ঢাকা 12:41 pm, Saturday, 4 February 2023

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

  • আপডেট সময় : 11:57:48 am, Wednesday, 28 September 2022 42 বার পড়া হয়েছে

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা-বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক শক্তি নিয়ে গবেষণা করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান ১৪২টি দেশের সামরিক শক্তি নিয়ে গবেষণা করে একটা তালিকা প্রকাশ করে।

এই তালিকায় ৮টি ক্যাটাগরিতে ৪৬ টি বিষয়ে মান নির্ণয় করে এই র‍্যাংকিং তালিকা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।
এই তালিকায় মিয়ানমার ৩৯ তম & বাংলাদেশের অবস্থান ৪৬ তম।। এর মানে বাংলাদেশ সামরিক শক্তিতে মিয়ানমার থেকে মাত্র ৭ ধাপ পিছিয়ে আছে । শুধু তাই নয়, মিয়ানমারের সামরিক শক্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

নির্বাচিত প্রতিনিধিদের (সরকার) দমন করে ক্ষমতা দখল করে সেই দেশের সেনাবাহিনী। এর ফলে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে অস্ত্র উৎপাদনকারী দেশগুলোকে মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়।। আবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপিয়ান দেশগুলো মিয়ানমারের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কারা মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে এবং বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সামরিক শক্তির মধ্যে তুলনা করা হবে এই পোস্টে।

মায়ানমারের সামরিক বাহিনীর নাম;

তাঁতমাদো“৷। কিন্তু এরা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নয়।। কিন্তু বলা হয় সমগ্র মিয়ানমার হলো এই সামরিক বাহিনীর সম্পত্তি।। ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীন হবার পর এই বাহিনীই মিয়ানমারকে শাসন করছে।।
সামরিক শক্তিতে মিয়ানমার তার পাশের দেশগুলো থেকে অনেক উন্নত।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

আয়তনঃ

আয়তনের তুলনায় মিয়ানমার হলো বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বড়।

জনসংখ্যাঃ

মিয়ানমারের জনসংখ্যা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যার মাত্র ৩ ভাগের ১ভাগ।

প্রতিরক্ষা বাজেটঃ

মিয়ানমার তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট ও সামরিক সামর্থ বাড়িয়েই যাচ্ছে। ২০২২ সালের তাদের প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট ছিল ২২৮ কোটি মার্কিন ডলার। অপরদিকে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাজেট ছিল ৩৮৯ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের সামরিক বাজেট মিয়ানমারের থেকে বেশি হলেও সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশ পিছিয়েই আছে।

নিচে একটু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতার বিষয়ে তুলনা দেখে আসি

সেনা সদস্যঃ

মিয়ানমারের সেনা সদস্য হলো ৪লক্ষ অপরদিকে বাংলাদেশের ১লক্ষ ৬৫ হাজার।

প্যরামিলিটারিঃ

মিয়ানমারের প্যরামিলিটারির সদস্য হলো ৫০ হাজার। অপরদিকে বাংলাদেশের আছে ৬৮ লক্ষ। প্যরামিলিটারি বলতে মূল সেনাবাহিনীর বাইরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদেরকে বোঝায়। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ ১ম অবস্থানে রয়েছে এই প্যরামিলিটারির সদস্য সংখ্যা দিয়ে। বাংলাদেশের বড় প্যরামিলিটারি ফোর্স হলো আনসার।

ট্যাংকঃ

ভূমিতে আক্রমণ চালাতে পারে এমন ট্যাংক মিয়ানমারের আছে ৬৬৪ টি। কিন্তু বাংলাদেশের আছে শুধু ৩২০ টি।

সাঁজোয়া যানঃ

মিয়ানমারের সাঁজোয়া যান আছে ১৫৮৭ টি,
বাংলাদেশের আছে ৮৩৭ টি।। যেখানে ৭৫০ টি সাঁজোয়া যান বেশি আছে মিয়ানমারের।

কামান সংখ্যাঃ

সক্রিয় স্বয়ংক্রিয় কামান আছে মিয়ানমারের ১৯০ টি এবং সাধারণ কামান আছে ১৮৬৯।
বাংলাদেশের আছে যথাক্রমে ২৭ টি ও ৩৭১ টি

রকেট লঞ্চারঃ

মিয়ানমার ৪১৭ টি রকেট লঞ্চার নিয়ে বাংলাদেশ থেকে অনেক এগিয়ে আছে। যার সংখ্যা হল ৪৮৬ টি।

মোট বিমানঃ
মিয়ানমার এর আছে ২৮০ টি এবং বাংলাদেশের আছে মাত্র ৯০ টি

ফাইটার বিমান নিয়ে জানা যাক। মিয়ানমার এর কাছে আছে ৫৫টি ও বাংলাদেশ এর আছে ৪৪ টি।

কিন্তু মিয়ানমারের ২১ টি ডেডিকেটেড এয়ারক্রাফট ও ৯ টি এ্যাটাক্ট হেলিকপ্টার থাকলেও বাংলাদেশের এর কোনটাই নেই।

প্রশিক্ষিত বিমানঃ

মিয়ানমার এর ৯৩ টি ও বাংলাদেশ এর ৬৩ টি প্রশিক্ষিত বিমান আছে।

নৌ- যানঃ
মজার কথা হলো, এই দুই দেশের কারো সমুদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা ততটা উন্নত না। মোট নৌ- যান মিয়ানমার এর আছে ১৫৫টি ও বাংলাদেশ এর ১১২টি৷

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

টহল জাহাজঃ
মিয়ানমার ১৩৩টি।
বাংলাদেশ এর মাত্র ৩০ টি।

উপরের হিসাব থেকে সহজেই বোঝা যায় যে, সামরিক সক্ষমতার দিক দিয়ে মিয়ানমার বাংলাদেশ এর থেকে অনেক অনেক এগিয়ে আছে।

কিন্তু মিয়ানমারের এসব অস্ত্রের যোগান আসে কোথা থেকে তাই জানব এবার।

অস্ত্রের যোগানঃ

মিয়ানমার যেসব ভাড়ী অস্ত্র ব্যবহার করে তার সব অন্য দেশ থেকে কিনে আনে। কিন্তু এরা নিজেরাই নিজেদের অস্ত্র কারখানায় হালকা অস্ত্র বানিয়ে থাকে।

সামরিক জান্তার নিপিড়নে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মানুষ যখন মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ছিল, তখনোও ৭ টি দেশের ১৪ টি কোম্পানি তাদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করেছে। ২০১৬ সাল থেকে চীন, উত্তর কোরিয়া, ভারত, ইসরাই ল,, ফিলিপাইন, রাশিয়া এর কোম্পানি গুলো মিয়ানমারের কাছে সাঁজোয়া যান, যুদ্ধ বিমান, গোলাবারুদ, মিসাইল, যুদ্ধ জাহাজ বিক্রি করেছে।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

জাতিসংঘের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত একটি চুক্তিতে বলা আছে, রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনে অস্ত্র ব্যবহার হতে পারে এমন সম্ভাবনা থাকলে সেখানে সামরিক অস্ত্র সরবরাহ আইন পরিপন্থী। চীন ওই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ হয়েও মিয়ানমারের কাছে অবাধে অস্ত্র বিক্রি করে গেছে। চীন, মিয়ানমার ও ভারত প্রতিবেশী দেশ হওয়ার তাদের মধ্যে আছে আন্তরিক সম্পর্ক। তাই এই দুই দেশ মিলে মিয়ানমারকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে। মিয়ানমারের অধিকাংশ যুদ্ধ বিমান আসে চীন থেকে। সুসম্পর্কের খাতিরে ভারত ২০১৮ সালে মিয়ানমারকে রুশ নির্মিত একটা সাবমেরিন উপহার দিয়েছে। আর এই সাবমেরিনই হলো তাদের একমাত্র ডুবোজাহাজ।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

ভারত ও চীন এর রাশিয়া, ইসরায়েল ও ইউক্রেন হলো মিয়ানমারের অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।।
এই দেশ সর্বোচ্চ যুদ্ধ বিমান ও এয়ারক্রাফট কিনেছে রাশিয়ার কাছ থেকে। সার্ভিয়া থেকে রকেট ও গোলাবারুদ আসার প্রমাণ আছে।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

মাত্র সাড়ে ৫ কোটি জানা জনসংখ্যার দেশ হলেও সামরিক সক্ষমতায় অনেক এগিয়ে আছে মিয়ানমার।

দেশটি চালায় এখন সেনাবাহিনী তাই সামরিক সক্ষমতা না থাকলে এতো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো না৷
মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নির্মুল করার সময় সাধারণ জনগণ সেনাবাহিনীদের ব্যাপক সমর্থন করে যার ফলে সেনাবাহিনী এতো শক্তিশালী হয়েছে । কিন্তু এখন তারা আর সামরিক শাসন চায় না। বিশেষ করে বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের নির্মুল করার জন্য জনমত সৃষ্টি করেছে। যেখানে তাদের ধর্মই ছিল অহিংসা করা৷ অবশ্য এখন সেই পাপের ফল দেশের সকল জনগণ এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

See More>>>

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

ট্যাগস :

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

আপডেট সময় : 11:57:48 am, Wednesday, 28 September 2022

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা-বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক শক্তি নিয়ে গবেষণা করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান ১৪২টি দেশের সামরিক শক্তি নিয়ে গবেষণা করে একটা তালিকা প্রকাশ করে।

এই তালিকায় ৮টি ক্যাটাগরিতে ৪৬ টি বিষয়ে মান নির্ণয় করে এই র‍্যাংকিং তালিকা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।
এই তালিকায় মিয়ানমার ৩৯ তম & বাংলাদেশের অবস্থান ৪৬ তম।। এর মানে বাংলাদেশ সামরিক শক্তিতে মিয়ানমার থেকে মাত্র ৭ ধাপ পিছিয়ে আছে । শুধু তাই নয়, মিয়ানমারের সামরিক শক্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

নির্বাচিত প্রতিনিধিদের (সরকার) দমন করে ক্ষমতা দখল করে সেই দেশের সেনাবাহিনী। এর ফলে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে অস্ত্র উৎপাদনকারী দেশগুলোকে মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়।। আবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপিয়ান দেশগুলো মিয়ানমারের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কারা মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে এবং বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সামরিক শক্তির মধ্যে তুলনা করা হবে এই পোস্টে।

মায়ানমারের সামরিক বাহিনীর নাম;

তাঁতমাদো“৷। কিন্তু এরা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নয়।। কিন্তু বলা হয় সমগ্র মিয়ানমার হলো এই সামরিক বাহিনীর সম্পত্তি।। ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীন হবার পর এই বাহিনীই মিয়ানমারকে শাসন করছে।।
সামরিক শক্তিতে মিয়ানমার তার পাশের দেশগুলো থেকে অনেক উন্নত।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

আয়তনঃ

আয়তনের তুলনায় মিয়ানমার হলো বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বড়।

জনসংখ্যাঃ

মিয়ানমারের জনসংখ্যা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যার মাত্র ৩ ভাগের ১ভাগ।

প্রতিরক্ষা বাজেটঃ

মিয়ানমার তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট ও সামরিক সামর্থ বাড়িয়েই যাচ্ছে। ২০২২ সালের তাদের প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট ছিল ২২৮ কোটি মার্কিন ডলার। অপরদিকে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাজেট ছিল ৩৮৯ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের সামরিক বাজেট মিয়ানমারের থেকে বেশি হলেও সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশ পিছিয়েই আছে।

নিচে একটু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতার বিষয়ে তুলনা দেখে আসি

সেনা সদস্যঃ

মিয়ানমারের সেনা সদস্য হলো ৪লক্ষ অপরদিকে বাংলাদেশের ১লক্ষ ৬৫ হাজার।

প্যরামিলিটারিঃ

মিয়ানমারের প্যরামিলিটারির সদস্য হলো ৫০ হাজার। অপরদিকে বাংলাদেশের আছে ৬৮ লক্ষ। প্যরামিলিটারি বলতে মূল সেনাবাহিনীর বাইরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদেরকে বোঝায়। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ ১ম অবস্থানে রয়েছে এই প্যরামিলিটারির সদস্য সংখ্যা দিয়ে। বাংলাদেশের বড় প্যরামিলিটারি ফোর্স হলো আনসার।

ট্যাংকঃ

ভূমিতে আক্রমণ চালাতে পারে এমন ট্যাংক মিয়ানমারের আছে ৬৬৪ টি। কিন্তু বাংলাদেশের আছে শুধু ৩২০ টি।

সাঁজোয়া যানঃ

মিয়ানমারের সাঁজোয়া যান আছে ১৫৮৭ টি,
বাংলাদেশের আছে ৮৩৭ টি।। যেখানে ৭৫০ টি সাঁজোয়া যান বেশি আছে মিয়ানমারের।

কামান সংখ্যাঃ

সক্রিয় স্বয়ংক্রিয় কামান আছে মিয়ানমারের ১৯০ টি এবং সাধারণ কামান আছে ১৮৬৯।
বাংলাদেশের আছে যথাক্রমে ২৭ টি ও ৩৭১ টি

রকেট লঞ্চারঃ

মিয়ানমার ৪১৭ টি রকেট লঞ্চার নিয়ে বাংলাদেশ থেকে অনেক এগিয়ে আছে। যার সংখ্যা হল ৪৮৬ টি।

মোট বিমানঃ
মিয়ানমার এর আছে ২৮০ টি এবং বাংলাদেশের আছে মাত্র ৯০ টি

ফাইটার বিমান নিয়ে জানা যাক। মিয়ানমার এর কাছে আছে ৫৫টি ও বাংলাদেশ এর আছে ৪৪ টি।

কিন্তু মিয়ানমারের ২১ টি ডেডিকেটেড এয়ারক্রাফট ও ৯ টি এ্যাটাক্ট হেলিকপ্টার থাকলেও বাংলাদেশের এর কোনটাই নেই।

প্রশিক্ষিত বিমানঃ

মিয়ানমার এর ৯৩ টি ও বাংলাদেশ এর ৬৩ টি প্রশিক্ষিত বিমান আছে।

নৌ- যানঃ
মজার কথা হলো, এই দুই দেশের কারো সমুদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা ততটা উন্নত না। মোট নৌ- যান মিয়ানমার এর আছে ১৫৫টি ও বাংলাদেশ এর ১১২টি৷

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

টহল জাহাজঃ
মিয়ানমার ১৩৩টি।
বাংলাদেশ এর মাত্র ৩০ টি।

উপরের হিসাব থেকে সহজেই বোঝা যায় যে, সামরিক সক্ষমতার দিক দিয়ে মিয়ানমার বাংলাদেশ এর থেকে অনেক অনেক এগিয়ে আছে।

কিন্তু মিয়ানমারের এসব অস্ত্রের যোগান আসে কোথা থেকে তাই জানব এবার।

অস্ত্রের যোগানঃ

মিয়ানমার যেসব ভাড়ী অস্ত্র ব্যবহার করে তার সব অন্য দেশ থেকে কিনে আনে। কিন্তু এরা নিজেরাই নিজেদের অস্ত্র কারখানায় হালকা অস্ত্র বানিয়ে থাকে।

সামরিক জান্তার নিপিড়নে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মানুষ যখন মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ছিল, তখনোও ৭ টি দেশের ১৪ টি কোম্পানি তাদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করেছে। ২০১৬ সাল থেকে চীন, উত্তর কোরিয়া, ভারত, ইসরাই ল,, ফিলিপাইন, রাশিয়া এর কোম্পানি গুলো মিয়ানমারের কাছে সাঁজোয়া যান, যুদ্ধ বিমান, গোলাবারুদ, মিসাইল, যুদ্ধ জাহাজ বিক্রি করেছে।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

জাতিসংঘের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত একটি চুক্তিতে বলা আছে, রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনে অস্ত্র ব্যবহার হতে পারে এমন সম্ভাবনা থাকলে সেখানে সামরিক অস্ত্র সরবরাহ আইন পরিপন্থী। চীন ওই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ হয়েও মিয়ানমারের কাছে অবাধে অস্ত্র বিক্রি করে গেছে। চীন, মিয়ানমার ও ভারত প্রতিবেশী দেশ হওয়ার তাদের মধ্যে আছে আন্তরিক সম্পর্ক। তাই এই দুই দেশ মিলে মিয়ানমারকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে। মিয়ানমারের অধিকাংশ যুদ্ধ বিমান আসে চীন থেকে। সুসম্পর্কের খাতিরে ভারত ২০১৮ সালে মিয়ানমারকে রুশ নির্মিত একটা সাবমেরিন উপহার দিয়েছে। আর এই সাবমেরিনই হলো তাদের একমাত্র ডুবোজাহাজ।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

ভারত ও চীন এর রাশিয়া, ইসরায়েল ও ইউক্রেন হলো মিয়ানমারের অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।।
এই দেশ সর্বোচ্চ যুদ্ধ বিমান ও এয়ারক্রাফট কিনেছে রাশিয়ার কাছ থেকে। সার্ভিয়া থেকে রকেট ও গোলাবারুদ আসার প্রমাণ আছে।

বর্তমান মিয়ানমারের সামরিক সক্ষমতা

মাত্র সাড়ে ৫ কোটি জানা জনসংখ্যার দেশ হলেও সামরিক সক্ষমতায় অনেক এগিয়ে আছে মিয়ানমার।

দেশটি চালায় এখন সেনাবাহিনী তাই সামরিক সক্ষমতা না থাকলে এতো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো না৷
মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নির্মুল করার সময় সাধারণ জনগণ সেনাবাহিনীদের ব্যাপক সমর্থন করে যার ফলে সেনাবাহিনী এতো শক্তিশালী হয়েছে । কিন্তু এখন তারা আর সামরিক শাসন চায় না। বিশেষ করে বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের নির্মুল করার জন্য জনমত সৃষ্টি করেছে। যেখানে তাদের ধর্মই ছিল অহিংসা করা৷ অবশ্য এখন সেই পাপের ফল দেশের সকল জনগণ এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

See More>>>

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS