ঢাকা 7:08 pm, Saturday, 28 January 2023

কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ?

  • আপডেট সময় : 06:49:29 pm, Wednesday, 3 August 2022 259 বার পড়া হয়েছে

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ-কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের। ওষুধ বর্তমান বাংলাদেশ ঔষুধ শিল্পে প্রায় স্বয়ং সম্পুর্ন। বাংলাদেশে বর্তমান প্রায় প্রয়োজনীয় ওষুধের ৯৮ শতাংশ দেশেই তৈরি হচ্ছে। ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ গুলোর মধ্যে, স্বল্পোন্নত দেশের দিক থেকে বাংলাদেশ শীর্ষ এবং সবথেকে বড়। শুধু নেপাল, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কাই নয় বর্তমান বাংলাদেশ ১৬০ টি এর বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে আসছে। এটি সম্ভব হয়েছে উন্নত মানের প্রযুক্তি দ্বারা গুনগত মান ভালো করে মান সম্পূর্ণ ওষুধ তৈরি করার কারণে।

যা হোক আসল কথায় আশা যাক,

বিভিন্ন প্রকার বড় রোগ, যেমনঃ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, নিউরো, ব্রেইন, হার্ট সহ সকল বড় বড় সমস্যা বা রোগের ক্ষেত্রে, আমরা যা করি। তা হলে, কোন অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ভালো ডাক্তার এর কাছে যাই এবং সেই ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করি। কিন্তু, অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক এর জন্য আমরা তেমনটা কোন লক্ষ দেই না। কেউ অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক কি বুঝতেই পারি না, আবার কেউ বুঝেও সঠিক পথ অবলম্বন করি না। এতে করে আমাদের দৈনন্দিন যে পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে তা নিজেও বুঝতে পারি না। গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি হওয়ার প্রধান লক্ষণ হলোঃ বুক জ্বালাপোড়া করা। গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি হওয়ায়, এবং সঠিক চিকিৎসা না করায় যা হতে পারেঃ

১. বুক জ্বলা জ্বলা ভাব।

২. পেট ফাঁপা।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

৩. পেট ব্যাথা।

৪. পাতলা পায়খানা।

৫. খাদ্যে অরুচি

৬. ডিওডেনাল আলছার।

৭. বমি বা বমি বমি ভাব।

৮. হিরোসিভ ইসোফেগাইটিস।

৯. সিমটোমেটিক নন ইরোসিভ গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল।

১০. জার্ড জনিত দিন রাত ২৪ ঘন্টা বুক জ্বালাপোড়া। এখন প্রধান কথা হলোঃ কোন গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি এর ওষুধ ভলো….? এর আগে যেনে নেই, গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি এর কত প্রকার ওষুধ আছে….! প্রত্যেক টা ভালো ওষুধ তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান এর ১০ টি এর ও বেশি গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি ওষুধ আছে, যা সাধারণত ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সিরাপ এবং ইনজেকশন আকারে হয়ে থাকে। তার মধ্যে গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি এর বেশি চলিত ৬ টি ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুল এর জেনেটিক নাম নিয়ে আলোচনা করবো। কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ।

যে ৬ টি ট্যাবলট বা ক্যাপসুল এর জেনেটিক নাম নিয়ে আলোচনা করবো তা হলোঃ

১. ওমিপ্রাজল। ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। )

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

২. ইসোমিপ্রাজল। ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। )

৩. প্যানটোপ্রাজল। ( এটি ট্যাবলেট আকারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে )

৪. ডেক্সল্যানসোপ্রাজল। ( এটি ক্যাপসুল আকারে এবং এটি ৩০ মিলি গ্রাম ও ৬০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। )

৫. র ্যাবিপ্রাজল। ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ১০ মিলি গ্রাম ও ২০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। )

৬. ফ্যামোটিডিন। ( এটি ট্যাবলেট আাকরে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এখন, এগুলোর কাজ যেনে নেই। কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

১. ওমিপ্রাজল

( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

ডিওডেনাল আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

গ্যাস্ট্রিক আলছার এর জন্য ব্যাবহারিত।

প্যাথলোজিক্যালী অতিনিঃসরনের মতো উপসর্গের এর জন্য ব্যাবহারিত।

রিফ্লাক্স ইসোফেজাইটিস এর জন্য ব্যাবহারিত।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

ইসোফেজিয়াল আলসারেশন এর জন্য ব্যাবহারিত।

হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরী জাতীয় ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসায় এন্টিবায়োটিক এর সাথে ব্যাবহারিত।

২. ইসোমিপ্রাজল

( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস নিরাময় এর পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাবহারিত।

উপসর্গ যুক্ত ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস নিরাময় এর পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাবহারিত।

এন এস আইডি দ্বারা সৃষ্ট গ্যাস্ট্রিক আলসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য ব্যাবহারিত।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

ডিওডেনাল আলসার পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য এইচ. পাইলোরি দূর করতে ব্যাবহারিত।

জলিঞ্জার এলিসন সিনড্রোম এর জন্য ব্যাবহারিত।

ডিওডেনাল ও গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

এসিড দ্বারা সৃষ্ট ডিস্-পেপ্-সিয়ায়।

৩. প্যানটোপ্রাজল

( এটি ট্যাবলেট আকারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

পেপটিক আলসার ডিজিজ ( পি.ইউ. ডি. ) এর জন্য ব্যাবহারিত।

গ্যাস্ট্রোইসোফিজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ ( জি. ই. আর. ডি. ) এর জন্য ব্যাবহারিত।

নন- স্টেরয়েডাল এন্টি- ইনফ্লামেটরী ড্রাগ দ্বারা সৃষ্ট আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

আলছার চিকিৎসা যা এইচ২ রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্টের প্রতি সংবেদনশীল নয় এর জন্য ব্যাবহারিত।

হেলি কোব্যাক্টার পাইলোরি উৎপাটন এর ক্ষেত্রে ব্যাবহারিত। * জলিঞ্জার এলিসন সিনড্রোম এর জন্য ব্যাবহারিত।

এনেসথেরিয়া কালে এসিড এসপিরেশন সিনড্রোম প্রতিরোধ এর জন্য ব্যাবহারিত।

স্ট্রোস অথবা এসিড এসিড পেপটিক রোগ দ্বারা সৃষ্ট গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল রক্তপাত প্রতিরোধ এর জন্য ব্যাবহারিত।

৪. ডেক্সল্যানসোপ্রাজল

( এটি ক্যাপসুল আকারে এবং এটি ৩০ মিলি গ্রাম ও ৬০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

ইরোসিভ ইসোফেগাইটিস নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

সুস্থ হওয়া ইরোসিভ ইসোফেগাইটিস এর মেইনটেইনন্স এর জন্য ব্যাবহারিত। * হিরোসিভ ইসোফেগাইটিস নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

৫. র ্যাবিপ্রাজল

( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ১০ মিলি গ্রাম ও ২০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

ইরোসিভ বা আলসারেটিভ গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ ( জার্ড ) নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

ইরোসিভ বা আলসারেটিভ গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ ( জার্ড ) এর দীর্ঘকালীন নিয়ন্ত্রণ এর জন্য ব্যাবহারিত।

জার্ড জনিত দিবা ও রাত্রিকালীন বুক জ্বালাপোড়া ও অন্যান্য উপসর্গ নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি এসিড নিঃসরণ জনিত জঠিলতা, যেমনঃ জলিঞ্জার-ইলিসন চিকিৎসা এর জন্য ব্যাবহারিত।

ডিওডেনাল ও গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি দমনে এন্টিবায়োটিক ( ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ও এমোক্সিসিলিন ) এর সাথে ব্যাবহারিত।

৬. ফ্যামোটিডিন

( এটি ট্যাবলেট আাকরে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির কারণে সৃষ্ট হওয়া আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

ডিওডেনাল আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

জলিঞ্জার ইলিসন সিনড্রম এর জন্য ব্যাবহারিত।

তীব্র স্টেস আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির কারণে সৃষ্ট হওয়া পেপটিক আলসারের কারণে অন্ত্রের উপরের অংশ রক্তক্ষরণ এর জন্য ব্যাবহারিত।

এই ছয় ( ৬ ) টি বিষয়

নিয়ে আলোচনা করার পর অনেকেই অনেক প্রকার গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির কথা শুনলেন এবং বুঝতেও পারলেন। প্রত্যেকে এখন নিজের গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির ধারন জানার পর এবং প্রতেক ওষুধ বয়স ভেদে ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ( Side effects ) জেনে নিয়ে সঠিক গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি এর ওষুধ গ্রহন করবেন। প্রতিটি ওষুধ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, তাই জেনে বুঝে নিজ দ্বায়িত্বে বয়স ভেদে ওষুধ গ্রহন করবেন। ছয় ( ৬ ) টি জেনেটিক এর ওষুধ এর নামঃ

১. ওমিপ্রাজল ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ লোসেকটিল, সেকলো, জেলড্রিন, পি পি আই, ওমেপ, ওমিটিড, প্রাজল, ওমিনিক্স, প্রসেপটিন ইত্যাদি।

২. ইসোমিপ্রাজল ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ ইসোনিক্স, ইমেপ, ইমা, ইসোটিড, ওপটন, নেক্সাম, এক্সিয়াম, সারজেল, ম্যাক্সপ্রো,ইসোরাল ইত্যাদি।

৩. প্যানটোপ্রাজল ( এটি ট্যাবলেট আকারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ প্যান্টোনিক্স, প্যান্টোবেক্স, প্যানটিড, পি-গাড, প্যানটপ্রা, প্রোটন-পি ইত্যাদি।

৪. ডেক্সল্যানসোপ্রাজল ( এটি ক্যাপসুল আকারে এবং এটি ৩০ মিলি গ্রাম ও ৬০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ ডেক্সিলেন্ড, ডি ডি আর, ডেক্সল্যান, জ্যানরা, ল্যানসো-ডি ইত্যাদি।

৫. র ্যাবিপ্রাজল ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ১০ মিলি গ্রাম ও ২০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ র ্যাবিসেক,রেব,ফিনিক্স, র ্যাবেকা, রেবিপ্রল, এসিফিক্স, র ্যাবিফাস্ট ইত্যাদি।

৬. ফ্যামোটিডিন ( এটি ট্যাবলেট আাকরে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে ) যেমনঃ ফ্যামোট্যাক, ফ্যামোম্যাক্স, ফ্যামোজেন, ফ্যামেডিন, প্রোসিড, সেরভিপেপ, গ্যাসেক্স ইত্যাদি। কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

 ( বিঃদ্রঃ নিজ দ্বায়িত্বে,জেনে বুঝে ওষুধ খাবেন। অন্যথায় কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না। )

কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ?

আপডেট সময় : 06:49:29 pm, Wednesday, 3 August 2022

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ-কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের। ওষুধ বর্তমান বাংলাদেশ ঔষুধ শিল্পে প্রায় স্বয়ং সম্পুর্ন। বাংলাদেশে বর্তমান প্রায় প্রয়োজনীয় ওষুধের ৯৮ শতাংশ দেশেই তৈরি হচ্ছে। ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ গুলোর মধ্যে, স্বল্পোন্নত দেশের দিক থেকে বাংলাদেশ শীর্ষ এবং সবথেকে বড়। শুধু নেপাল, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কাই নয় বর্তমান বাংলাদেশ ১৬০ টি এর বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে আসছে। এটি সম্ভব হয়েছে উন্নত মানের প্রযুক্তি দ্বারা গুনগত মান ভালো করে মান সম্পূর্ণ ওষুধ তৈরি করার কারণে।

যা হোক আসল কথায় আশা যাক,

বিভিন্ন প্রকার বড় রোগ, যেমনঃ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, নিউরো, ব্রেইন, হার্ট সহ সকল বড় বড় সমস্যা বা রোগের ক্ষেত্রে, আমরা যা করি। তা হলে, কোন অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ভালো ডাক্তার এর কাছে যাই এবং সেই ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করি। কিন্তু, অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক এর জন্য আমরা তেমনটা কোন লক্ষ দেই না। কেউ অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক কি বুঝতেই পারি না, আবার কেউ বুঝেও সঠিক পথ অবলম্বন করি না। এতে করে আমাদের দৈনন্দিন যে পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে তা নিজেও বুঝতে পারি না। গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি হওয়ার প্রধান লক্ষণ হলোঃ বুক জ্বালাপোড়া করা। গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি হওয়ায়, এবং সঠিক চিকিৎসা না করায় যা হতে পারেঃ

১. বুক জ্বলা জ্বলা ভাব।

২. পেট ফাঁপা।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

৩. পেট ব্যাথা।

৪. পাতলা পায়খানা।

৫. খাদ্যে অরুচি

৬. ডিওডেনাল আলছার।

৭. বমি বা বমি বমি ভাব।

৮. হিরোসিভ ইসোফেগাইটিস।

৯. সিমটোমেটিক নন ইরোসিভ গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল।

১০. জার্ড জনিত দিন রাত ২৪ ঘন্টা বুক জ্বালাপোড়া। এখন প্রধান কথা হলোঃ কোন গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি এর ওষুধ ভলো….? এর আগে যেনে নেই, গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি এর কত প্রকার ওষুধ আছে….! প্রত্যেক টা ভালো ওষুধ তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান এর ১০ টি এর ও বেশি গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি ওষুধ আছে, যা সাধারণত ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সিরাপ এবং ইনজেকশন আকারে হয়ে থাকে। তার মধ্যে গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি এর বেশি চলিত ৬ টি ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুল এর জেনেটিক নাম নিয়ে আলোচনা করবো। কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ।

যে ৬ টি ট্যাবলট বা ক্যাপসুল এর জেনেটিক নাম নিয়ে আলোচনা করবো তা হলোঃ

১. ওমিপ্রাজল। ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। )

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

২. ইসোমিপ্রাজল। ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। )

৩. প্যানটোপ্রাজল। ( এটি ট্যাবলেট আকারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে )

৪. ডেক্সল্যানসোপ্রাজল। ( এটি ক্যাপসুল আকারে এবং এটি ৩০ মিলি গ্রাম ও ৬০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। )

৫. র ্যাবিপ্রাজল। ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ১০ মিলি গ্রাম ও ২০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। )

৬. ফ্যামোটিডিন। ( এটি ট্যাবলেট আাকরে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এখন, এগুলোর কাজ যেনে নেই। কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

১. ওমিপ্রাজল

( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

ডিওডেনাল আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

গ্যাস্ট্রিক আলছার এর জন্য ব্যাবহারিত।

প্যাথলোজিক্যালী অতিনিঃসরনের মতো উপসর্গের এর জন্য ব্যাবহারিত।

রিফ্লাক্স ইসোফেজাইটিস এর জন্য ব্যাবহারিত।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

ইসোফেজিয়াল আলসারেশন এর জন্য ব্যাবহারিত।

হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরী জাতীয় ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসায় এন্টিবায়োটিক এর সাথে ব্যাবহারিত।

২. ইসোমিপ্রাজল

( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস নিরাময় এর পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাবহারিত।

উপসর্গ যুক্ত ইরোসিভ ইসোফেজাইটিস নিরাময় এর পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাবহারিত।

এন এস আইডি দ্বারা সৃষ্ট গ্যাস্ট্রিক আলসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য ব্যাবহারিত।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

ডিওডেনাল আলসার পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য এইচ. পাইলোরি দূর করতে ব্যাবহারিত।

জলিঞ্জার এলিসন সিনড্রোম এর জন্য ব্যাবহারিত।

ডিওডেনাল ও গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

এসিড দ্বারা সৃষ্ট ডিস্-পেপ্-সিয়ায়।

৩. প্যানটোপ্রাজল

( এটি ট্যাবলেট আকারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

পেপটিক আলসার ডিজিজ ( পি.ইউ. ডি. ) এর জন্য ব্যাবহারিত।

গ্যাস্ট্রোইসোফিজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ ( জি. ই. আর. ডি. ) এর জন্য ব্যাবহারিত।

নন- স্টেরয়েডাল এন্টি- ইনফ্লামেটরী ড্রাগ দ্বারা সৃষ্ট আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

আলছার চিকিৎসা যা এইচ২ রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্টের প্রতি সংবেদনশীল নয় এর জন্য ব্যাবহারিত।

হেলি কোব্যাক্টার পাইলোরি উৎপাটন এর ক্ষেত্রে ব্যাবহারিত। * জলিঞ্জার এলিসন সিনড্রোম এর জন্য ব্যাবহারিত।

এনেসথেরিয়া কালে এসিড এসপিরেশন সিনড্রোম প্রতিরোধ এর জন্য ব্যাবহারিত।

স্ট্রোস অথবা এসিড এসিড পেপটিক রোগ দ্বারা সৃষ্ট গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল রক্তপাত প্রতিরোধ এর জন্য ব্যাবহারিত।

৪. ডেক্সল্যানসোপ্রাজল

( এটি ক্যাপসুল আকারে এবং এটি ৩০ মিলি গ্রাম ও ৬০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

ইরোসিভ ইসোফেগাইটিস নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

সুস্থ হওয়া ইরোসিভ ইসোফেগাইটিস এর মেইনটেইনন্স এর জন্য ব্যাবহারিত। * হিরোসিভ ইসোফেগাইটিস নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

৫. র ্যাবিপ্রাজল

( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ১০ মিলি গ্রাম ও ২০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

ইরোসিভ বা আলসারেটিভ গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ ( জার্ড ) নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

ইরোসিভ বা আলসারেটিভ গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ ( জার্ড ) এর দীর্ঘকালীন নিয়ন্ত্রণ এর জন্য ব্যাবহারিত।

জার্ড জনিত দিবা ও রাত্রিকালীন বুক জ্বালাপোড়া ও অন্যান্য উপসর্গ নিরাময় এর জন্য ব্যাবহারিত।

সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি এসিড নিঃসরণ জনিত জঠিলতা, যেমনঃ জলিঞ্জার-ইলিসন চিকিৎসা এর জন্য ব্যাবহারিত।

ডিওডেনাল ও গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি দমনে এন্টিবায়োটিক ( ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ও এমোক্সিসিলিন ) এর সাথে ব্যাবহারিত।

৬. ফ্যামোটিডিন

( এটি ট্যাবলেট আাকরে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) এর দিক নির্দেশনাঃ

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির কারণে সৃষ্ট হওয়া আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

ডিওডেনাল আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

জলিঞ্জার ইলিসন সিনড্রম এর জন্য ব্যাবহারিত।

তীব্র স্টেস আলসার এর জন্য ব্যাবহারিত।

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির কারণে সৃষ্ট হওয়া পেপটিক আলসারের কারণে অন্ত্রের উপরের অংশ রক্তক্ষরণ এর জন্য ব্যাবহারিত।

এই ছয় ( ৬ ) টি বিষয়

নিয়ে আলোচনা করার পর অনেকেই অনেক প্রকার গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির কথা শুনলেন এবং বুঝতেও পারলেন। প্রত্যেকে এখন নিজের গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির ধারন জানার পর এবং প্রতেক ওষুধ বয়স ভেদে ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ( Side effects ) জেনে নিয়ে সঠিক গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি এর ওষুধ গ্রহন করবেন। প্রতিটি ওষুধ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, তাই জেনে বুঝে নিজ দ্বায়িত্বে বয়স ভেদে ওষুধ গ্রহন করবেন। ছয় ( ৬ ) টি জেনেটিক এর ওষুধ এর নামঃ

১. ওমিপ্রাজল ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ লোসেকটিল, সেকলো, জেলড্রিন, পি পি আই, ওমেপ, ওমিটিড, প্রাজল, ওমিনিক্স, প্রসেপটিন ইত্যাদি।

২. ইসোমিপ্রাজল ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ ইসোনিক্স, ইমেপ, ইমা, ইসোটিড, ওপটন, নেক্সাম, এক্সিয়াম, সারজেল, ম্যাক্সপ্রো,ইসোরাল ইত্যাদি।

৩. প্যানটোপ্রাজল ( এটি ট্যাবলেট আকারে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ প্যান্টোনিক্স, প্যান্টোবেক্স, প্যানটিড, পি-গাড, প্যানটপ্রা, প্রোটন-পি ইত্যাদি।

৪. ডেক্সল্যানসোপ্রাজল ( এটি ক্যাপসুল আকারে এবং এটি ৩০ মিলি গ্রাম ও ৬০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ ডেক্সিলেন্ড, ডি ডি আর, ডেক্সল্যান, জ্যানরা, ল্যানসো-ডি ইত্যাদি।

৫. র ্যাবিপ্রাজল ( এটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল উভয় ই হতে পারে এবং এটি ১০ মিলি গ্রাম ও ২০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে। ) যেমনঃ র ্যাবিসেক,রেব,ফিনিক্স, র ্যাবেকা, রেবিপ্রল, এসিফিক্স, র ্যাবিফাস্ট ইত্যাদি।

৬. ফ্যামোটিডিন ( এটি ট্যাবলেট আাকরে এবং এটি ২০ মিলি গ্রাম ও ৪০ মিলি গ্রাম হয়ে থাকে ) যেমনঃ ফ্যামোট্যাক, ফ্যামোম্যাক্স, ফ্যামোজেন, ফ্যামেডিন, প্রোসিড, সেরভিপেপ, গ্যাসেক্স ইত্যাদি। কোনটি সবথেকে ভালো গ্যাসের ওষুধ

 ( বিঃদ্রঃ নিজ দ্বায়িত্বে,জেনে বুঝে ওষুধ খাবেন। অন্যথায় কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না। )