ঢাকা 11:38 am, Saturday, 4 February 2023

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

  • আপডেট সময় : 11:12:08 pm, Tuesday, 13 September 2022 126 বার পড়া হয়েছে

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম -বর্তমানে বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে চীনা অ্যাপ টিকটককে নিয়ে নানা আলোচনা- সমালোচনা চলছে।  কেউবা এই অ্যাপ ব্যবহার করছে অর্থ উপার্জন করতে, কেউবা ব্যবহার করছে নিজেকে জনপ্রিয় করতে আবার আরেক শ্রেণির লোক টিকটক ব্যবহার করছে বিনোদন পেতে।।  টিকটক ব্যবহার করে ছোট আকারের ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে এর ব্যবহারকারীরা।

এই সব ছোট আকারের ভিডিও তৈরি করে অনেকে রাতারাতি তারকা হয়ে যাচ্ছে।

এখন টিকটকেও সেলিব্রিটি তৈরি হচ্ছে।

যারা তারকা হয়ে যাচ্ছে তাদের রয়েছে অনেক অনুসারী এবং ফ্যান ফলোয়ার। কিছুদিন আগেই টিকটক তারকা অপুকে নিয়ে বেশ সসমালোচনা হয়েছে। টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম 

টিকটক এর বেশির ভাগ  ব্যবহারকারীই মূলত কিশোর-কিশোরী, তরুণ- তরুণী। 

বিভিন্ন দেশে এই টিকটক অ্যাপকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ এবং বিকৃত অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করার কারণে। 

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

কিন্তু তারপরও  কেন এই অ্যাপ এত জনপ্রিয়??

সংক্ষেপে একটু জেনে টিকটক কি। ছোট আকারের ভিডিও শেয়ার করা হয় এই অ্যাপে।  এই ভিডিও গুলো হয় হাস্যকর,  শিক্ষামূলক, গান, নাচ বা অন্য কোন মিউজিক এর সাথে ঠোঁট মেলানো। এর মাধ্যমে বিভিন্ন গানের সাথে নাচ বা কমেডিও করা সম্ভব।  স্পিকার, ফিল্টার ব্যবহার করা যায় এইসব ভিডিওতে। ফ্রি এই অ্যাপকে ভিডিও শেয়ারিং সাইট ” ইউটিউব ” এর ছোটখাট ভার্সন বলা যায়। 

টিকটক এর যাত্রার দিকে একটু নজর দেওয়া যাক। 

বর্তমানে টিকটক চায়না ভিত্তিক অ্যাপ হলেও এটি ৩টি আলাদা আলাদা অ্যাপ নিয়ে গঠিত।। 

১ম টি ছিল মার্কিন এর একটি অ্যাপ। যার নাম ছিল মিউজিক্যাল ডকলে।  এর যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালে।  ২০১৬ সালে চীন একই রকম একটা অ্যাপ চালু করে যার নাম Douyin। পরে এই অ্যাপ টিকটক নাম নিয়ে সারাবিশ্বে তার প্রসার শুরু করে। ২০১৮ সালে মিউজিক্যাল ডকলেকে কিনে টিকটক এর সাথে যুক্ত করে টিকটক কোম্পানি  বাইটড্যান্স। 

এবার জেনে আসি।

টিকটক আসলে কিভাবে কাজ করে। যারা টিকটক ব্যবহার করে তারা ১৫ সেকেন্ড থেকে ১০ মিনিট পর্যন্তের ভিডিও পোস্ট করতে পারেন। এর পাশাপাশি টিকটক এর নিজস্ব ভান্ডার থেকে পছন্দের গান ও ফিল্টার বাছাই করা যায়। যদি কোন ব্যবহারকারীর ফলোয়ায় ১০০০ হয় তখন ওই ব্যবহারকারী লাইভে আসতে পারবে।

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

শুধু তাই নয় এখানে তিনি ডিজিটাল উপহার পেতে পারেন।  ব্যবহারকারীরা যাকে ফলো করেন তাদের ভিডিও দেখতে পারবে।  আগের দেখা ভিডিওর উপর ভিত্তি করে ভিডিও দেখতে পারবে।  যারা নাচ, গান বা কমেডি করতে পারে, তাদের প্রতিভা প্রকাশ করার নতুন প্লাটফর্ম হল টিকটক।

টিকটক কি জনপ্রিয় হবার সস্তা মাধ্যম?  অনেকের অভিযোগ টিকটক ব্যবহারকারীরা বিকৃত অঙ্গভঙ্গি ও অশালীন আচরণ ও অশ্লীল কথা ব্যবহার করে, যৌনতা প্রয়োগ করে সস্তা জনপ্রিয়তা পাবার আশায় টিকটক ব্যবহার করে। টিকটক আসক্তিতে মেতে আছেন বড় বড়  সেলিব্রিটি, কলেজ – বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী -শিক্ষকসহ নানান শ্রেণীপেশার মানুষ। । 

আর টিকটক ব্যবহারকারীদের মধ্যে তরুণ প্রজন্মেই বেশি । 

টিকটকের জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে।  করোনাভাইরাস এর সময়ে টিকটক এর জনপ্রিয়তা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। 

তখন সবাই ঘরে বন্দী থাকার কারণে বিনোদন পেতে টিকটক ব্যবহার করা শুরু করে।  বর্তমানে ভারতে টিকটক অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।  নিষিদ্ধ করার আগে ভারতে এই অ্যাপ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ছিল। ভারতে ১০ কোটির বেশি টিকটক অ্যাপ ডাউনলোড করা হয়েছে। 

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

মজার মজার ভিডিও বানানো যায় বলে টিকটক তরুণ প্রজন্মের কাছে এতো জনপ্রিয়। ছোট আকারের ভিডিও, ব্যবহার করা সহজ ও সবসময় এতে যুক্ত হয় নতুন ফিচার। ।  ভিডিওতে নিজের কন্ঠ মেলানোর সুযোগ পান ব্যবহারকারিরা। 

২০১৯ সালের দিকে ডাউনলোড

লিস্টের শীর্ষে আছে টিকটক। গতবছর ইন্সটাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটকে টপকে বিশ্বের ৪র্থ ডাউনলোড- কারী অ্যাপে পরিনত হয় টিকটক।টিকটক কোম্পানির মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

টিকটকে ভিডিও সম্পাদনা করা খুব সহজ।  টিকটককে রান্না, রুপচর্চা, নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক টিপস পাওয়া যায়। টিকটককে কারো সাথে যোগাযোগ করার প্রয়োজন পড়ে না। টিকটকে রয়েছে ভিডিও সাজানোর জন্য হাজার হাজার টেম্পলেট । মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করেও আপলোড করা যায়।

এর ভিডিও ছোট আকারের হবার কারণে দর্শকরা টিকটক ব্যবহারে আগ্রহ হারায় না। কারো কাছে  নিজের প্রতিভা দেখানোর কার্যকরী অ্যাপ বা মাধ্যম হল টিকটক।যেমন তেমন ভিডিও বানিয়েই ভালো মানের ভিউ পাওয়া যায়।

টিকটকের ডাটা স্টোরেজ ও এর অ্যালগরিদম নিয়ে রয়েছে অনেক প্রশ্ন। 

এখন জানা যাক কেন বিভিন্ন দেশে টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ চীনা অ্যাপ টিকটক তার দেশের মানুষের তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে।  একই কারণে টিকটক নিষিদ্ধ করে ভারত।  যদিও টিকটক কোম্পানি বলছে তাদের অ্যাপ ব্যবহারকারীদের তথ্য নিরাপত্তার উপর জোড় দিয়েছে তারা।

ইরান, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়েছে মূলত অপসংস্কৃতি ও অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে। 

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

সব বয়সী মানুষের কাছেই টিকটক জনপ্রিয়। তবে কিশোর – কিশোরীদের কাছে অনেক জনপ্রিয় এই অ্যাপ।যারা খুব কম সময়ে হাজার হাজার বা লাখ লাখ ফলোয়ার পেতে চায় তাদের কাছে টিকটক যেন আলাদিনের চেরাগের মতো।  টিকটক সস্তা বিনোদনের মাধ্যমে যে কাউকে ছোট আকারের সেলিব্রিটি বানিয়ে দিতে পারে। 

বিভিন্ন অপরাধের সমালোচনায় রয়েছে টিকটক। বাংলাদেশও রয়েছে টিকটক এর নানান সমালোচনা। টিকটক হৃদয় বা টিকটক অপুর কর্মকাণ্ড অনেকেরই জানা। অনেক টিকটক সেলেব্রিটিরা আয়োজন করে টিকটক পার্টির। এতে অংশ নেয় তাদের অনুসারীরা।  এইসব পার্টিতে চলে নানা অপকর্ম। মাদক থেকে নানা অপরাধ সংঘটিত হয় এইসব পার্টিতে। 

তাছাড়া বাংলাদেশের কিছু টিকটকার এর বিরুদ্ধে রয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ।

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

বাংলাদেশে টিকটক নিষিদ্ধ করার কথা থাকলেও এখনো নিষিদ্ধ করা হয় নি।

আজ এই পর্যন্ত..

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতন হোন।  অন্যকে সচেতন করুন।  নজর রাখুন আপনার পরিবারের উপর।  কোথাও আপনার পরিবারের কেউ এই টিকটকের অন্ধকারের দিকে  চলে যাচ্ছে না তো?

আপনার সচেতনতাই পারে আপনার পরিবারকে বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে।

ধন্যবাদ।

আরও দেখুন >>>

মাইক্রোসফট এর কমব্যাট গগলস

ট্যাগস :

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

আপডেট সময় : 11:12:08 pm, Tuesday, 13 September 2022

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম -বর্তমানে বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে চীনা অ্যাপ টিকটককে নিয়ে নানা আলোচনা- সমালোচনা চলছে।  কেউবা এই অ্যাপ ব্যবহার করছে অর্থ উপার্জন করতে, কেউবা ব্যবহার করছে নিজেকে জনপ্রিয় করতে আবার আরেক শ্রেণির লোক টিকটক ব্যবহার করছে বিনোদন পেতে।।  টিকটক ব্যবহার করে ছোট আকারের ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে এর ব্যবহারকারীরা।

এই সব ছোট আকারের ভিডিও তৈরি করে অনেকে রাতারাতি তারকা হয়ে যাচ্ছে।

এখন টিকটকেও সেলিব্রিটি তৈরি হচ্ছে।

যারা তারকা হয়ে যাচ্ছে তাদের রয়েছে অনেক অনুসারী এবং ফ্যান ফলোয়ার। কিছুদিন আগেই টিকটক তারকা অপুকে নিয়ে বেশ সসমালোচনা হয়েছে। টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম 

টিকটক এর বেশির ভাগ  ব্যবহারকারীই মূলত কিশোর-কিশোরী, তরুণ- তরুণী। 

বিভিন্ন দেশে এই টিকটক অ্যাপকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ এবং বিকৃত অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করার কারণে। 

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

কিন্তু তারপরও  কেন এই অ্যাপ এত জনপ্রিয়??

সংক্ষেপে একটু জেনে টিকটক কি। ছোট আকারের ভিডিও শেয়ার করা হয় এই অ্যাপে।  এই ভিডিও গুলো হয় হাস্যকর,  শিক্ষামূলক, গান, নাচ বা অন্য কোন মিউজিক এর সাথে ঠোঁট মেলানো। এর মাধ্যমে বিভিন্ন গানের সাথে নাচ বা কমেডিও করা সম্ভব।  স্পিকার, ফিল্টার ব্যবহার করা যায় এইসব ভিডিওতে। ফ্রি এই অ্যাপকে ভিডিও শেয়ারিং সাইট ” ইউটিউব ” এর ছোটখাট ভার্সন বলা যায়। 

টিকটক এর যাত্রার দিকে একটু নজর দেওয়া যাক। 

বর্তমানে টিকটক চায়না ভিত্তিক অ্যাপ হলেও এটি ৩টি আলাদা আলাদা অ্যাপ নিয়ে গঠিত।। 

১ম টি ছিল মার্কিন এর একটি অ্যাপ। যার নাম ছিল মিউজিক্যাল ডকলে।  এর যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালে।  ২০১৬ সালে চীন একই রকম একটা অ্যাপ চালু করে যার নাম Douyin। পরে এই অ্যাপ টিকটক নাম নিয়ে সারাবিশ্বে তার প্রসার শুরু করে। ২০১৮ সালে মিউজিক্যাল ডকলেকে কিনে টিকটক এর সাথে যুক্ত করে টিকটক কোম্পানি  বাইটড্যান্স। 

এবার জেনে আসি।

টিকটক আসলে কিভাবে কাজ করে। যারা টিকটক ব্যবহার করে তারা ১৫ সেকেন্ড থেকে ১০ মিনিট পর্যন্তের ভিডিও পোস্ট করতে পারেন। এর পাশাপাশি টিকটক এর নিজস্ব ভান্ডার থেকে পছন্দের গান ও ফিল্টার বাছাই করা যায়। যদি কোন ব্যবহারকারীর ফলোয়ায় ১০০০ হয় তখন ওই ব্যবহারকারী লাইভে আসতে পারবে।

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

শুধু তাই নয় এখানে তিনি ডিজিটাল উপহার পেতে পারেন।  ব্যবহারকারীরা যাকে ফলো করেন তাদের ভিডিও দেখতে পারবে।  আগের দেখা ভিডিওর উপর ভিত্তি করে ভিডিও দেখতে পারবে।  যারা নাচ, গান বা কমেডি করতে পারে, তাদের প্রতিভা প্রকাশ করার নতুন প্লাটফর্ম হল টিকটক।

টিকটক কি জনপ্রিয় হবার সস্তা মাধ্যম?  অনেকের অভিযোগ টিকটক ব্যবহারকারীরা বিকৃত অঙ্গভঙ্গি ও অশালীন আচরণ ও অশ্লীল কথা ব্যবহার করে, যৌনতা প্রয়োগ করে সস্তা জনপ্রিয়তা পাবার আশায় টিকটক ব্যবহার করে। টিকটক আসক্তিতে মেতে আছেন বড় বড়  সেলিব্রিটি, কলেজ – বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী -শিক্ষকসহ নানান শ্রেণীপেশার মানুষ। । 

আর টিকটক ব্যবহারকারীদের মধ্যে তরুণ প্রজন্মেই বেশি । 

টিকটকের জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে।  করোনাভাইরাস এর সময়ে টিকটক এর জনপ্রিয়তা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। 

তখন সবাই ঘরে বন্দী থাকার কারণে বিনোদন পেতে টিকটক ব্যবহার করা শুরু করে।  বর্তমানে ভারতে টিকটক অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।  নিষিদ্ধ করার আগে ভারতে এই অ্যাপ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ছিল। ভারতে ১০ কোটির বেশি টিকটক অ্যাপ ডাউনলোড করা হয়েছে। 

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

মজার মজার ভিডিও বানানো যায় বলে টিকটক তরুণ প্রজন্মের কাছে এতো জনপ্রিয়। ছোট আকারের ভিডিও, ব্যবহার করা সহজ ও সবসময় এতে যুক্ত হয় নতুন ফিচার। ।  ভিডিওতে নিজের কন্ঠ মেলানোর সুযোগ পান ব্যবহারকারিরা। 

২০১৯ সালের দিকে ডাউনলোড

লিস্টের শীর্ষে আছে টিকটক। গতবছর ইন্সটাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটকে টপকে বিশ্বের ৪র্থ ডাউনলোড- কারী অ্যাপে পরিনত হয় টিকটক।টিকটক কোম্পানির মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

টিকটকে ভিডিও সম্পাদনা করা খুব সহজ।  টিকটককে রান্না, রুপচর্চা, নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক টিপস পাওয়া যায়। টিকটককে কারো সাথে যোগাযোগ করার প্রয়োজন পড়ে না। টিকটকে রয়েছে ভিডিও সাজানোর জন্য হাজার হাজার টেম্পলেট । মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করেও আপলোড করা যায়।

এর ভিডিও ছোট আকারের হবার কারণে দর্শকরা টিকটক ব্যবহারে আগ্রহ হারায় না। কারো কাছে  নিজের প্রতিভা দেখানোর কার্যকরী অ্যাপ বা মাধ্যম হল টিকটক।যেমন তেমন ভিডিও বানিয়েই ভালো মানের ভিউ পাওয়া যায়।

টিকটকের ডাটা স্টোরেজ ও এর অ্যালগরিদম নিয়ে রয়েছে অনেক প্রশ্ন। 

এখন জানা যাক কেন বিভিন্ন দেশে টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ চীনা অ্যাপ টিকটক তার দেশের মানুষের তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে।  একই কারণে টিকটক নিষিদ্ধ করে ভারত।  যদিও টিকটক কোম্পানি বলছে তাদের অ্যাপ ব্যবহারকারীদের তথ্য নিরাপত্তার উপর জোড় দিয়েছে তারা।

ইরান, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে টিকটক নিষিদ্ধ করা হয়েছে মূলত অপসংস্কৃতি ও অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে। 

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

সব বয়সী মানুষের কাছেই টিকটক জনপ্রিয়। তবে কিশোর – কিশোরীদের কাছে অনেক জনপ্রিয় এই অ্যাপ।যারা খুব কম সময়ে হাজার হাজার বা লাখ লাখ ফলোয়ার পেতে চায় তাদের কাছে টিকটক যেন আলাদিনের চেরাগের মতো।  টিকটক সস্তা বিনোদনের মাধ্যমে যে কাউকে ছোট আকারের সেলিব্রিটি বানিয়ে দিতে পারে। 

বিভিন্ন অপরাধের সমালোচনায় রয়েছে টিকটক। বাংলাদেশও রয়েছে টিকটক এর নানান সমালোচনা। টিকটক হৃদয় বা টিকটক অপুর কর্মকাণ্ড অনেকেরই জানা। অনেক টিকটক সেলেব্রিটিরা আয়োজন করে টিকটক পার্টির। এতে অংশ নেয় তাদের অনুসারীরা।  এইসব পার্টিতে চলে নানা অপকর্ম। মাদক থেকে নানা অপরাধ সংঘটিত হয় এইসব পার্টিতে। 

তাছাড়া বাংলাদেশের কিছু টিকটকার এর বিরুদ্ধে রয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ।

টিকটক জনপ্রিয়তার সস্তা মাধ্যম

বাংলাদেশে টিকটক নিষিদ্ধ করার কথা থাকলেও এখনো নিষিদ্ধ করা হয় নি।

আজ এই পর্যন্ত..

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতন হোন।  অন্যকে সচেতন করুন।  নজর রাখুন আপনার পরিবারের উপর।  কোথাও আপনার পরিবারের কেউ এই টিকটকের অন্ধকারের দিকে  চলে যাচ্ছে না তো?

আপনার সচেতনতাই পারে আপনার পরিবারকে বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে।

ধন্যবাদ।

আরও দেখুন >>>

মাইক্রোসফট এর কমব্যাট গগলস