ঢাকা 6:53 pm, Saturday, 28 January 2023

অফ পেজ এসইও কি ? কি কারনে করবেন?

  • আপডেট সময় : 11:55:15 am, Tuesday, 5 April 2022 198 বার পড়া হয়েছে

অফ পেজ এসইও কি-আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা! কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি। আজকে আমি আলোচনা করব তা নিয়ে।তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক :

আপনারা অনেকেই জানেন যে বর্তমানে ব্লগ থেকে টাকা আয় করা যাচ্ছে।ধরুন আপনি একটি ব্লগ সাইট তৈরী করলেন সাইটটি তৈরী করার পরপরই কি আপনি ইনকাম করতে পারবেন। না আপনি ওয়েবসাইট তৈরীর পরপরই ইনকাম করতে পারবেন না এর জন্য আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসতে হবে।

ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসতে হলে অবশ্যই এসইও টা আপনাকে সঠিকভাবে করতে হবে।এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট হচ্ছে অফ পেজ এসইও। আজকে এসইওর গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট অফ পেজ এসইও সম্পর্কে আপনাদের মোটামুটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।

অফ পেজ এসইও কি ?

সাধারণত কোন ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদম অনুযায়ী অপটিমাইজ করাকেই মূলত বলা হয়ে থাকে এসইও। আর আপনারা যখন এই এসইওর কাজ বা অপটিমাইজেশনের কাজটি করতে যাবেন তখন আপনাকে দুই ধরনের কাজ করতে হবে।

এসইওর দুইটি পার্ট রয়েছে।অনপেজ এসইও, অফ পেজ এসইও।অনপেজ এসইও হচ্ছে ওয়েবসাইট এর ভেতরে যে সকল কাজ করা হয়। আর অফ পেজ এসইও হচ্ছে ওয়েবসাইটের বাইরে থেকে যে সকল এসইওর কাজ করা হয়।

অফ পেজ এসইও করার অনেক নিয়ম কানুন রয়েছে এবার আমি আপনাদেরকে নিচে অফ পেজ এসইও করার সেই সকল নিয়ম গুলো সম্পর্কে বলবো।তার আগে চলুন জেনে নেওয়া যাক অফ পেজ এসইও কেন করবেন-

অফ পেজ এসইও কি কারনে করবেন?

মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন? কারণ এবং বিস্তারিত সামধান মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয়ে যাওয়া সমস্যাটি প্রায় সকলের ফোনে দেখা দেয়। বলতে গেলে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কমন সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি এটি। বিভিন্ন কারণে চার্জে দিলে আপনার স্মার্ট ফোনটি গরম হয়ে যেতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ওভার হিটিং সমস্যাটি আমাদের সকলের ক্ষেত্রে দেখা যায়। দেখা যায়, কিছুক্ষণ মোবাইলটি চার্জে লাগিয়ে রাখলেই ফোনটি অনেক গরম হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ফোনের চার্জও ভালোমতো টিকছে না এছাড়াও ব্যাটারি দিন দিন ডাউন হয়ে যাচ্ছে। এক কথায় বলতে গেলে, মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী আমরা নিজেরা। আমরা কেউ মোবাইল চার্জ দেওয়ার নিয়ম অনুসারে আমাদের মোবাইলটি চার্জ করিনা। যার ফলে ফোনের ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে ব্যাটারি দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া এবং ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায়। অনেকে বলতে পারেন, ফোন চার্জ দেওয়া কি নিয়ম থাকতে পারে। শুধু চার্জ শেষ হলে লাগিয়ে ফেললাম আর চার্জ ফুল হলে চার্জার থেকে খুলে ফেললাম এইটুকুতেই তো শেষ। তো আপনার ভাবনাও যদি এমন হয় তবে আপনি ভুল করছেন। আমাদের মোবাইল ফোনটি একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস, এটি ব্যবহার করার যেমন সঠিক নিয়ম রয়েছে তেমনি চার্জ দেওয়ার কিছু নিয়ম অবশ্যই রয়েছে। মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন? মোবাইল হচ্ছে একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস। যার ফলে আমরা যখন ইলেকট্রিক কেবল বা চার্জার দিয়ে ফোনটি চার্জে লাগাই তখন তাতে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়। আর এই বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট তাপের কারণে ফোনটি সাধারণত গরম হয়। সহজ ভাবে ব্যাখ্যা দিতে গেলে বিষয়টা এমন। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমাদের ফোনটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গরম হয়। যেটা অবশ্যই ভাবার একটি বিষয়। সাধারণত কিছু ভুলের জন্যই এমনটা হয়ে থাকে। নিচে মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন তার প্রধান কারণ গুলো উল্লেখ করা হলো। ১. চার্জ হওয়া অবস্থায় ফোন ব্যবহার করা মোবাইল চার্জে দিলে সেটি গরম হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে মোবাইল ফোন চার্জে দেওয়া অবস্থায় সেটি ব্যবহার করা। একটু আগে আপনাদের বলেছি যে ফোন চার্জে থাকা অবস্থায় এতে বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট তাপ থেকে আমাদের মোবাইলটি গরম হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আপনি যদি চার্জে থাকা অবস্থায় ফোনটিকে ব্যবহার করেন তাহলে সেটি থেকেও এক প্রকারর তাপের সৃষ্টি হয়। এতে ব্যাটারি তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং ফোনটি প্রচন্ড গরম হয়ে যায়। ২. ডাটা অন করে ফোন চার্জে দেওয়া আমরা অনেকে ডাটা কিংবা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক চালু রেখে আমাদের মোবাইলটি চার্জে লাগিয়ে রাখি। এক্ষেত্রে এটিও একটি প্রধান কারণ চার্জে দিলে মোবাইল গরম হয়ে যাওয়ার। কেননা ডাটা অন থাকায় ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকে, অনেক ধরনের নোটিফিকেশন আসতে থাকে যেটা থাকে ব্যাটারির তাপমাত্রা ক্রমশ বেড়ে যায়। এবং মোবাইল ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। ৩. ফোন বালিশের নিচে বা সোফায় রেখে চার্জ দেওয়া আমাদের মধ্যে অনেকের এই অভ্যাস রয়েছে যে বালিশের নিচে রেখে ফোনটিকে চার্জে দিয়ে রাখা কিংবা সোফায় বা খাতে সরাসরি চার্জে দিয়ে মোবাইলটি রেখা। একবার লক্ষ করুন আপনি যখন ফোনটি বালিশের নিচে বা খাটে রাখছেন তখন ফোনটি থেকে উৎপন্ন হওয়া তাপমাত্রা গুলো কোথায় যাবে? সেগুলো নিশ্চই ফোন যেখানে রাখছেন সেখানে জমা হচ্ছে। আর বালিশের নিচে রেখে চার্জে দিলে তো এমনিতেই ফোন অনেক গরম হবে। আর তাই যারা খাটে, সোফায় বা বালিশের নিচে ফোনটিকে চার্জে দিচ্ছেন তাদের ফোন এমনিতেই অনেক গরম হবে। ৪. সঠিক চার্জার দ্বারা চার্জে না দিলে আমরা অনেকেই এই ভুলটি করি। যেকোনো চার্জার দিয়ে আমরা আমাদের ফোনটি চার্জে দিয়ে দেই। ফলে ব্যাটারির চার্জে দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার সাথে ফোন চার্জে দিলে ফোন এবং চার্জার দুটোই গরম হয়। আপনার ব্যাটারির পাওয়ার যত আপনি সে অনুযায়ী ভালো স্মার্ট চার্জার ব্যবহার না করলে ফোনটি অনেক গরম হবে পাশাপাশি ব্যাটারির ক্ষতি হবে। চেষ্টা করবেন যে কোম্পানির ফোন সেই কোম্পানির ফোন বা সেই ফোনের চার্জার দ্বারা ফোনটি চার্জ করতে। ৫. চার্জে থাকা অবস্থায় ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো অ্যাপ চালু থাকলে অনেক সময় আমরা ফোনে কোনো অ্যাপ চালু থাকা অবস্থায় ফোনটিকে চার্জে লাগিয়ে দিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে ভাবুন যখন আপনার ফোনের কোনো অ্যাপ চালু থাকবে তখন সেটির জন্য পাওয়ার এর প্রয়োজন হয়। যেটি মোবাইল ব্যাটারি থেকে পেয়ে থাকে। তাহলে বিষয়টা দারাচ্ছে আপনার ফোন এর কার্যক্রম চালু রয়েছে এমন অবস্থায় ফোনটি চার্জও হচ্ছে। যার ফলে ফোনের ব্যাটারির তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। ৬. অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ফোন চার্জে দিলে গরমের দিনে প্রচন্ড তাপমাত্রায় অনেক সময় ফোন ব্যবহার না করে রেখে দিলেও ফোনটি গরম হয়ে যায় অটোমেটিক। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় আপনি আপনার ফোন চার্জে লাগলে ফোনটি গরম হওয়া স্বাভাবিক। এতক্ষণ জানলাম মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন এই ব্যাপারে। এবার জানবো কিভাবে সঠিক নিয়মে চার্জ দিলে আমাদের ফোন গরম হবে না। মোবাইল চার্জে দেওয়ার সঠিক নিয়ম ১. কখনো মোবাইল চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না ফোন চার্জে দিয়ে ব্যবহার করলে যেমন আপনার ফোনটি অনেক গরম হবে, পাশাপাশি আপনার ফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাবে এবং ব্যাটারির ক্ষমতা ক্রমশ কমতে থাকবে। এছাড়াও আপনি নিশ্চয় শুনে থাকবেন ফোন বিস্ফোরণের মত মারাত্মক সব দুর্ঘটনার কথা। আপনি যখন মোবাইলটি চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন তখন সব দিক থেকে আপনার মোবাইলে চাপ সৃষ্টি হবে। ফলে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কম হতে থাকবে এবং ব্যাটারির তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকবে। এর ফলে মোবাইল বিষ্ফোরণ হওয়ার মতো মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই এই ভুলটি করা থেকে বিরত থাকুন। ২. অবশ্যই নিজের চার্জার দ্বারা ফোনটিকে চার্জে দিন নিজের ফোনের অরজিনাল চার্জার দিয়ে ফোনটিকে চার্জ দিন। এতে আপনার ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। এছাড়াও ফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাবে না এবং মোবাইল চার্জে দিলে গরম হবে না। ব্যাটারি ভালো রাখতে চাইলে নিজের চার্জার ছাড়া অন্য কারো চার্জার ব্যবহার করা বাদ দিন। ৩. কখনো ১০০% বা ফুল চার্জ করবেন না আমরা অনেকে আছি ফোন একেবারে ১০০% পুরো চার্জ করে থাকি। ফলে আমরা বুঝতেও পারি না আমাদের ব্যাটারির ক্ষমতা কিভাবে কমে যেতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে ব্যাটারি সর্বোচ্চ ৮০-৯০% পর্যন্ত চার্জ করলে ব্যাটারির স্বাস্থের জন্য ভালো। এছাড়াও ৫০% এর নিচে আসলে ফোনটিকে চার্জে দিলে ফোনটি দ্রুত এবং সঠিক নিয়মে চার্জ হয়। অপরদিকে লক্ষ রাখতে হবে দিনের চার্জ যাতে ২০% এর নিচে না নেমে আসে। এইভাবে নিয়ম করে চার্জ দিলে ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকে। ৪. ব্যাক কভার খুলে ফোনটি চার্জ দিন অনেক সময় ফোনের কভার লাগিয়ে সেটিকে চার্জে দিলে অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় ফোন। তাই ফোনের ব্যাক কভার খুলে ফোনটিকে চার্জে দিন। এতে ফোন গরম হবে না এবং চার্জ দ্রুত হবে। ৫. ফোন সারারাত চার্জে দিয়ে রাখবেন না আমরা অনেকে ফোনটি সারারাত চার্জে লাগিয়ে রাখি। যদিও বর্তমানের ফোনগুলোতে স্মার্ট চার্জিং সিস্টেম থাকতে ওভার চার্জিং এর সমস্যা থাকে না। তবুও মোবাইল সারারাত চার্জে লাগানো থেকে বিরত থাকুন। আমাদের শেষ কথা বন্ধুরা আজকে আমরা মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন এবং ফোন চার্জ দেওয়ার সঠিক নিয়মগুলো সম্পর্কে জেনে নিলাম। আশা করছি উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো মেনে যদি আপনি আপনার ফোনটিকে চার্জ করেন তাহলে আপনার ফোনটি গরম হবে না, এবং আপনার ফোনের ব্যাটারি ক্ষমতা দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। আর্টিকেলটা ভালো লাগল শেয়ার করে দিন বন্ধুদের মাঝে।

যারা ওয়েবসাইট চালিয়ে থাকেন তারা কমবেশি অনেকে জানেন ওয়েবসাইটের জন্য কতটা কার্যকরী। একটি ওয়েবসাইটকে রেঙ্ক করানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

অর্থাৎ অফ পেজ এসইও ছাড়া আপনি কোনোভাবেই এসইও সম্পূর্ণভাবে করতে পারবেন না ওয়েবসাইটের।

অফ পেজ এসইও করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট অন্যান্য ওয়েব সাইট গুলো থেকে গুগলে অনেক বেশি এগিয়ে থাকবে রেংকিং এর ক্ষেত্রে।

অর্থাৎ কোনো পোস্টকে রান করানোর জন্য পেজ এসইও করা খুবই জরুরি।আপনার ওয়েবসাইটের অফ পেজ এসইও করার ফলে ডোমেইনের রেটিং যদি খুবই ভালো হয়ে থাকে তাহলে খুব সহজেই অনপেজ এসইও না করেও পোস্ট রেঙ্ক করানো যায়।

ধরুন আপনি কষ্ট করে একটি পোস্ট লিখলেন এবং পোস্টটির সম্পূর্ণ অন পেজ এসইও করলেন তবুও আপনার পোস্টটি রেঙ্ক না করতে পারে শুধুমাত্র অফ পেজ এসইও না করার ফলে।

অফ পেজ এসইওর মাধ্যমে আপনারা ডোমেইন রেটিং বৃদ্ধি করতে পারবেন এবং আপনি যে কন্টেন্টটি লিখেছেন সেটি সুন্দর করে মার্কেটিং করতে পারবেন।

অফ পেজ এসইও কোন ওয়েবসাইটে করবেন ?

আমি আপনাদেরকে আগেই বলেছি যে অর্থের জেসিও হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট রেংকিং করানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট।অফ পেজ এসইও খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নতুন ওয়েব সাইটকে গুগলে র্যাংকিংয়ে আনার জন্য এবং পুরাতন ওয়েবসাইট গুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোতে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রি করা হয়ে থাকে। তারা তো সেই সকল পণ্যের তেমন অনপেজ এসইও করার সুযোগ পায় না। তাই তারা অফ পেজ এসইও করার মাধ্যমে একে অপরকে বিড করে থাকে।

তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারছেন অফ পেজ এসইও গুরুত্ব ঠিক কতটা। তাহলে চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কিভাবে আপনারা অফ পেজ এসইও করবেন সেই সম্পর্কেঃ-

অফ পেজ এসইও  কিভাবে করবেন ?

এতক্ষণ আপনাদেরকে অফ পেজ এসইও সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা দিলাম এবার আপনাদের সাথে আলোচনা করবো অফিসে কিভাবে করবেন সেই সম্পর্কে।অফ পেজ এসইও কয়েকটি বিষয়কে কেন্দ্র করে করা হয়। যেমনঃ-

১.লিংক বিল্ডিং

২.সোসিয়াল অথরিটি

৩.E-A-T

অফ পেজ এসইও সঠিকভাবে করার জন্য এ বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা উচিত। তাহলে চলুন এই বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাকঃ-

লিংক বিল্ডিং

লিংক বিল্ডিং কে অনেকে ব্যাকলিংক হিসেবে চিনে থাকেন। কিন্তু লিংক বিল্ডিং এবং ব্যাক লিংক এই বিষয়টা কিন্তু মোটেও এক নয়।অন্যের ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য লিংক নেওয়া টাকে ব্যাকলিংক বা লিংক বিল্ডিং বলা হয়ে থাকে।

সেটা চাইলে আপনি তার কাছ থেকে যে কোন পেজের জন্য নিতে পারেন। অফ পেজ এসইও এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে লিংক বিল্ডিং। যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্য লিংক বিল্ডিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়েবসাইটের জন্য লিংক বিল্ডিং গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটি আপনাকে আগে বুঝে করতে হবে না হলে আপনার ওয়েবসাইটের ক্ষতি হতে পারে।

আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটের সাথে ভালো ওয়েবসাইটের লিংক বিল্ডিং করবে তখন অটোমেটিক আপনার ওয়েবসাইটের অথরিটি বৃদ্ধি পাবে এবং এর ফলে আপনি র্যাঙ্কিংয়েও অনেক সুবিধা পাবেন।

লিংক বিল্ডিং এর মধ্যেও অনেক ধরনের রয়েছে অর্থাৎ লিঙ্কবিল্ডিং কে কয় ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:-

Natural link

Manually build link

Self-created link

তাহলে চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক এই তিনটি লিঙ্ক সম্পর্কে বিস্তারিত।

Natural link

যদি আপনার আর্টিকেলটি অনেক তথ্যবহুল হয় এবং আর্টিকেলটি পড়ে ইউজারদের ভালো লেগে থাকে। তাহলে তারা এই রিলেটেড যখন তাদের ওয়েবসাইটে পোস্ট করবে তখন আপনার ওয়েবসাইটের কিছু তথ্য কে তারা সোর্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারে এবং আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিতে পারে। এটাকে মূলত বলা হয়ে থাকে natural link.একটি ওয়েবসাইটের জন্যে এই লিংকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Manually build link

সাধারণত এই পদ্ধতিতে আপনাকে একটি ওয়েবসাইটের অর্থাৎ হাই অথরিটি ওয়েবসাইটে টাকা দিয়ে আপনাকে গেস্ট পোস্ট করতে হবে।অর্থাৎ সেই ওয়েবসাইটের রিলেটেড একটি পোস্ট আপনাকে করতে হবে এবং সেই পোস্টে আপনার সাইটের লিঙ্ক দিতে হবে। আর এটাকে মূলত বলা হয়ে থাকে manually build link.ডোমেইন অথরিটি বাড়ানোর জন্য এই লিংকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Self-created link

সাধারণত বিভিন্ন গেস্ট পোস্ট, ফোরাম পোস্ট ,  ব্লগ কমেন্টিং,এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের যদি কোনো ধরনের লিঙ্ক তৈরি করেন তাহলে তখন সেটি self created link হিসেবে গণ্য করা হবে। ওয়েবসাইটের জন্য এই লিংকগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এই লিঙ্ক যত বেশি থাকবে আপনার ওয়েবসাইটের ভ্যালু তত বাড়বে।

আশা করি আপনারা এই তিনটি লিঙ্ক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন। তবে প্রত্যেকেরই উচিত ওয়েবসাইটের ন্যাচারাল লিংকের  উপর বেশি মনোযোগ দেওয়া।কোন ওয়েবসাইট তখনি আপনার ওয়েবসাইটের লিংক ন্যাচারাল লিংক করবে যখন আপনার কনটেন্ট খুবই ভালো হবে এবং সে পছন্দ করবে।

তাই অবশ্যই যখন কনটেন্ট লিখবেন হাই কোয়ালিটি সম্পন্ন একটি কনটেন্ট লেখার চেষ্টা করবেন। আপনার কনটেন্ট এর কোয়ালিটি যদি খুবই ভাল হয় তাহলে অবশ্যই আপনার পোস্টটি কে অনেকে ন্যাচারাল লিংক হিসেবে ব্যবহার করবে।

লিংক বিল্ডিং করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের নিচের সাথে রিলেটেড নিস সাইটের সাথে লিংক বিল্ডিং করবেন। আপনি ধীরে ধীরে লিংক বিল্ডিং করবেন তাহলে গুগলের কাছে এই লিংকগুলোর গুরুত্ব থাকবে। যার ফলে খারাপ লিঙ্ক থেকে আপনি ওয়েবসাইটকে দূরে রাখতে পারবেন এবং এর ফলে স্পাম স্কোরও বেড়ে যাবে না।

তাই লিংক বিল্ডিং করার সময় অবশ্যই এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তারপর লিঙ্কবিল্ডিং নামতে হবে নাহলে আপনার ওয়েবসাইটের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হতে পারে।

শেষ কথা, আশা করি আজকের এই পোস্ট টি পড়ার মাধ্যমে অফ পেজ এসইও কি সেই সম্পর্কে আপনারা মোটামুটি কিছুটা ধারণা পেয়েছেন। অফ পেজ এসইওর কোন বিষয় সম্পর্কে যদি বুঝতে অসুবিধা হয়ে থাকে এবং এসইও সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর আমাদের সাইটের সাথে থাকবেন নতুন নতুন পোস্ট পেতে। আমার আর অন্যান্য পোস্ট:

স্টুডেন্টদের জন্য ইনকাম করার বেশ কয়েকটি উপায়

ধন্যবাদ

অফ পেজ এসইও কি ? কি কারনে করবেন?

আপডেট সময় : 11:55:15 am, Tuesday, 5 April 2022

অফ পেজ এসইও কি-আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা! কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি। আজকে আমি আলোচনা করব তা নিয়ে।তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক :

আপনারা অনেকেই জানেন যে বর্তমানে ব্লগ থেকে টাকা আয় করা যাচ্ছে।ধরুন আপনি একটি ব্লগ সাইট তৈরী করলেন সাইটটি তৈরী করার পরপরই কি আপনি ইনকাম করতে পারবেন। না আপনি ওয়েবসাইট তৈরীর পরপরই ইনকাম করতে পারবেন না এর জন্য আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসতে হবে।

ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসতে হলে অবশ্যই এসইও টা আপনাকে সঠিকভাবে করতে হবে।এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট হচ্ছে অফ পেজ এসইও। আজকে এসইওর গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট অফ পেজ এসইও সম্পর্কে আপনাদের মোটামুটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।

অফ পেজ এসইও কি ?

সাধারণত কোন ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদম অনুযায়ী অপটিমাইজ করাকেই মূলত বলা হয়ে থাকে এসইও। আর আপনারা যখন এই এসইওর কাজ বা অপটিমাইজেশনের কাজটি করতে যাবেন তখন আপনাকে দুই ধরনের কাজ করতে হবে।

এসইওর দুইটি পার্ট রয়েছে।অনপেজ এসইও, অফ পেজ এসইও।অনপেজ এসইও হচ্ছে ওয়েবসাইট এর ভেতরে যে সকল কাজ করা হয়। আর অফ পেজ এসইও হচ্ছে ওয়েবসাইটের বাইরে থেকে যে সকল এসইওর কাজ করা হয়।

অফ পেজ এসইও করার অনেক নিয়ম কানুন রয়েছে এবার আমি আপনাদেরকে নিচে অফ পেজ এসইও করার সেই সকল নিয়ম গুলো সম্পর্কে বলবো।তার আগে চলুন জেনে নেওয়া যাক অফ পেজ এসইও কেন করবেন-

অফ পেজ এসইও কি কারনে করবেন?

মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন? কারণ এবং বিস্তারিত সামধান মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয়ে যাওয়া সমস্যাটি প্রায় সকলের ফোনে দেখা দেয়। বলতে গেলে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কমন সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি এটি। বিভিন্ন কারণে চার্জে দিলে আপনার স্মার্ট ফোনটি গরম হয়ে যেতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ওভার হিটিং সমস্যাটি আমাদের সকলের ক্ষেত্রে দেখা যায়। দেখা যায়, কিছুক্ষণ মোবাইলটি চার্জে লাগিয়ে রাখলেই ফোনটি অনেক গরম হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ফোনের চার্জও ভালোমতো টিকছে না এছাড়াও ব্যাটারি দিন দিন ডাউন হয়ে যাচ্ছে। এক কথায় বলতে গেলে, মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী আমরা নিজেরা। আমরা কেউ মোবাইল চার্জ দেওয়ার নিয়ম অনুসারে আমাদের মোবাইলটি চার্জ করিনা। যার ফলে ফোনের ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে ব্যাটারি দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া এবং ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায়। অনেকে বলতে পারেন, ফোন চার্জ দেওয়া কি নিয়ম থাকতে পারে। শুধু চার্জ শেষ হলে লাগিয়ে ফেললাম আর চার্জ ফুল হলে চার্জার থেকে খুলে ফেললাম এইটুকুতেই তো শেষ। তো আপনার ভাবনাও যদি এমন হয় তবে আপনি ভুল করছেন। আমাদের মোবাইল ফোনটি একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস, এটি ব্যবহার করার যেমন সঠিক নিয়ম রয়েছে তেমনি চার্জ দেওয়ার কিছু নিয়ম অবশ্যই রয়েছে। মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন? মোবাইল হচ্ছে একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস। যার ফলে আমরা যখন ইলেকট্রিক কেবল বা চার্জার দিয়ে ফোনটি চার্জে লাগাই তখন তাতে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়। আর এই বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট তাপের কারণে ফোনটি সাধারণত গরম হয়। সহজ ভাবে ব্যাখ্যা দিতে গেলে বিষয়টা এমন। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমাদের ফোনটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গরম হয়। যেটা অবশ্যই ভাবার একটি বিষয়। সাধারণত কিছু ভুলের জন্যই এমনটা হয়ে থাকে। নিচে মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন তার প্রধান কারণ গুলো উল্লেখ করা হলো। ১. চার্জ হওয়া অবস্থায় ফোন ব্যবহার করা মোবাইল চার্জে দিলে সেটি গরম হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে মোবাইল ফোন চার্জে দেওয়া অবস্থায় সেটি ব্যবহার করা। একটু আগে আপনাদের বলেছি যে ফোন চার্জে থাকা অবস্থায় এতে বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট তাপ থেকে আমাদের মোবাইলটি গরম হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আপনি যদি চার্জে থাকা অবস্থায় ফোনটিকে ব্যবহার করেন তাহলে সেটি থেকেও এক প্রকারর তাপের সৃষ্টি হয়। এতে ব্যাটারি তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং ফোনটি প্রচন্ড গরম হয়ে যায়। ২. ডাটা অন করে ফোন চার্জে দেওয়া আমরা অনেকে ডাটা কিংবা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক চালু রেখে আমাদের মোবাইলটি চার্জে লাগিয়ে রাখি। এক্ষেত্রে এটিও একটি প্রধান কারণ চার্জে দিলে মোবাইল গরম হয়ে যাওয়ার। কেননা ডাটা অন থাকায় ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকে, অনেক ধরনের নোটিফিকেশন আসতে থাকে যেটা থাকে ব্যাটারির তাপমাত্রা ক্রমশ বেড়ে যায়। এবং মোবাইল ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। ৩. ফোন বালিশের নিচে বা সোফায় রেখে চার্জ দেওয়া আমাদের মধ্যে অনেকের এই অভ্যাস রয়েছে যে বালিশের নিচে রেখে ফোনটিকে চার্জে দিয়ে রাখা কিংবা সোফায় বা খাতে সরাসরি চার্জে দিয়ে মোবাইলটি রেখা। একবার লক্ষ করুন আপনি যখন ফোনটি বালিশের নিচে বা খাটে রাখছেন তখন ফোনটি থেকে উৎপন্ন হওয়া তাপমাত্রা গুলো কোথায় যাবে? সেগুলো নিশ্চই ফোন যেখানে রাখছেন সেখানে জমা হচ্ছে। আর বালিশের নিচে রেখে চার্জে দিলে তো এমনিতেই ফোন অনেক গরম হবে। আর তাই যারা খাটে, সোফায় বা বালিশের নিচে ফোনটিকে চার্জে দিচ্ছেন তাদের ফোন এমনিতেই অনেক গরম হবে। ৪. সঠিক চার্জার দ্বারা চার্জে না দিলে আমরা অনেকেই এই ভুলটি করি। যেকোনো চার্জার দিয়ে আমরা আমাদের ফোনটি চার্জে দিয়ে দেই। ফলে ব্যাটারির চার্জে দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার সাথে ফোন চার্জে দিলে ফোন এবং চার্জার দুটোই গরম হয়। আপনার ব্যাটারির পাওয়ার যত আপনি সে অনুযায়ী ভালো স্মার্ট চার্জার ব্যবহার না করলে ফোনটি অনেক গরম হবে পাশাপাশি ব্যাটারির ক্ষতি হবে। চেষ্টা করবেন যে কোম্পানির ফোন সেই কোম্পানির ফোন বা সেই ফোনের চার্জার দ্বারা ফোনটি চার্জ করতে। ৫. চার্জে থাকা অবস্থায় ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো অ্যাপ চালু থাকলে অনেক সময় আমরা ফোনে কোনো অ্যাপ চালু থাকা অবস্থায় ফোনটিকে চার্জে লাগিয়ে দিয়ে থাকি। এক্ষেত্রে ভাবুন যখন আপনার ফোনের কোনো অ্যাপ চালু থাকবে তখন সেটির জন্য পাওয়ার এর প্রয়োজন হয়। যেটি মোবাইল ব্যাটারি থেকে পেয়ে থাকে। তাহলে বিষয়টা দারাচ্ছে আপনার ফোন এর কার্যক্রম চালু রয়েছে এমন অবস্থায় ফোনটি চার্জও হচ্ছে। যার ফলে ফোনের ব্যাটারির তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। ৬. অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ফোন চার্জে দিলে গরমের দিনে প্রচন্ড তাপমাত্রায় অনেক সময় ফোন ব্যবহার না করে রেখে দিলেও ফোনটি গরম হয়ে যায় অটোমেটিক। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় আপনি আপনার ফোন চার্জে লাগলে ফোনটি গরম হওয়া স্বাভাবিক। এতক্ষণ জানলাম মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন এই ব্যাপারে। এবার জানবো কিভাবে সঠিক নিয়মে চার্জ দিলে আমাদের ফোন গরম হবে না। মোবাইল চার্জে দেওয়ার সঠিক নিয়ম ১. কখনো মোবাইল চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না ফোন চার্জে দিয়ে ব্যবহার করলে যেমন আপনার ফোনটি অনেক গরম হবে, পাশাপাশি আপনার ফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাবে এবং ব্যাটারির ক্ষমতা ক্রমশ কমতে থাকবে। এছাড়াও আপনি নিশ্চয় শুনে থাকবেন ফোন বিস্ফোরণের মত মারাত্মক সব দুর্ঘটনার কথা। আপনি যখন মোবাইলটি চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন তখন সব দিক থেকে আপনার মোবাইলে চাপ সৃষ্টি হবে। ফলে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কম হতে থাকবে এবং ব্যাটারির তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকবে। এর ফলে মোবাইল বিষ্ফোরণ হওয়ার মতো মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই এই ভুলটি করা থেকে বিরত থাকুন। ২. অবশ্যই নিজের চার্জার দ্বারা ফোনটিকে চার্জে দিন নিজের ফোনের অরজিনাল চার্জার দিয়ে ফোনটিকে চার্জ দিন। এতে আপনার ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। এছাড়াও ফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাবে না এবং মোবাইল চার্জে দিলে গরম হবে না। ব্যাটারি ভালো রাখতে চাইলে নিজের চার্জার ছাড়া অন্য কারো চার্জার ব্যবহার করা বাদ দিন। ৩. কখনো ১০০% বা ফুল চার্জ করবেন না আমরা অনেকে আছি ফোন একেবারে ১০০% পুরো চার্জ করে থাকি। ফলে আমরা বুঝতেও পারি না আমাদের ব্যাটারির ক্ষমতা কিভাবে কমে যেতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে ব্যাটারি সর্বোচ্চ ৮০-৯০% পর্যন্ত চার্জ করলে ব্যাটারির স্বাস্থের জন্য ভালো। এছাড়াও ৫০% এর নিচে আসলে ফোনটিকে চার্জে দিলে ফোনটি দ্রুত এবং সঠিক নিয়মে চার্জ হয়। অপরদিকে লক্ষ রাখতে হবে দিনের চার্জ যাতে ২০% এর নিচে না নেমে আসে। এইভাবে নিয়ম করে চার্জ দিলে ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকে। ৪. ব্যাক কভার খুলে ফোনটি চার্জ দিন অনেক সময় ফোনের কভার লাগিয়ে সেটিকে চার্জে দিলে অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় ফোন। তাই ফোনের ব্যাক কভার খুলে ফোনটিকে চার্জে দিন। এতে ফোন গরম হবে না এবং চার্জ দ্রুত হবে। ৫. ফোন সারারাত চার্জে দিয়ে রাখবেন না আমরা অনেকে ফোনটি সারারাত চার্জে লাগিয়ে রাখি। যদিও বর্তমানের ফোনগুলোতে স্মার্ট চার্জিং সিস্টেম থাকতে ওভার চার্জিং এর সমস্যা থাকে না। তবুও মোবাইল সারারাত চার্জে লাগানো থেকে বিরত থাকুন। আমাদের শেষ কথা বন্ধুরা আজকে আমরা মোবাইল চার্জ দিলে গরম হয় কেন এবং ফোন চার্জ দেওয়ার সঠিক নিয়মগুলো সম্পর্কে জেনে নিলাম। আশা করছি উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো মেনে যদি আপনি আপনার ফোনটিকে চার্জ করেন তাহলে আপনার ফোনটি গরম হবে না, এবং আপনার ফোনের ব্যাটারি ক্ষমতা দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। আর্টিকেলটা ভালো লাগল শেয়ার করে দিন বন্ধুদের মাঝে।

যারা ওয়েবসাইট চালিয়ে থাকেন তারা কমবেশি অনেকে জানেন ওয়েবসাইটের জন্য কতটা কার্যকরী। একটি ওয়েবসাইটকে রেঙ্ক করানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

অর্থাৎ অফ পেজ এসইও ছাড়া আপনি কোনোভাবেই এসইও সম্পূর্ণভাবে করতে পারবেন না ওয়েবসাইটের।

অফ পেজ এসইও করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট অন্যান্য ওয়েব সাইট গুলো থেকে গুগলে অনেক বেশি এগিয়ে থাকবে রেংকিং এর ক্ষেত্রে।

অর্থাৎ কোনো পোস্টকে রান করানোর জন্য পেজ এসইও করা খুবই জরুরি।আপনার ওয়েবসাইটের অফ পেজ এসইও করার ফলে ডোমেইনের রেটিং যদি খুবই ভালো হয়ে থাকে তাহলে খুব সহজেই অনপেজ এসইও না করেও পোস্ট রেঙ্ক করানো যায়।

ধরুন আপনি কষ্ট করে একটি পোস্ট লিখলেন এবং পোস্টটির সম্পূর্ণ অন পেজ এসইও করলেন তবুও আপনার পোস্টটি রেঙ্ক না করতে পারে শুধুমাত্র অফ পেজ এসইও না করার ফলে।

অফ পেজ এসইওর মাধ্যমে আপনারা ডোমেইন রেটিং বৃদ্ধি করতে পারবেন এবং আপনি যে কন্টেন্টটি লিখেছেন সেটি সুন্দর করে মার্কেটিং করতে পারবেন।

অফ পেজ এসইও কোন ওয়েবসাইটে করবেন ?

আমি আপনাদেরকে আগেই বলেছি যে অর্থের জেসিও হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট রেংকিং করানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট।অফ পেজ এসইও খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নতুন ওয়েব সাইটকে গুগলে র্যাংকিংয়ে আনার জন্য এবং পুরাতন ওয়েবসাইট গুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোতে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রি করা হয়ে থাকে। তারা তো সেই সকল পণ্যের তেমন অনপেজ এসইও করার সুযোগ পায় না। তাই তারা অফ পেজ এসইও করার মাধ্যমে একে অপরকে বিড করে থাকে।

তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারছেন অফ পেজ এসইও গুরুত্ব ঠিক কতটা। তাহলে চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কিভাবে আপনারা অফ পেজ এসইও করবেন সেই সম্পর্কেঃ-

অফ পেজ এসইও  কিভাবে করবেন ?

এতক্ষণ আপনাদেরকে অফ পেজ এসইও সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা দিলাম এবার আপনাদের সাথে আলোচনা করবো অফিসে কিভাবে করবেন সেই সম্পর্কে।অফ পেজ এসইও কয়েকটি বিষয়কে কেন্দ্র করে করা হয়। যেমনঃ-

১.লিংক বিল্ডিং

২.সোসিয়াল অথরিটি

৩.E-A-T

অফ পেজ এসইও সঠিকভাবে করার জন্য এ বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা রাখা উচিত। তাহলে চলুন এই বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাকঃ-

লিংক বিল্ডিং

লিংক বিল্ডিং কে অনেকে ব্যাকলিংক হিসেবে চিনে থাকেন। কিন্তু লিংক বিল্ডিং এবং ব্যাক লিংক এই বিষয়টা কিন্তু মোটেও এক নয়।অন্যের ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য লিংক নেওয়া টাকে ব্যাকলিংক বা লিংক বিল্ডিং বলা হয়ে থাকে।

সেটা চাইলে আপনি তার কাছ থেকে যে কোন পেজের জন্য নিতে পারেন। অফ পেজ এসইও এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে লিংক বিল্ডিং। যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্য লিংক বিল্ডিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়েবসাইটের জন্য লিংক বিল্ডিং গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটি আপনাকে আগে বুঝে করতে হবে না হলে আপনার ওয়েবসাইটের ক্ষতি হতে পারে।

আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটের সাথে ভালো ওয়েবসাইটের লিংক বিল্ডিং করবে তখন অটোমেটিক আপনার ওয়েবসাইটের অথরিটি বৃদ্ধি পাবে এবং এর ফলে আপনি র্যাঙ্কিংয়েও অনেক সুবিধা পাবেন।

লিংক বিল্ডিং এর মধ্যেও অনেক ধরনের রয়েছে অর্থাৎ লিঙ্কবিল্ডিং কে কয় ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:-

Natural link

Manually build link

Self-created link

তাহলে চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক এই তিনটি লিঙ্ক সম্পর্কে বিস্তারিত।

Natural link

যদি আপনার আর্টিকেলটি অনেক তথ্যবহুল হয় এবং আর্টিকেলটি পড়ে ইউজারদের ভালো লেগে থাকে। তাহলে তারা এই রিলেটেড যখন তাদের ওয়েবসাইটে পোস্ট করবে তখন আপনার ওয়েবসাইটের কিছু তথ্য কে তারা সোর্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারে এবং আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিতে পারে। এটাকে মূলত বলা হয়ে থাকে natural link.একটি ওয়েবসাইটের জন্যে এই লিংকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Manually build link

সাধারণত এই পদ্ধতিতে আপনাকে একটি ওয়েবসাইটের অর্থাৎ হাই অথরিটি ওয়েবসাইটে টাকা দিয়ে আপনাকে গেস্ট পোস্ট করতে হবে।অর্থাৎ সেই ওয়েবসাইটের রিলেটেড একটি পোস্ট আপনাকে করতে হবে এবং সেই পোস্টে আপনার সাইটের লিঙ্ক দিতে হবে। আর এটাকে মূলত বলা হয়ে থাকে manually build link.ডোমেইন অথরিটি বাড়ানোর জন্য এই লিংকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Self-created link

সাধারণত বিভিন্ন গেস্ট পোস্ট, ফোরাম পোস্ট ,  ব্লগ কমেন্টিং,এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের যদি কোনো ধরনের লিঙ্ক তৈরি করেন তাহলে তখন সেটি self created link হিসেবে গণ্য করা হবে। ওয়েবসাইটের জন্য এই লিংকগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এই লিঙ্ক যত বেশি থাকবে আপনার ওয়েবসাইটের ভ্যালু তত বাড়বে।

আশা করি আপনারা এই তিনটি লিঙ্ক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়েছেন। তবে প্রত্যেকেরই উচিত ওয়েবসাইটের ন্যাচারাল লিংকের  উপর বেশি মনোযোগ দেওয়া।কোন ওয়েবসাইট তখনি আপনার ওয়েবসাইটের লিংক ন্যাচারাল লিংক করবে যখন আপনার কনটেন্ট খুবই ভালো হবে এবং সে পছন্দ করবে।

তাই অবশ্যই যখন কনটেন্ট লিখবেন হাই কোয়ালিটি সম্পন্ন একটি কনটেন্ট লেখার চেষ্টা করবেন। আপনার কনটেন্ট এর কোয়ালিটি যদি খুবই ভাল হয় তাহলে অবশ্যই আপনার পোস্টটি কে অনেকে ন্যাচারাল লিংক হিসেবে ব্যবহার করবে।

লিংক বিল্ডিং করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের নিচের সাথে রিলেটেড নিস সাইটের সাথে লিংক বিল্ডিং করবেন। আপনি ধীরে ধীরে লিংক বিল্ডিং করবেন তাহলে গুগলের কাছে এই লিংকগুলোর গুরুত্ব থাকবে। যার ফলে খারাপ লিঙ্ক থেকে আপনি ওয়েবসাইটকে দূরে রাখতে পারবেন এবং এর ফলে স্পাম স্কোরও বেড়ে যাবে না।

তাই লিংক বিল্ডিং করার সময় অবশ্যই এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তারপর লিঙ্কবিল্ডিং নামতে হবে নাহলে আপনার ওয়েবসাইটের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হতে পারে।

শেষ কথা, আশা করি আজকের এই পোস্ট টি পড়ার মাধ্যমে অফ পেজ এসইও কি সেই সম্পর্কে আপনারা মোটামুটি কিছুটা ধারণা পেয়েছেন। অফ পেজ এসইওর কোন বিষয় সম্পর্কে যদি বুঝতে অসুবিধা হয়ে থাকে এবং এসইও সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর আমাদের সাইটের সাথে থাকবেন নতুন নতুন পোস্ট পেতে। আমার আর অন্যান্য পোস্ট:

স্টুডেন্টদের জন্য ইনকাম করার বেশ কয়েকটি উপায়

ধন্যবাদ