এর কাজ। স্বার্থরক্ষা করা ও ব্যবস্থাপনা। পরিচালনার নীতি নির্ধারণ করে। জালিয়াতি ও নিয়ম বহির্ভূত লেনদেল বন্ধেও এই কমিশন কাজ করে থাকে।