ঢাকা 11:12 am, Saturday, 4 February 2023

ইলন মাক্স এবং তার টুইটার

  • আপডেট সময় : 10:44:42 pm, Saturday, 10 September 2022 40 বার পড়া হয়েছে

টুইটার এবং ইলন মাক্স -এপ্রিলের শুরুতে ৯.২ % শেয়ার কেনার খবর সামনে এলেও মূলত জানুয়ারির শেষ দিক থেকে চুপিসারে টুইটারের শেয়ার কেনা শুরু করেন ইলন মাক্স। তিনি ৫%  টুইটারের শেয়ার কিনে নেন ১৪ই মার্চের মধ্যে। এইসব শেয়ার ইলন মাক্স মুলত একরকম সস্তাতেই কিনে নেন। 

চুপিসারে ইলন মাক্স এর শেয়ার কেনার কারণ হলো, 

মাক্স যে টুইটারের শেয়ার কিনছে এমন খবর সামনে এলে টুইটারের শেয়ার দাম বেড়ে যাবে। তাই চুপচাপ সস্তায় শেয়ার কিনেই যাচ্ছিলেন ইলন মাক্স। টুইটার এবং ইলন মাক্স

মার্চের শেষ দিকে টুইটারের সমালোচনা শুরু করেন ইলন মাক্স । তার করা 3টি টুইট বেশ সাড়া ফেলে দেয়।। সেখানে

১ম টুইটে

তিনি বলেন টুইটারের পক্ষপাত দুষ্টু অ্যালগরিদম  এর কারণে টুইটার এর বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের উপর। তিনি বলেন টুইটারের অ্যালগরিদম ওপেন সোর্স হওয়া উচিৎ।। 

পরেরদিন ২য় টুইটে

তিনি টুইটারের নীতি নিয়ে একটি জরিপ করেন।যেখানে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য বাকস্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ।  টুইটার এ নীতি মেনে চলে কিনা এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিনি।

৩য় টুইটে

ইলন মাক্স নুতন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইঙ্গিত দেন।  এ টুইটে তিনি বলেন বাকস্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন একটি প্লাটফর্ম প্রয়োজন কিনা।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

কেউ কেউ বলেন নতুন প্লাটফর্ম আনার,  আবার কেউ কেউ ইলন মাক্সকেই টুইটার কিনে নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। ৪ এপ্রিল টুইটারের শেয়ার কেনার খবর সামনে আসার পর টুইটারকে ব্যবসায়ীক প্রস্তাব দিয়ে টুইট করা শুরু করে দেন। সেইদিনেই টুইটার কতৃপক্ষ ইলন মাক্সকে আমন্ত্রণ জানায় টুইটারের পরিচালনা পরিষদে যোগ দেওয়ার জন্য। 

৯ই এপ্রিল

আনুষ্ঠানিক ভাবে ইলন মাক্সের টুইটারের পরিচালনা পরিষদে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও টুইটারের পরিচালনা পরিষদে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব না কোচ করে দেন মাক্স।

১১ই এপ্রিল

সিকিউরিটি & একচেঞ্জ কমিশন এ মাক্স সংশোধিত নথি দাখিল করেন। যার কারণে ইচ্ছেমত টুইটারের শেয়ার কেনার সুযোগ পান তিনি।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

যেহেতু মাক্স টুইটারের পরিচালনা পরিষদে যুক্ত ছিল না তাই টুইটারের বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতেও বাধ্য নন তিনি।

১৪ই এপ্রিল

ইলন মাক্স টুইটার কেনার প্রস্তাব দিয়ে বসেন।

ইলন মাক্স এবং তার টুইটার

ইলন মাক্স টুইট করে জানায় ৪ হাজার ৩০০শ কোটি মার্কিন ডলার এর বিনিময়ে টুইটারের মালিকানা কিনে নিতে চান তিনি।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

২১ই এপ্রিল টুইটার কেনার তহবিল সংগ্রহ করেন মাক্স। ২৪ই এপ্রিল মাক্সের সাথে আলোচনায় বসে টুইটারের পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা। এর পরের দিন মাক্সের দেওয়া সর্বপ্রথম ওই প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতিটি শেয়ার ৫৪.২০ ডলার মূল্যে শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হয় টুইটার। যার ফলে টুইটারের বাজার মূল্যে এসে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪০০শ কোটি ডলারে।। 

ইলন মাক্সের টুইটার কেনার কারণ খুজতে যা পাওয়া যায় তা হল

১ ফেসবুককে টেক্কা দেওয়া: বেশ আগ থেকেই গুঞ্জন ছিল ফেসবুককে টক্কর দিতেই ইলন মাক্স হয়ত নতুন কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আনবেন। আপনারা জেনে অবাক হবেন যে,

টুইটার এবং ইলন মাক্স

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইলন মাক্সের কোন একাউন্ট নেই। যেখানে ১ম অবস্থানে থাকা  ফেসবুকের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২.৯ বিলিয়ন ও ৯ম অবস্থানে থাকা টুইটারের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২১৭ মিলিয়ন। 

ব্যক্তিগত কোন নিরাপত্তা না থাকায় ফেসবুককে নিয়ে বেশ কয়েকবার সমালোচনা করেছেন তিনি।ব্যক্তিগত নিরাপত্তা শক্তিশালী করার পাশাপাশি ফেসবুকের তুলনায় কম জনপ্রিয় টুইটারকে আরো বেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌছানোর চেষ্টা করবেন ইলন মাক্স । 

২ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতকরণঃ

টুইটারকে আরো উদার, উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইলন মাক্স। টুইটার কেনার আগেই মাক্স টুইট করে জানিয়েছেন “গণতন্ত্রের জন্য বাকস্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ”।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

এটাও টুইটার কেনার মূখ্য কারণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। মাক্স নিজের সাড়ে ৮ কোটি অনুসারীদের জন্য প্রশ্ন রাখে যে,  টুইটারে এডিট বাটন রাখা উচিত কিনা? 

এর উত্তরে ৭৩.৬% মানুষ ভোট দেয় এডিট বাটন রাখার জন্য।

৩ সাবস্ক্রাইবার ব্যবসায় রুপান্তরঃ বিবিসি জানিয়েছে, টুইটারের মুল ব্যবসা হচ্ছে বিজ্ঞাপন ভিত্তিক। কিন্তু মাক্স তা পরিবর্তন করে সাবস্ক্রাইবার ব্যবসায় আনতে চায়। এমনকি  মাক্স ফ্রি সেবায় বিশ্বাস করে না।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

যেমন ফেসবুক, টুইটার এখন ফ্রি সেবা দিচ্ছে। কিন্তু মাক্স অর্থের বিনিময়ে সেবা দিবে। ইলন মাক্স বলে ব্যবহারকারী তাদের তথ্য বিজ্ঞাপনকারীদের কাছে দিতে না চাইলে তার জন্য অর্থ খরচ করতে হবে। 

মাক্সের কি পছন্দ করন আপনি জানেন কি? 

আচ্ছা বলে দিচ্ছি। মাক্সের পছন্দ হল ক্রিপ্টো- কারেন্সি (ক্রিপ্টো কারেন্সি হলো একপ্রকার ভার্চুয়াল মুদ্রা। যার বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই।কিন্তু নেট দুনিয়ায় প্রচলিত আছে)। তাই সামনে বিটকয়েনের ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেন হতে পারে বলেও ধারণা করা যেতে পারে।

ব্যক্তিগত অর্জনঃ

টুইটার কেনার পর মাক্সের ব্যক্তিগত সম্পদ অনেক বেড়ে গেছে।  

এবার চলুন জেনে নেই ইলন মাক্সের কিছু নিজস্ব প্রতিষ্ঠান এর ব্যপারে 

  1. যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দামি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা 
  2. শীর্ষস্থানীয় নিজস্ব উড়োজাহাজ নির্মাণের প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স
  3. একটি ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যমানের  সুরঙ্গ নির্মাণের প্রতিষ্ঠান 
  4. একটি মস্তিষ্কে বসানো উপযোগী বৈদ্যুতিক চিপ নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান 
  5. হাজার কোটি গ্রাহক সমৃদ্ধ টুইটার।

এবার জানা যাক টুইটারের ভবিষ্যৎ নিয়ে;

টুইটার নতুন মালিকানায় যাবার পরে এতে কি কি পরিবর্তন আসবে তা এখনো অজানা। কিন্তু বাকস্বাধীনতা নীতির কারণে টুইটার কর্মকর্তাদের মনে এখন একটি বড় প্রশ্ন হলো টুইটারের নীতিমালা

না মানার কারণে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ও আরও অনেক একাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্তে কোন পরিবর্তন আসবে কিনা। অনেকের মতে মাক্স আবার সব নিষিদ্ধ একাউন্ট চালু করে দেবেন।

আজ এ পর্যন্ত। আবার আসব নতুন কোন পোস্ট নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

আরও দেখুন >>>

মাইক্রোসফট এর কমব্যাট গগলস

ট্যাগস :

ইলন মাক্স এবং তার টুইটার

আপডেট সময় : 10:44:42 pm, Saturday, 10 September 2022

টুইটার এবং ইলন মাক্স -এপ্রিলের শুরুতে ৯.২ % শেয়ার কেনার খবর সামনে এলেও মূলত জানুয়ারির শেষ দিক থেকে চুপিসারে টুইটারের শেয়ার কেনা শুরু করেন ইলন মাক্স। তিনি ৫%  টুইটারের শেয়ার কিনে নেন ১৪ই মার্চের মধ্যে। এইসব শেয়ার ইলন মাক্স মুলত একরকম সস্তাতেই কিনে নেন। 

চুপিসারে ইলন মাক্স এর শেয়ার কেনার কারণ হলো, 

মাক্স যে টুইটারের শেয়ার কিনছে এমন খবর সামনে এলে টুইটারের শেয়ার দাম বেড়ে যাবে। তাই চুপচাপ সস্তায় শেয়ার কিনেই যাচ্ছিলেন ইলন মাক্স। টুইটার এবং ইলন মাক্স

মার্চের শেষ দিকে টুইটারের সমালোচনা শুরু করেন ইলন মাক্স । তার করা 3টি টুইট বেশ সাড়া ফেলে দেয়।। সেখানে

১ম টুইটে

তিনি বলেন টুইটারের পক্ষপাত দুষ্টু অ্যালগরিদম  এর কারণে টুইটার এর বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের উপর। তিনি বলেন টুইটারের অ্যালগরিদম ওপেন সোর্স হওয়া উচিৎ।। 

পরেরদিন ২য় টুইটে

তিনি টুইটারের নীতি নিয়ে একটি জরিপ করেন।যেখানে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য বাকস্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ।  টুইটার এ নীতি মেনে চলে কিনা এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিনি।

৩য় টুইটে

ইলন মাক্স নুতন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইঙ্গিত দেন।  এ টুইটে তিনি বলেন বাকস্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন একটি প্লাটফর্ম প্রয়োজন কিনা।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

কেউ কেউ বলেন নতুন প্লাটফর্ম আনার,  আবার কেউ কেউ ইলন মাক্সকেই টুইটার কিনে নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। ৪ এপ্রিল টুইটারের শেয়ার কেনার খবর সামনে আসার পর টুইটারকে ব্যবসায়ীক প্রস্তাব দিয়ে টুইট করা শুরু করে দেন। সেইদিনেই টুইটার কতৃপক্ষ ইলন মাক্সকে আমন্ত্রণ জানায় টুইটারের পরিচালনা পরিষদে যোগ দেওয়ার জন্য। 

৯ই এপ্রিল

আনুষ্ঠানিক ভাবে ইলন মাক্সের টুইটারের পরিচালনা পরিষদে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও টুইটারের পরিচালনা পরিষদে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব না কোচ করে দেন মাক্স।

১১ই এপ্রিল

সিকিউরিটি & একচেঞ্জ কমিশন এ মাক্স সংশোধিত নথি দাখিল করেন। যার কারণে ইচ্ছেমত টুইটারের শেয়ার কেনার সুযোগ পান তিনি।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

যেহেতু মাক্স টুইটারের পরিচালনা পরিষদে যুক্ত ছিল না তাই টুইটারের বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতেও বাধ্য নন তিনি।

১৪ই এপ্রিল

ইলন মাক্স টুইটার কেনার প্রস্তাব দিয়ে বসেন।

ইলন মাক্স এবং তার টুইটার

ইলন মাক্স টুইট করে জানায় ৪ হাজার ৩০০শ কোটি মার্কিন ডলার এর বিনিময়ে টুইটারের মালিকানা কিনে নিতে চান তিনি।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

২১ই এপ্রিল টুইটার কেনার তহবিল সংগ্রহ করেন মাক্স। ২৪ই এপ্রিল মাক্সের সাথে আলোচনায় বসে টুইটারের পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা। এর পরের দিন মাক্সের দেওয়া সর্বপ্রথম ওই প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতিটি শেয়ার ৫৪.২০ ডলার মূল্যে শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হয় টুইটার। যার ফলে টুইটারের বাজার মূল্যে এসে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪০০শ কোটি ডলারে।। 

ইলন মাক্সের টুইটার কেনার কারণ খুজতে যা পাওয়া যায় তা হল

১ ফেসবুককে টেক্কা দেওয়া: বেশ আগ থেকেই গুঞ্জন ছিল ফেসবুককে টক্কর দিতেই ইলন মাক্স হয়ত নতুন কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আনবেন। আপনারা জেনে অবাক হবেন যে,

টুইটার এবং ইলন মাক্স

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইলন মাক্সের কোন একাউন্ট নেই। যেখানে ১ম অবস্থানে থাকা  ফেসবুকের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২.৯ বিলিয়ন ও ৯ম অবস্থানে থাকা টুইটারের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২১৭ মিলিয়ন। 

ব্যক্তিগত কোন নিরাপত্তা না থাকায় ফেসবুককে নিয়ে বেশ কয়েকবার সমালোচনা করেছেন তিনি।ব্যক্তিগত নিরাপত্তা শক্তিশালী করার পাশাপাশি ফেসবুকের তুলনায় কম জনপ্রিয় টুইটারকে আরো বেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌছানোর চেষ্টা করবেন ইলন মাক্স । 

২ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতকরণঃ

টুইটারকে আরো উদার, উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইলন মাক্স। টুইটার কেনার আগেই মাক্স টুইট করে জানিয়েছেন “গণতন্ত্রের জন্য বাকস্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ”।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

এটাও টুইটার কেনার মূখ্য কারণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। মাক্স নিজের সাড়ে ৮ কোটি অনুসারীদের জন্য প্রশ্ন রাখে যে,  টুইটারে এডিট বাটন রাখা উচিত কিনা? 

এর উত্তরে ৭৩.৬% মানুষ ভোট দেয় এডিট বাটন রাখার জন্য।

৩ সাবস্ক্রাইবার ব্যবসায় রুপান্তরঃ বিবিসি জানিয়েছে, টুইটারের মুল ব্যবসা হচ্ছে বিজ্ঞাপন ভিত্তিক। কিন্তু মাক্স তা পরিবর্তন করে সাবস্ক্রাইবার ব্যবসায় আনতে চায়। এমনকি  মাক্স ফ্রি সেবায় বিশ্বাস করে না।

টুইটার এবং ইলন মাক্স

যেমন ফেসবুক, টুইটার এখন ফ্রি সেবা দিচ্ছে। কিন্তু মাক্স অর্থের বিনিময়ে সেবা দিবে। ইলন মাক্স বলে ব্যবহারকারী তাদের তথ্য বিজ্ঞাপনকারীদের কাছে দিতে না চাইলে তার জন্য অর্থ খরচ করতে হবে। 

মাক্সের কি পছন্দ করন আপনি জানেন কি? 

আচ্ছা বলে দিচ্ছি। মাক্সের পছন্দ হল ক্রিপ্টো- কারেন্সি (ক্রিপ্টো কারেন্সি হলো একপ্রকার ভার্চুয়াল মুদ্রা। যার বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই।কিন্তু নেট দুনিয়ায় প্রচলিত আছে)। তাই সামনে বিটকয়েনের ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেন হতে পারে বলেও ধারণা করা যেতে পারে।

ব্যক্তিগত অর্জনঃ

টুইটার কেনার পর মাক্সের ব্যক্তিগত সম্পদ অনেক বেড়ে গেছে।  

এবার চলুন জেনে নেই ইলন মাক্সের কিছু নিজস্ব প্রতিষ্ঠান এর ব্যপারে 

  1. যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দামি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা 
  2. শীর্ষস্থানীয় নিজস্ব উড়োজাহাজ নির্মাণের প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স
  3. একটি ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যমানের  সুরঙ্গ নির্মাণের প্রতিষ্ঠান 
  4. একটি মস্তিষ্কে বসানো উপযোগী বৈদ্যুতিক চিপ নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান 
  5. হাজার কোটি গ্রাহক সমৃদ্ধ টুইটার।

এবার জানা যাক টুইটারের ভবিষ্যৎ নিয়ে;

টুইটার নতুন মালিকানায় যাবার পরে এতে কি কি পরিবর্তন আসবে তা এখনো অজানা। কিন্তু বাকস্বাধীনতা নীতির কারণে টুইটার কর্মকর্তাদের মনে এখন একটি বড় প্রশ্ন হলো টুইটারের নীতিমালা

না মানার কারণে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ও আরও অনেক একাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্তে কোন পরিবর্তন আসবে কিনা। অনেকের মতে মাক্স আবার সব নিষিদ্ধ একাউন্ট চালু করে দেবেন।

আজ এ পর্যন্ত। আবার আসব নতুন কোন পোস্ট নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

আরও দেখুন >>>

মাইক্রোসফট এর কমব্যাট গগলস