ঢাকা 11:25 am, Saturday, 4 February 2023

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

  • আপডেট সময় : 11:56:38 am, Monday, 26 September 2022 41 বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS-আজ আমরা জাবন, পৃথিবীর বাইরে অবস্থিত মনুষ্য নির্মিত বড় স্থাপনা নিয়ে। এই বড় স্থাপনার নাম হলো ” আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ( International Space Station সংক্ষেপে ISS)”।

সাহসী মানুষরা সবসময়

চেষ্টা করে নতুন কিছু আবিষ্কার করার। ঠিক তার ফলে মানুষ চিন্তা করে পৃথিবীর গন্ডি পেড়িয়ে যেতে। তার ফলে তারা আবিষ্কার করে রকেট। সেই রকেট নিয়ে যাত্রা হয় পৃথিবীর বাইরে কি আছে তা দেখার জন্য। রকেট নিয়ে মহাকাশে যেতে চাইলে দরকার ছিল মহাকাশে অবস্থিত কোন এক ঘাঁটির। কিন্তু মানুষ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সেই ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে। যা ISS নামে পরিচিত।

আইএসএস বা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন

হলো এক বিশেষ ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহ। যেখানে মানুষ বসবাস করতে পারে।
এটা হলো এক ওজন বিহীন পৃথিবী। এখানে মর্ধাকর্ষণ বল এতটাই কম যে, এখাবে শুধু ছোট ছোট জিনিস নয় বরং মানুষ সহ সকল এর সকল উপাদান ভেসে থাকতে পারে। এই জায়গায় উপর-নিচ,ডান-বাম বলে কিছু নেই।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

নেই কোন দিন – রাতের হিসেব। মানুষ নির্মিত এই যান অনবরত ছুটে চলেছে অন্ধকারকে দূর করতে।

এই আইএসএস তৈরির কাজ শুরু হয় এমন এক সময়, যখন কম্পিউটার ছিল বর্তমান স্মার্টফোন গুলোর থেকে কম ক্ষমতা সম্পন্ন।

১৮৬৯ সালে এভরট হেল

প্রথম নভোমণ্ডল স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। বিংশ শতাব্দীর দিকে “তিশোলকোভস্কি ও হারমান ওবের্থ” এই সম্পর্কিত আরো কিছু ধারণা যোগ করেন। ১৯২৯ সালে হার্মান পোটাকনিক তার বইতে সম্ভাব্য নভোমণ্ডল স্টেশন এর নকশা প্রনয়ণ করেন। এর পর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন কল্পনা থেকে বাস্তবে রুপ নিতে বহু সময় লেগেছে।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

১৯৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র একটা মহাকাশ প্রকল্প হাতে নেয়। যার নাম দেওয়া হয় “স্পেস স্টেশন ফ্রিডম”। যা তার মূল নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করা সম্ভব হয় নাই।

পরে অন্যান্য কয়েকটি দেশ তাদের গবেষণা তাদের প্রোয়জনীয় কর্মকান্ড চালানোর জন্য এর ব্যবহার শুরু করলে এর নাম রাখা হয়
” আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন “। এটি বহু ধাপে নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিকশিত করা হয়।এর পরেও এই স্টেশন নিয়তই পরিবর্তনশীল।

পৃথিবীতে বিভিন্ন খন্ডে এ স্টেশন নির্মাণ করে

মহাকাশে নিয়ে গিয়ে খণ্ডগুলোকে জোড়া দেওয়া হয়েছে। মহাকাশ স্টেশনের বিভিন্ন মডিউল তৈরি করা হয়েছে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার একাধিক দেশের সহায়তায়। পরে এই মডিউল গুলোকে পৃথিবী থেকে মহাকাশে পৌঁছে দিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৩ ধরনের রকেট।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

রকেট গুলা হলো আমেরিকার স্পেস সাটল, রাশিয়ান প্রোটন রকেট ও রাশিয়ার সুইচ রকেট।
এই রকেটগুলোর আবিষ্কার করা না হলে মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ সম্ভব হতো না ।
রকেটগুলা ব্যবহার করে নভোমণ্ডল এ ঘাঁটি বানাতে ১৩ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে।

এই স্টেশন নির্মাণের শুরুটা হয়েছিল আমেরিকান ও রাশিয়ান ২টি স্টেশনকে মহাকাশে সংযুক্ত করার মাধ্যমে।

দুটি দেশের

মডিউল বানানোর পদ্ধতি একি না হওয়ায় মহাকাশে মহাকাশে মডিউল গুলাকে একত্রে সংযুক্ত করা যাচ্ছিলো না। পরে এই দুই দেশের নভোমণ্ডল স্টেশন এর কামরা দুটিকে একত্রে সংযুক্ত করতে বানানো হয় এক বিশেষ ধরনের কনভার্টার। যার নাম হলো, “প্রেসারাইজড মেটিং এডাপ্টার”। যাকে সংক্ষেপে বলা হয় পিএমএ। ১৯৯৮ সালে প্রেসারাইজড মেটিং এডাপ্টার এর মাধ্যমে মহাকাশ স্টেশন এর মডিউল দুটি জোড়া দেওয়া হয়। কিন্তু তখনো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নভোচারীদের বসবাসের উপযোগী ছিল না।মহাকাশ স্টেশনএ ৬ জন নভোচারী অবস্থান করতে পারে।

নভোচারীদের উদ্দেশ্য হল

এমন সব পরিক্ষা করা যা শুধু মহাশুণ্যই করা সম্ভব।
মহাকাশ স্টেশনে একজন নভোচারী মাত্র ৬ মাস অবস্থান করতে পারে। মাঝে মাঝে কোন নভোচারীকে বছর থাকতে হয়। দীর্ঘ সময় পৃথিবী থেকে বাইরে থাকায় ফলে মানবদেহে কি ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে তাদের উপর সেই পরিক্ষা করা হয়।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন এর দৈর্ঘ্য একটা ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এবং ভিতরের পরিসর ৬ রুমের একটা বাসার সমান।

বর্তমানে ১৫ টি দেশ

নভোমণ্ডল স্টেশনে তাদের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, রাশিয়া, জাপান এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির অধীনে থাকা ১১টি দেশ। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS
এবার জেনে নেই ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির দেশগুলো কারা। এর মধ্যে যুক্তরাজ্য, জার্মানি ফ্রান্স, স্পেন, নরওয়ে, সুইডেন, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস বেলজিয়াম ও ডেনমার্ক। বিভিন্ন দেশের দক্ষ গবেষকদের সম্মিলিত গবেষণার কারণে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন একটি আন্তর্জাতিক গবেষণাগারে পরিণত হয়েছে। তিন দশকের বেশি সময়ে প্রায় সাড়ে ৩০০ জনের বেশি নভোচারী এই মহাকাশ স্টেশনে কাজ করেছে।

অতীতে মহাকাশ স্টেশন থেকে ফেরার সময় ৩টি দূর্ঘটনার ১৪ জন নভোচারী প্রাণ হারায়।
এই দূর্ঘটনা ২টি আমাদের জানিয়ে দেয় যে, সকল প্রকার পূর্বপ্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি মহাকাশ ভ্রমণে রয়েছে সম্ভাব্য ঝুঁকি।
মহাকাশে করা বিভিন্ন পরিক্ষা মানুষের ধারণা ও জ্ঞানকে অনেক বিকশিত করেছে।

ভবিষ্যতে মহাকাশ নিয়ে

আরো জানতে মহাকাশের গভীরে যেতে যে সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হবে, তা নিয়েও কাজ করছেন মহাকাশ স্টেশনে থাকা মানুষগুলো।

ISS তুলনামূলক

পৃথিবীর খুব কাছ থেকেই প্রদক্ষিণ করে। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে ISS পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকে পরে। যদি কোন ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে মহাকাশ স্টেশন একসময় পৃথিবীতে আছড়ে পরবে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর বিশেষ পদ্ধতিতে স্পেস স্টেশনকে ঠেলে উপরের দিকে পাঠানো হয়। যাতে করে ISS তার নিজের কক্ষপথে ঘুরতে পারে।
স্পেস স্টেশন নির্মাণ হলো মানুষের এক অবিস্মরণীয় অর্জন।

আর এই অর্জন এর সুত্রপাত হয়েছিল উড়োজাহাজ আবিষ্কার করার মধ্যে দিয়ে।
উড়োজাহাজ আবিষ্কারের ইতিহাস এর মূলত এক তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার গল্প। আর এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার একপ্রান্তে ছিলেন উড়োজাহাজ।

See More>>>

হারানো এমএইচ ৩৭০ বিমান

ট্যাগস :

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

আপডেট সময় : 11:56:38 am, Monday, 26 September 2022

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS-আজ আমরা জাবন, পৃথিবীর বাইরে অবস্থিত মনুষ্য নির্মিত বড় স্থাপনা নিয়ে। এই বড় স্থাপনার নাম হলো ” আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ( International Space Station সংক্ষেপে ISS)”।

সাহসী মানুষরা সবসময়

চেষ্টা করে নতুন কিছু আবিষ্কার করার। ঠিক তার ফলে মানুষ চিন্তা করে পৃথিবীর গন্ডি পেড়িয়ে যেতে। তার ফলে তারা আবিষ্কার করে রকেট। সেই রকেট নিয়ে যাত্রা হয় পৃথিবীর বাইরে কি আছে তা দেখার জন্য। রকেট নিয়ে মহাকাশে যেতে চাইলে দরকার ছিল মহাকাশে অবস্থিত কোন এক ঘাঁটির। কিন্তু মানুষ বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সেই ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে। যা ISS নামে পরিচিত।

আইএসএস বা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন

হলো এক বিশেষ ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহ। যেখানে মানুষ বসবাস করতে পারে।
এটা হলো এক ওজন বিহীন পৃথিবী। এখানে মর্ধাকর্ষণ বল এতটাই কম যে, এখাবে শুধু ছোট ছোট জিনিস নয় বরং মানুষ সহ সকল এর সকল উপাদান ভেসে থাকতে পারে। এই জায়গায় উপর-নিচ,ডান-বাম বলে কিছু নেই।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

নেই কোন দিন – রাতের হিসেব। মানুষ নির্মিত এই যান অনবরত ছুটে চলেছে অন্ধকারকে দূর করতে।

এই আইএসএস তৈরির কাজ শুরু হয় এমন এক সময়, যখন কম্পিউটার ছিল বর্তমান স্মার্টফোন গুলোর থেকে কম ক্ষমতা সম্পন্ন।

১৮৬৯ সালে এভরট হেল

প্রথম নভোমণ্ডল স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। বিংশ শতাব্দীর দিকে “তিশোলকোভস্কি ও হারমান ওবের্থ” এই সম্পর্কিত আরো কিছু ধারণা যোগ করেন। ১৯২৯ সালে হার্মান পোটাকনিক তার বইতে সম্ভাব্য নভোমণ্ডল স্টেশন এর নকশা প্রনয়ণ করেন। এর পর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন কল্পনা থেকে বাস্তবে রুপ নিতে বহু সময় লেগেছে।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

১৯৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র একটা মহাকাশ প্রকল্প হাতে নেয়। যার নাম দেওয়া হয় “স্পেস স্টেশন ফ্রিডম”। যা তার মূল নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করা সম্ভব হয় নাই।

পরে অন্যান্য কয়েকটি দেশ তাদের গবেষণা তাদের প্রোয়জনীয় কর্মকান্ড চালানোর জন্য এর ব্যবহার শুরু করলে এর নাম রাখা হয়
” আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন “। এটি বহু ধাপে নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিকশিত করা হয়।এর পরেও এই স্টেশন নিয়তই পরিবর্তনশীল।

পৃথিবীতে বিভিন্ন খন্ডে এ স্টেশন নির্মাণ করে

মহাকাশে নিয়ে গিয়ে খণ্ডগুলোকে জোড়া দেওয়া হয়েছে। মহাকাশ স্টেশনের বিভিন্ন মডিউল তৈরি করা হয়েছে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার একাধিক দেশের সহায়তায়। পরে এই মডিউল গুলোকে পৃথিবী থেকে মহাকাশে পৌঁছে দিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৩ ধরনের রকেট।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

রকেট গুলা হলো আমেরিকার স্পেস সাটল, রাশিয়ান প্রোটন রকেট ও রাশিয়ার সুইচ রকেট।
এই রকেটগুলোর আবিষ্কার করা না হলে মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ সম্ভব হতো না ।
রকেটগুলা ব্যবহার করে নভোমণ্ডল এ ঘাঁটি বানাতে ১৩ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে।

এই স্টেশন নির্মাণের শুরুটা হয়েছিল আমেরিকান ও রাশিয়ান ২টি স্টেশনকে মহাকাশে সংযুক্ত করার মাধ্যমে।

দুটি দেশের

মডিউল বানানোর পদ্ধতি একি না হওয়ায় মহাকাশে মহাকাশে মডিউল গুলাকে একত্রে সংযুক্ত করা যাচ্ছিলো না। পরে এই দুই দেশের নভোমণ্ডল স্টেশন এর কামরা দুটিকে একত্রে সংযুক্ত করতে বানানো হয় এক বিশেষ ধরনের কনভার্টার। যার নাম হলো, “প্রেসারাইজড মেটিং এডাপ্টার”। যাকে সংক্ষেপে বলা হয় পিএমএ। ১৯৯৮ সালে প্রেসারাইজড মেটিং এডাপ্টার এর মাধ্যমে মহাকাশ স্টেশন এর মডিউল দুটি জোড়া দেওয়া হয়। কিন্তু তখনো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নভোচারীদের বসবাসের উপযোগী ছিল না।মহাকাশ স্টেশনএ ৬ জন নভোচারী অবস্থান করতে পারে।

নভোচারীদের উদ্দেশ্য হল

এমন সব পরিক্ষা করা যা শুধু মহাশুণ্যই করা সম্ভব।
মহাকাশ স্টেশনে একজন নভোচারী মাত্র ৬ মাস অবস্থান করতে পারে। মাঝে মাঝে কোন নভোচারীকে বছর থাকতে হয়। দীর্ঘ সময় পৃথিবী থেকে বাইরে থাকায় ফলে মানবদেহে কি ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে তাদের উপর সেই পরিক্ষা করা হয়।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন এর দৈর্ঘ্য একটা ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এবং ভিতরের পরিসর ৬ রুমের একটা বাসার সমান।

বর্তমানে ১৫ টি দেশ

নভোমণ্ডল স্টেশনে তাদের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, রাশিয়া, জাপান এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির অধীনে থাকা ১১টি দেশ। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ISS
এবার জেনে নেই ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির দেশগুলো কারা। এর মধ্যে যুক্তরাজ্য, জার্মানি ফ্রান্স, স্পেন, নরওয়ে, সুইডেন, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস বেলজিয়াম ও ডেনমার্ক। বিভিন্ন দেশের দক্ষ গবেষকদের সম্মিলিত গবেষণার কারণে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন একটি আন্তর্জাতিক গবেষণাগারে পরিণত হয়েছে। তিন দশকের বেশি সময়ে প্রায় সাড়ে ৩০০ জনের বেশি নভোচারী এই মহাকাশ স্টেশনে কাজ করেছে।

অতীতে মহাকাশ স্টেশন থেকে ফেরার সময় ৩টি দূর্ঘটনার ১৪ জন নভোচারী প্রাণ হারায়।
এই দূর্ঘটনা ২টি আমাদের জানিয়ে দেয় যে, সকল প্রকার পূর্বপ্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি মহাকাশ ভ্রমণে রয়েছে সম্ভাব্য ঝুঁকি।
মহাকাশে করা বিভিন্ন পরিক্ষা মানুষের ধারণা ও জ্ঞানকে অনেক বিকশিত করেছে।

ভবিষ্যতে মহাকাশ নিয়ে

আরো জানতে মহাকাশের গভীরে যেতে যে সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হবে, তা নিয়েও কাজ করছেন মহাকাশ স্টেশনে থাকা মানুষগুলো।

ISS তুলনামূলক

পৃথিবীর খুব কাছ থেকেই প্রদক্ষিণ করে। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে ISS পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকে পরে। যদি কোন ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে মহাকাশ স্টেশন একসময় পৃথিবীতে আছড়ে পরবে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর বিশেষ পদ্ধতিতে স্পেস স্টেশনকে ঠেলে উপরের দিকে পাঠানো হয়। যাতে করে ISS তার নিজের কক্ষপথে ঘুরতে পারে।
স্পেস স্টেশন নির্মাণ হলো মানুষের এক অবিস্মরণীয় অর্জন।

আর এই অর্জন এর সুত্রপাত হয়েছিল উড়োজাহাজ আবিষ্কার করার মধ্যে দিয়ে।
উড়োজাহাজ আবিষ্কারের ইতিহাস এর মূলত এক তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার গল্প। আর এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার একপ্রান্তে ছিলেন উড়োজাহাজ।

See More>>>

হারানো এমএইচ ৩৭০ বিমান