ঢাকা 8:05 pm, Saturday, 28 January 2023

ই -পর্চা কি? খতিয়ান নম্বর, আবেদন করার নিয়মঃ, ও যাচাই ।

  • আপডেট সময় : 12:22:22 pm, Tuesday, 23 August 2022 82 বার পড়া হয়েছে

ধরনের এক একাউন্ট যা আপনি জমির খতিয়ান ব্যবহার করে জমির মালিকানা যাচাই করে নিতে পারবেন। এটি বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও প্রকাশিত একটি অনলাইন সেবা। আসুন যেনে নেওয়া যাক ই-পর্চা সম্পর্কে।

ই -পর্চা কী?

ই- পর্চা হচ্ছে বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রিত ওয়েবসাইটের সর্বশেষ প্রকাশিত হওয়া জমির ম্যাপ খতিয়ান মৌজা ও অন্যান্য সকল ভূমি তথ্য ভান্ডার। ই-পর্চার সুবিধা সমূহঃ প্রথম ভগে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধিনদের কর্যক্রমের যেগুলো যেমন সুবিধা ছিলো সেই রকমই অসুবিধাও ছিলো। আর তাই ভূমি মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত ই-পর্চা বের করার সহজ নিয়ম ও সুবিধা সমূহ মানুষের জন্য অনেক। কেননা এখন ই-পর্চা ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট থেকে মালিকানা সকল তথ্য ও সকল খতিয়ান বের করা যাচ্ছে।

অনলাইন ই-পর্চাঃ

এখন যে কোনো বাংলাদেশের নাগরিক অনলাইনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লগইন করে অনলাইনে রিপোর্ট সেবা পেতে পারবেন। ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে নাগরিক কর্ণার অপশন ব্যবহার করে আবেদন করে না থাকেন তা হলে এখনি পর্যায়ে একাউন্ট তৈরি করে ফেলুন খুব সহজেই।

খতিয়ান নম্বর কি?

বাংলাদেশে অনেকে মানুষ আছেন যারা এখন পর্যন্ত নিজ জমির খতিয়ান নাম্বার বলতে পারেন না। এজন্য ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েব সাইট এর মাধ্যমে নিজ জমির মালিকানা যাচাই করতে পারেন। এর মাধ্যমে নির্ভুল তথ্য পাওয়ার জন্য অনলাইনে সকল তথ্য বের করে মৌজা নাম্বার খতিয়ান নম্বর সহ এবং দাগ নাম্বার বের করে নিতে পারবেন।

খতিয়ান বা পর্চা কত প্রকার?

খতিয়ান বা পর্চা চার (৪) প্রকারের হয়ে থাকে। নিচে খতিয়ান বা পর্চার প্রকারভেদ দেওয়া হল। বাংলাদেশে প্রধানত চার ধরনের খতিয়ান রয়েছে যথা-

১.সিএস খতিয়ান। (Cadastral Survey)

২.এসএ খতিয়ান । (State Acquisition Survey)

৩.আরএস খতিয়ান। (Revisional Survey)

৪.বিএস খতিয়ান/সিটি জরিপ। (City Survey)

ই-পর্চা অনলাইন আবেদন করার নিয়মঃ

অনলাইনে আবেদন করার জন্য আপনাকে যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে সেগুলে নিচের লেখাগুলো দেখে জেনে নিন। জমির সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন ও একান্ত জরুরী ।

ই-পর্চা খতিয়ানঃ

আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য জমি সংক্রান্ত কাগজ গুলোকে প্রতিটি লেজারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আলাদা পরি সংখ্যায় এতে কাজগুলো সহজ হয়। এই পদ্ধতিতে আপনারা এই পর্যায়ে খতিয়ান নাম্বার অবশ্যই জানতে পারবেন। অনলাইনে যে কোন খতিয়ান বের করার নিয়মঃ অনলাইনে যে কোন খতিয়ান পদ্ধতি গুলো জানতে নিচের লেখা গুলো লক্ষ দিন ও লিখে নিন।

প্রথমে, বিভাগ নির্বাচন:

আপনি কোন বিভাগে বাস করেন সেই বিভাগ নির্বাচন করতে হবে।

২য়, জেলা নির্বাচন:

আপনি যে জেলার ভোক্তাভুগি সেই জেলার নাম নির্বাচন করুন।

৩য়, উপজেলা নির্বাচন:

যেই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত আপনি সেই জেলার নাম নির্বাচন করুন।

৪র্থ, মৌজা নির্বাচন:

আপনার নিজ মৌজার নাম নির্বাচন করুন।

৫ম, খতিয়ান টাইপ নির্বাচন:

যে ধরনের খতিয়ান বের করতে চান সেই ধরণ নির্বাচন করুন।

৬ষ্ঠ, খতিয়ান নং:

যে জমির পর্চা বের করবেন তা নির্বাচন করুন।

৭ম, দাগ নাম্বার:

নিজ দাগ নম্বর জানা থাকলে নির্বাচন করুন।

৮ম, মালিকের নাম:

মালিকের নাম উল্লেখ থাকলে ম্যানশন করুন।

৯ম, পিতা /স্বামীর নাম:

উল্লেখ থাকলে দিতে পারেন।

সর্বশেষ-১০ম, ক্যাপচা কোড:

উপরে দেওয়া ক্যাপচা কোড টি সিলেক্ট করে অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করুন।

ই পর্চা খতিয়ান যাচাই ও খতিয়ান অনুসন্ধানঃ

আপনারা যারা এখন পর্যন্ত ই খতিয়ান যাচাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানেন না তারা নিচে পড়তে থাকুন। আপনাদের জন্য,আমি নিচে দিয়ে দিয়েছি কিভাবে আপনারা কোন প্রক্রিয়ায় খতিয়ান যাচাই ও খতিয়ান অনুসন্ধান করতে পারবেন। এখন আপনার ঘড়ে বসে, দ্রুত, কম সময়ে কম শ্রমে অনলাইনে অনুসন্ধান করে এই খতিয়ান যথাযথ খতিয়ান অনুসন্ধান করতে পারছেন।

প্রথম, • প্রথমে ভিজিট করুন

https://eporcha.gov.bd/khatian-search-panel

দ্বিতীয় • বিভাগ নির্বাচনঃ

আপনার নিজস্ব বিভাগ এখানে নির্বাচন করতে হবে।

তৃতীয় • জেলা নির্বাচনঃ

আপনি কোন জেলার অন্তর্ভুক্ত তা এখানে নির্বাচন করুন।

চতুর্থ • খাতিয়ান টাইপ নির্বাচনঃ

আপনি মুলত কোন ধরনের খতিয়ান বের করতে চান তা নির্বাচন করুন।

পঞ্চম • উপজেলা নির্বাচন করুনঃ

আপনি কোন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত তা এখানে নির্বাচন করুন।

ষষ্ঠ • মৌজা নির্বাচন করুনঃ

আপনার মৌজার নাম কি তা নির্বাচন করুন।

সপ্তম • খতিয়ান নংঃ

আপনি যে জমির খতিয়ামটি বের করতে তা এখানে সিলেক্ট করুন।

অষ্টম • দাগ নাম্বারঃ

যদি আপনার জমির দাগ নাম্বারটি থেকে থাকে তাহলে এখানে সিলেক্ট করুন।

নবম • মালিকানা নামঃ

মালিকানা নাম যদি থাকে তাহলে এখানে মেনশন করুন।

দশম • পিতা/স্বামীর নামঃ

পিতা/স্বামীর থাকলে তা এখানে নির্বাচন করুন।

শেষ এবং একাদশ • ক্যাপচা কোড লিখুনঃ

এখানে উল্লিখিত ক্যাপসা কোডটির অনুরুপ ফাঁকা জায়গাতে টাইপ করুন।

দাগ নাম্বার দিয়ে জমির/ ভূমির মালিকের নাম এখন আপনাররা শুধু দাগ নাম্বার দিয়েই জমির/ ভূমির মালিকানা সম্পর্কে জানতে পারেছেন। মালিকানা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সক্ষম করে এই দাগ নাম্বার বের করে নিতে পারবেন আপনি যদি কোন জমির দাগ মনে রাখতে না পরেন। সেজন্য আপনাদের আমার এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ ধর্য্য সহকারে পড়তে হবে।

ভূমি সেবায় যোগাযোগ বা হট লাইন নাম্বারঃ

ভূমি মন্ত্রণালয়ের শেষ তথ্য অনুযায়ী,এখন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনগণের সেবার জন্য যোগাযোগের জন্য একটি হট লাইন নাম্বার দিয়েছেন যা আপনি অনুসন্ধান করে বের করতে পারবেন যেকোনো জমির দাগ ও মালিকানা।ভূমি সেবা হট লাইন নাম্বারটি হচ্ছে ১৬১২৩।

ই-পর্চা ডাউনলোডঃ

আপনারা যারা দেশের বাইরে থেকে অনেকে ই-পর্চার সুবিধা থেকে বঞ্চিত মনে করেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। দেশে বাইরে থেকে এ পর্যায়ে ডাউনলোড করতে পারবেন। কেননা, এখন আপনি অনলাইনে যে কোন জায়গায় যে কোন স্থান থেকেই বিপর্য ডাউনলোড করতে পারছেন এই অনলাইন সেবা দান করী ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই সেবাটি। যেহেতু, বিশেষ করে এটি একটি অনলাইন সেবা সেক্ষেত্রে এর কোন বিকল্প নেই। আপনি খুব সহজেই ডাউনলোড করতে,

www.eporcha.gov.bd ওয়েবসাইটটি প্রদর্শন করে ওয়েবসাইটে লগইন করে নিতে পারেন। ই-পর্চা ও ডি আর আর সিস্টেম খতিয়ান থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করে যে তথ্য আপনি নিজে জমির মালিকানা যাচাই করতে সফল হবেন। তবে আইন আদালতে বিস্ময় কপির প্রয়োজন নেই আপনাকে অবশ্যই সার্টিফাইট নিতে হবে এবং এটি প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।

ট্যাগস :

ই -পর্চা কি? খতিয়ান নম্বর, আবেদন করার নিয়মঃ, ও যাচাই ।

আপডেট সময় : 12:22:22 pm, Tuesday, 23 August 2022

ধরনের এক একাউন্ট যা আপনি জমির খতিয়ান ব্যবহার করে জমির মালিকানা যাচাই করে নিতে পারবেন। এটি বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও প্রকাশিত একটি অনলাইন সেবা। আসুন যেনে নেওয়া যাক ই-পর্চা সম্পর্কে।

ই -পর্চা কী?

ই- পর্চা হচ্ছে বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রিত ওয়েবসাইটের সর্বশেষ প্রকাশিত হওয়া জমির ম্যাপ খতিয়ান মৌজা ও অন্যান্য সকল ভূমি তথ্য ভান্ডার। ই-পর্চার সুবিধা সমূহঃ প্রথম ভগে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধিনদের কর্যক্রমের যেগুলো যেমন সুবিধা ছিলো সেই রকমই অসুবিধাও ছিলো। আর তাই ভূমি মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত ই-পর্চা বের করার সহজ নিয়ম ও সুবিধা সমূহ মানুষের জন্য অনেক। কেননা এখন ই-পর্চা ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট থেকে মালিকানা সকল তথ্য ও সকল খতিয়ান বের করা যাচ্ছে।

অনলাইন ই-পর্চাঃ

এখন যে কোনো বাংলাদেশের নাগরিক অনলাইনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লগইন করে অনলাইনে রিপোর্ট সেবা পেতে পারবেন। ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে নাগরিক কর্ণার অপশন ব্যবহার করে আবেদন করে না থাকেন তা হলে এখনি পর্যায়ে একাউন্ট তৈরি করে ফেলুন খুব সহজেই।

খতিয়ান নম্বর কি?

বাংলাদেশে অনেকে মানুষ আছেন যারা এখন পর্যন্ত নিজ জমির খতিয়ান নাম্বার বলতে পারেন না। এজন্য ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েব সাইট এর মাধ্যমে নিজ জমির মালিকানা যাচাই করতে পারেন। এর মাধ্যমে নির্ভুল তথ্য পাওয়ার জন্য অনলাইনে সকল তথ্য বের করে মৌজা নাম্বার খতিয়ান নম্বর সহ এবং দাগ নাম্বার বের করে নিতে পারবেন।

খতিয়ান বা পর্চা কত প্রকার?

খতিয়ান বা পর্চা চার (৪) প্রকারের হয়ে থাকে। নিচে খতিয়ান বা পর্চার প্রকারভেদ দেওয়া হল। বাংলাদেশে প্রধানত চার ধরনের খতিয়ান রয়েছে যথা-

১.সিএস খতিয়ান। (Cadastral Survey)

২.এসএ খতিয়ান । (State Acquisition Survey)

৩.আরএস খতিয়ান। (Revisional Survey)

৪.বিএস খতিয়ান/সিটি জরিপ। (City Survey)

ই-পর্চা অনলাইন আবেদন করার নিয়মঃ

অনলাইনে আবেদন করার জন্য আপনাকে যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে সেগুলে নিচের লেখাগুলো দেখে জেনে নিন। জমির সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন ও একান্ত জরুরী ।

ই-পর্চা খতিয়ানঃ

আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য জমি সংক্রান্ত কাগজ গুলোকে প্রতিটি লেজারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আলাদা পরি সংখ্যায় এতে কাজগুলো সহজ হয়। এই পদ্ধতিতে আপনারা এই পর্যায়ে খতিয়ান নাম্বার অবশ্যই জানতে পারবেন। অনলাইনে যে কোন খতিয়ান বের করার নিয়মঃ অনলাইনে যে কোন খতিয়ান পদ্ধতি গুলো জানতে নিচের লেখা গুলো লক্ষ দিন ও লিখে নিন।

প্রথমে, বিভাগ নির্বাচন:

আপনি কোন বিভাগে বাস করেন সেই বিভাগ নির্বাচন করতে হবে।

২য়, জেলা নির্বাচন:

আপনি যে জেলার ভোক্তাভুগি সেই জেলার নাম নির্বাচন করুন।

৩য়, উপজেলা নির্বাচন:

যেই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত আপনি সেই জেলার নাম নির্বাচন করুন।

৪র্থ, মৌজা নির্বাচন:

আপনার নিজ মৌজার নাম নির্বাচন করুন।

৫ম, খতিয়ান টাইপ নির্বাচন:

যে ধরনের খতিয়ান বের করতে চান সেই ধরণ নির্বাচন করুন।

৬ষ্ঠ, খতিয়ান নং:

যে জমির পর্চা বের করবেন তা নির্বাচন করুন।

৭ম, দাগ নাম্বার:

নিজ দাগ নম্বর জানা থাকলে নির্বাচন করুন।

৮ম, মালিকের নাম:

মালিকের নাম উল্লেখ থাকলে ম্যানশন করুন।

৯ম, পিতা /স্বামীর নাম:

উল্লেখ থাকলে দিতে পারেন।

সর্বশেষ-১০ম, ক্যাপচা কোড:

উপরে দেওয়া ক্যাপচা কোড টি সিলেক্ট করে অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করুন।

ই পর্চা খতিয়ান যাচাই ও খতিয়ান অনুসন্ধানঃ

আপনারা যারা এখন পর্যন্ত ই খতিয়ান যাচাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানেন না তারা নিচে পড়তে থাকুন। আপনাদের জন্য,আমি নিচে দিয়ে দিয়েছি কিভাবে আপনারা কোন প্রক্রিয়ায় খতিয়ান যাচাই ও খতিয়ান অনুসন্ধান করতে পারবেন। এখন আপনার ঘড়ে বসে, দ্রুত, কম সময়ে কম শ্রমে অনলাইনে অনুসন্ধান করে এই খতিয়ান যথাযথ খতিয়ান অনুসন্ধান করতে পারছেন।

প্রথম, • প্রথমে ভিজিট করুন

https://eporcha.gov.bd/khatian-search-panel

দ্বিতীয় • বিভাগ নির্বাচনঃ

আপনার নিজস্ব বিভাগ এখানে নির্বাচন করতে হবে।

তৃতীয় • জেলা নির্বাচনঃ

আপনি কোন জেলার অন্তর্ভুক্ত তা এখানে নির্বাচন করুন।

চতুর্থ • খাতিয়ান টাইপ নির্বাচনঃ

আপনি মুলত কোন ধরনের খতিয়ান বের করতে চান তা নির্বাচন করুন।

পঞ্চম • উপজেলা নির্বাচন করুনঃ

আপনি কোন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত তা এখানে নির্বাচন করুন।

ষষ্ঠ • মৌজা নির্বাচন করুনঃ

আপনার মৌজার নাম কি তা নির্বাচন করুন।

সপ্তম • খতিয়ান নংঃ

আপনি যে জমির খতিয়ামটি বের করতে তা এখানে সিলেক্ট করুন।

অষ্টম • দাগ নাম্বারঃ

যদি আপনার জমির দাগ নাম্বারটি থেকে থাকে তাহলে এখানে সিলেক্ট করুন।

নবম • মালিকানা নামঃ

মালিকানা নাম যদি থাকে তাহলে এখানে মেনশন করুন।

দশম • পিতা/স্বামীর নামঃ

পিতা/স্বামীর থাকলে তা এখানে নির্বাচন করুন।

শেষ এবং একাদশ • ক্যাপচা কোড লিখুনঃ

এখানে উল্লিখিত ক্যাপসা কোডটির অনুরুপ ফাঁকা জায়গাতে টাইপ করুন।

দাগ নাম্বার দিয়ে জমির/ ভূমির মালিকের নাম এখন আপনাররা শুধু দাগ নাম্বার দিয়েই জমির/ ভূমির মালিকানা সম্পর্কে জানতে পারেছেন। মালিকানা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সক্ষম করে এই দাগ নাম্বার বের করে নিতে পারবেন আপনি যদি কোন জমির দাগ মনে রাখতে না পরেন। সেজন্য আপনাদের আমার এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ ধর্য্য সহকারে পড়তে হবে।

ভূমি সেবায় যোগাযোগ বা হট লাইন নাম্বারঃ

ভূমি মন্ত্রণালয়ের শেষ তথ্য অনুযায়ী,এখন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনগণের সেবার জন্য যোগাযোগের জন্য একটি হট লাইন নাম্বার দিয়েছেন যা আপনি অনুসন্ধান করে বের করতে পারবেন যেকোনো জমির দাগ ও মালিকানা।ভূমি সেবা হট লাইন নাম্বারটি হচ্ছে ১৬১২৩।

ই-পর্চা ডাউনলোডঃ

আপনারা যারা দেশের বাইরে থেকে অনেকে ই-পর্চার সুবিধা থেকে বঞ্চিত মনে করেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। দেশে বাইরে থেকে এ পর্যায়ে ডাউনলোড করতে পারবেন। কেননা, এখন আপনি অনলাইনে যে কোন জায়গায় যে কোন স্থান থেকেই বিপর্য ডাউনলোড করতে পারছেন এই অনলাইন সেবা দান করী ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই সেবাটি। যেহেতু, বিশেষ করে এটি একটি অনলাইন সেবা সেক্ষেত্রে এর কোন বিকল্প নেই। আপনি খুব সহজেই ডাউনলোড করতে,

www.eporcha.gov.bd ওয়েবসাইটটি প্রদর্শন করে ওয়েবসাইটে লগইন করে নিতে পারেন। ই-পর্চা ও ডি আর আর সিস্টেম খতিয়ান থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করে যে তথ্য আপনি নিজে জমির মালিকানা যাচাই করতে সফল হবেন। তবে আইন আদালতে বিস্ময় কপির প্রয়োজন নেই আপনাকে অবশ্যই সার্টিফাইট নিতে হবে এবং এটি প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।