ঢাকা 6:42 pm, Saturday, 28 January 2023

এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর ব্যবহার, খওয়ার নিয়ম এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • আপডেট সময় : 09:58:55 pm, Sunday, 21 August 2022 118 বার পড়া হয়েছে
এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর ব্যবহার-প্রিয় বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছেন, ইনশা আল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। আমি সব সময় চেষ্টা করি সঠিক তথ্য এবং নির্ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য। আজ আমি আপনাদের এক অসাধারণ তথ্য দিবো। যা অনেক ইমারজেন্সি একটি সমস্যা।
আসল কথায় আসি, আজ আমরা গর্ভ কালীন সময়ের ৯ সাপ্তাহ মানে ৬৩ একটা মেয়ের গর্ভে সন্তান থাকলে তা কিভাবে গর্ভপাত করা যায় তা নিয়ে সম্পূর্ণ আলোচনা করবো। এম এম কিট/ অ্যাবো কিট, এটি একটি ওষুধ যার উপাদান হলোঃ মিফেপ্রিস্টোন ইউ এস পি ২০০ মিলি গ্রাম ট্যাবলেট। এবং, মিসোপ্রোস্টল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম এর ৪ টি ট্যাবলেট। ৪ টি ট্যাবলেটেই রয়েছে মিসোপ্রোস্টল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম।

 বিবরণঃ

এম এম কিট/ অ্যাবো কিট হচ্ছে মিফেপ্রিস্টোন ও মিফেপ্রিস্টোন এর একটি কম্বিনেশন ওষুধ যা গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত ভাবে হয় তার জন্য ব্যাবহার করা হয়। এখানে, গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত করন বলতে বোঝায় যে, অস্ত্রোপচার ছারাই গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত করন। বাংলাদেশের সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্রোপচার ছারাই গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত করন এর জন্য মিফেপ্রিস্টোন ও মিফেপ্রিস্টোন এর কম্বিনেশন ওষুধ এর বিকল্প বা নিরাপদ চিকিৎসা নেই।
যথাযত ভাবে, আধুনিক রীতির ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত করনে ঝুকি কম যা মায়েদের স্বাস্থ্য অথবা ভবিষ্যতে গর্ভধারণে দীর্ঘ মেয়াদী কোন প্রকার প্রভাব ফেলে না। এম এম কিট বা অ্যাবো কিট ৯৮ শতাংশ সফল ভাবে কাজ করতে সক্ষম এবং ১ শতাংশ এর ও কম মহিলাদের নানান কারণে গর্ভধারণ চলতে থাকে।

নির্দেশনা ঃ

গর্ভকালীন সময়ের ৯ সাপ্তাহ ( ২ মাস ৩ দিন বা ৬৩ দিন ) এর মধ্যে গর্ভপাত এর জন্য নির্দেশিত।

ফার্মাকোলজি ঃ

১/মিফেপ্রিস্টোন এবং
২/মিসোপ্রোটল।
১/ মিফেপ্রিস্টোনঃ এটি একটি অ্যান্টিপ্রোজেস্টেরন যা প্রোজেস্টেরন রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে রিসেপ্টরকে বন্ধ করে দেয়, ফলে প্রোজেস্টেরন রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হতে পারে না। এটি প্রোজেস্টেরনের অন্তঃ বা বহিঃ ক্রিয়ায় বাধা দেয়। মিফেপ্রিস্টোন সারভিক্সকে নরম ও প্রসারিত করে, ডেসিডুয়াল নেকরোসিস ঘটায় ( যা প্লাসেন্টার বিছিন্নতা বাড়ায়), জরায়ুর আবরণে প্রোস্টাগ্লান্ডিন নিঃসরণ বৃদ্ধি করে, জরায়ুর সংকোচন এবং প্রোস্টাগ্লান্ডিনের প্রতি জরায়ুর সংবেদনশীলতা বাড়ায়।
২/ মিসোপ্রোটলঃ এটি প্রোস্টাগ্লান্ডিন ই১ এর একটি সিনথেটিক এনালগ যা মায়োমেট্রিয়াম এর মসৃণ পেশীর সংকোচন এবং জরায়ুর সারভিক্সের প্রসারন ঘটায়।

মাত্রা ও প্রয়োগবিধিঃ

এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর খাওয়ার নিয়ম আমরা অনেকেই আবগত, এর এটি জানার জন্য কারো কাছে যেতে হলে লজ্জায় মাথা কাটা যায়। কেউ কেউ তো লজ্জার কারণে কাউকে গর্ভধারণ এর কথা কাউকে বলতেই পারেন না। এটি আসলেই ঠিক না, আমাদের অবশ্যই সকলের এটি সম্পর্কে জানা দরকার।
এটি গর্ভধারণ এর ৬৩ দিন বা ৯ সাপ্তাহ এর মধ্যে জরায়ু মধ্যস্থ গর্ভের গর্ভপাতে ব্যবহার করা হয়। এই অবস্থায় চিকিৎসার জন্য রোগীকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বা অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ডাক্তার এর কাছে ২/৩ বার যোগাযোগ করতে হয়। একজন মহিলা যদি এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর মাধ্যমে মাসিক নিয়ামিত করণে সম্মত হন তবে প্রথম দিন তাকে মিফেপ্রিস্টোন ইউ এস পি ২০০ মিলি গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ১ টি ট্যাবলেট থাকে ) ট্যাবলেট টি অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ডাক্তার এর পরামর্শে খেতে হবে।
এর ২৪-৪৮ ঘন্টা পর তাকে বাড়িতে অথবা ক্লিনিক এ মিসোপ্রেস্টোল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ৪ টি ট্যাবলেট থাকে ) গাল ও মাড়ির মাঝে অথবা জিহ্বার নিচে রেখে সেবন করতে হবে। মিফেপ্রিস্টোন গ্রহনের ১০-১৪ দিন পর তিনি আবারো অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ডাক্তার এর কাছে যাবেন এই জন্য যে গর্ভপাত সম্পূর্ণরূপে হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য।

ধাপ ১ঃ

অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ডাক্তার এর সামনে প্রথম দিন একটি মিফেপ্রিস্টোন ইউ এস পি ২০০ মিলি গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ১ টি ট্যাবলেট থাকে ) পানি দিয়ে,খেতে হবে।

ধাপ ২ঃ

মিফেপ্রিস্টোন ইউ এস পি ২০০ মিলি গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ১ টি ট্যাবলেট থাকে ) এটি সেবনের পর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

ধাপ ৩ঃ

দ্বিতীয় দিন বাসায় বা ক্লিনিকে মিসোপ্রেস্টোল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ৪ টি ট্যাবলেট থাকে ) এটি মুখের মাড়ির মাঝখনে দুইটি ট্যাবলেট করে দুই মাড়ির মাঝখনে অথবা জিহ্বার নিচে ৪ টি ট্যাবলেট রাখুন।

ধাপ ৪ঃ

মিসোপ্রেস্টোল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ৪ টি ট্যাবলেট থাকে ) এটি মুখের মাড়ির মাঝখনে দুইটি ট্যাবলেট করে দুই মাড়ির মাঝখনে অথবা জিহ্বার নিচে ৪ টি ট্যাবলেট রাখার ৩০ মিনিট পর ট্যাবলেট গুলোর অবশিষ্ট অংশ পানি দিয়ে গিলে ফেলুন।

প্রতিনির্দেশনাঃ

যে সকল রোগীদের জরায়ুর বাইরে নিষিক্ত ডিম্বানু স্থাপিত হয়, দীর্ঘদিন অন্য ওষুধ এর সাথে কর্টিস্টেরয়েড এর ব্যবহার, দীর্ঘদিন অ্যাড্রোনাল ফেইলিউর, মিফেপ্রিস্টোন, মিসোপ্রোস্টল, অন্যান্য প্রোস্টাগ্লান্ডিনেট প্রতি অতি সংবেদনশীলতা, রেনাল ফেইলিউর, অনিয়ন্ত্রিত রক্তক্ষরণ, যকৃতের সমস্যা, আই. ইউ. ডি স্থাপিত অবস্থায়, জরায়ুতে কোন অনির্ধারিত ম্যাস এর ক্ষেত্রে এই এম এম কিট বা অ্যাবো কিট প্রতিনির্দেশিত।
এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর ব্যবহার, খওয়ার নিয়ম এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর ব্যবহার, খওয়ার নিয়ম এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : 09:58:55 pm, Sunday, 21 August 2022
এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর ব্যবহার-প্রিয় বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সকলে ভালো আছেন, ইনশা আল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। আমি সব সময় চেষ্টা করি সঠিক তথ্য এবং নির্ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য। আজ আমি আপনাদের এক অসাধারণ তথ্য দিবো। যা অনেক ইমারজেন্সি একটি সমস্যা।
আসল কথায় আসি, আজ আমরা গর্ভ কালীন সময়ের ৯ সাপ্তাহ মানে ৬৩ একটা মেয়ের গর্ভে সন্তান থাকলে তা কিভাবে গর্ভপাত করা যায় তা নিয়ে সম্পূর্ণ আলোচনা করবো। এম এম কিট/ অ্যাবো কিট, এটি একটি ওষুধ যার উপাদান হলোঃ মিফেপ্রিস্টোন ইউ এস পি ২০০ মিলি গ্রাম ট্যাবলেট। এবং, মিসোপ্রোস্টল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম এর ৪ টি ট্যাবলেট। ৪ টি ট্যাবলেটেই রয়েছে মিসোপ্রোস্টল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম।

 বিবরণঃ

এম এম কিট/ অ্যাবো কিট হচ্ছে মিফেপ্রিস্টোন ও মিফেপ্রিস্টোন এর একটি কম্বিনেশন ওষুধ যা গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত ভাবে হয় তার জন্য ব্যাবহার করা হয়। এখানে, গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত করন বলতে বোঝায় যে, অস্ত্রোপচার ছারাই গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত করন। বাংলাদেশের সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্রোপচার ছারাই গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত করন এর জন্য মিফেপ্রিস্টোন ও মিফেপ্রিস্টোন এর কম্বিনেশন ওষুধ এর বিকল্প বা নিরাপদ চিকিৎসা নেই।
যথাযত ভাবে, আধুনিক রীতির ওষুধ সেবনের মাধ্যমে গর্ভপাত বা মাসিক নিয়মিত করনে ঝুকি কম যা মায়েদের স্বাস্থ্য অথবা ভবিষ্যতে গর্ভধারণে দীর্ঘ মেয়াদী কোন প্রকার প্রভাব ফেলে না। এম এম কিট বা অ্যাবো কিট ৯৮ শতাংশ সফল ভাবে কাজ করতে সক্ষম এবং ১ শতাংশ এর ও কম মহিলাদের নানান কারণে গর্ভধারণ চলতে থাকে।

নির্দেশনা ঃ

গর্ভকালীন সময়ের ৯ সাপ্তাহ ( ২ মাস ৩ দিন বা ৬৩ দিন ) এর মধ্যে গর্ভপাত এর জন্য নির্দেশিত।

ফার্মাকোলজি ঃ

১/মিফেপ্রিস্টোন এবং
২/মিসোপ্রোটল।
১/ মিফেপ্রিস্টোনঃ এটি একটি অ্যান্টিপ্রোজেস্টেরন যা প্রোজেস্টেরন রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে রিসেপ্টরকে বন্ধ করে দেয়, ফলে প্রোজেস্টেরন রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হতে পারে না। এটি প্রোজেস্টেরনের অন্তঃ বা বহিঃ ক্রিয়ায় বাধা দেয়। মিফেপ্রিস্টোন সারভিক্সকে নরম ও প্রসারিত করে, ডেসিডুয়াল নেকরোসিস ঘটায় ( যা প্লাসেন্টার বিছিন্নতা বাড়ায়), জরায়ুর আবরণে প্রোস্টাগ্লান্ডিন নিঃসরণ বৃদ্ধি করে, জরায়ুর সংকোচন এবং প্রোস্টাগ্লান্ডিনের প্রতি জরায়ুর সংবেদনশীলতা বাড়ায়।
২/ মিসোপ্রোটলঃ এটি প্রোস্টাগ্লান্ডিন ই১ এর একটি সিনথেটিক এনালগ যা মায়োমেট্রিয়াম এর মসৃণ পেশীর সংকোচন এবং জরায়ুর সারভিক্সের প্রসারন ঘটায়।

মাত্রা ও প্রয়োগবিধিঃ

এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর খাওয়ার নিয়ম আমরা অনেকেই আবগত, এর এটি জানার জন্য কারো কাছে যেতে হলে লজ্জায় মাথা কাটা যায়। কেউ কেউ তো লজ্জার কারণে কাউকে গর্ভধারণ এর কথা কাউকে বলতেই পারেন না। এটি আসলেই ঠিক না, আমাদের অবশ্যই সকলের এটি সম্পর্কে জানা দরকার।
এটি গর্ভধারণ এর ৬৩ দিন বা ৯ সাপ্তাহ এর মধ্যে জরায়ু মধ্যস্থ গর্ভের গর্ভপাতে ব্যবহার করা হয়। এই অবস্থায় চিকিৎসার জন্য রোগীকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বা অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ডাক্তার এর কাছে ২/৩ বার যোগাযোগ করতে হয়। একজন মহিলা যদি এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর মাধ্যমে মাসিক নিয়ামিত করণে সম্মত হন তবে প্রথম দিন তাকে মিফেপ্রিস্টোন ইউ এস পি ২০০ মিলি গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ১ টি ট্যাবলেট থাকে ) ট্যাবলেট টি অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ডাক্তার এর পরামর্শে খেতে হবে।
এর ২৪-৪৮ ঘন্টা পর তাকে বাড়িতে অথবা ক্লিনিক এ মিসোপ্রেস্টোল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ৪ টি ট্যাবলেট থাকে ) গাল ও মাড়ির মাঝে অথবা জিহ্বার নিচে রেখে সেবন করতে হবে। মিফেপ্রিস্টোন গ্রহনের ১০-১৪ দিন পর তিনি আবারো অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ডাক্তার এর কাছে যাবেন এই জন্য যে গর্ভপাত সম্পূর্ণরূপে হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য।

ধাপ ১ঃ

অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ডাক্তার এর সামনে প্রথম দিন একটি মিফেপ্রিস্টোন ইউ এস পি ২০০ মিলি গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ১ টি ট্যাবলেট থাকে ) পানি দিয়ে,খেতে হবে।

ধাপ ২ঃ

মিফেপ্রিস্টোন ইউ এস পি ২০০ মিলি গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ১ টি ট্যাবলেট থাকে ) এটি সেবনের পর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

ধাপ ৩ঃ

দ্বিতীয় দিন বাসায় বা ক্লিনিকে মিসোপ্রেস্টোল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ৪ টি ট্যাবলেট থাকে ) এটি মুখের মাড়ির মাঝখনে দুইটি ট্যাবলেট করে দুই মাড়ির মাঝখনে অথবা জিহ্বার নিচে ৪ টি ট্যাবলেট রাখুন।

ধাপ ৪ঃ

মিসোপ্রেস্টোল ইউ এস পি ২০০ মাইক্রো গ্রাম ( যেই অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার স্ট্রীপে ৪ টি ট্যাবলেট থাকে ) এটি মুখের মাড়ির মাঝখনে দুইটি ট্যাবলেট করে দুই মাড়ির মাঝখনে অথবা জিহ্বার নিচে ৪ টি ট্যাবলেট রাখার ৩০ মিনিট পর ট্যাবলেট গুলোর অবশিষ্ট অংশ পানি দিয়ে গিলে ফেলুন।

প্রতিনির্দেশনাঃ

যে সকল রোগীদের জরায়ুর বাইরে নিষিক্ত ডিম্বানু স্থাপিত হয়, দীর্ঘদিন অন্য ওষুধ এর সাথে কর্টিস্টেরয়েড এর ব্যবহার, দীর্ঘদিন অ্যাড্রোনাল ফেইলিউর, মিফেপ্রিস্টোন, মিসোপ্রোস্টল, অন্যান্য প্রোস্টাগ্লান্ডিনেট প্রতি অতি সংবেদনশীলতা, রেনাল ফেইলিউর, অনিয়ন্ত্রিত রক্তক্ষরণ, যকৃতের সমস্যা, আই. ইউ. ডি স্থাপিত অবস্থায়, জরায়ুতে কোন অনির্ধারিত ম্যাস এর ক্ষেত্রে এই এম এম কিট বা অ্যাবো কিট প্রতিনির্দেশিত।
এম এম কিট বা অ্যাবো কিট এর ব্যবহার, খওয়ার নিয়ম এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া