ঢাকা 12:06 pm, Saturday, 4 February 2023

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

  • আপডেট সময় : 11:50:32 pm, Monday, 19 September 2022 50 বার পড়া হয়েছে

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু-প্রযুক্তি দিয়ে পুরো পৃথিবীতে রাজত্ব করছে চীন। সেই চীন এখন পৃথিবীর গন্ডি পেরিয়ে মহাকাশেও আধিপত্য বিস্তারে নানান পরিকল্পনা করছে বেইজিং। এর মধ্যে দেশটি মহাকাশ স্টেশন তৈরি করে চলছে।চাঁদ ও মহাকাশ নিয়ে চীনের যে উচ্চাকাঙ্খা তা নিয়ে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার প্রধান দাবি করছেন, সামরিক মহাকাশ অভিযানের অংশ হিসাবে চীন একসময় পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদ দখল করবে।
কিন্তু চায়নার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নাসা প্রধানের এমন মন্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অবিহিত করে তা অস্বীকার করেছেন।। – চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু –

মহাকাশে চীনের অভিযান ও চাঁদ দখল কতটা বাস্তব তা জানব আজ।

চাঁদের দখলঃ

চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে চাঁদে তাদের নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে।কিন্তু এই ব্যাপারে বরাবরই আগে থেকেই এক ধাপ এগিয়ে রয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

নাসা প্রধানের দাবি, চাঁদ দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে চায়না। তিনি আরও অভিযোগ করেন চাঁদ দখলের জন্য চায়না নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, চীনের মহাকাশ নিয়ে যে লক্ষ্য তা নিয়ে তারা বেশ শংকিত। তাছাড়া চায়না অন্যদের কাছ থেকে নানান প্রযুক্তি চুরি করেছে বলেও জানান তিনি।
নাসা প্রধান বলে, চী্নারা চাঁদে অবতরন করছে, চাঁদ এখন তাদের দখলে। বেইজিং চায় অন্যরা যেন বাইরে থাকে আর এই নিয়েই ঘোর আপত্তি নাসার।

মহাকাশের পরাশক্তিঃ

মহাকাশের পরাশক্তি হয়ে ওঠার দৌড়ে রীতিমতো যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় নেমেছে চায়না এর অংশ হিসাবে মহাকাশ নিয়ে নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া শুরু করেছে। এমন কি এই কর্মসূচি আগের চেয়ে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এই কর্মসূচির মধ্যে চীন তাদের ১ম স্যাটেলাইট পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠায় ১৯৭০ সালে।। গত দশকে চীন ২০০ টির বেশি রকেট উৎক্ষেপন করেছে। মহাকাশ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনে চীন পৃথিবীর ৩য় দেশ। তারা মহাকাশে নভোচারী পাঠিয়েছে এবং একইসাথে স্পেশ স্টেশন তৈরি করছে।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

এর আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র একই উদ্দ্যেগ নিলেও এক্ষেত্রে চীনাদের পরিকল্পনা খুবই উচ্চাকাঙ্খী। যার অংশ হিসাবে চীন তাদের স্পেশ স্টেশন এর প্রথম মডিউল কক্ষপথে স্থাপন করেছে। যার বাংলা নাম ” স্বর্গের প্রাসাদ”। আগামি বছর চীনারা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি টেলিস্কোপ পাঠাবে। এটি কক্ষপথের কেন্দ্রের আশেপাশে ঘুরবে, কক্ষপথ দেখাশোনা ও জ্বালানি সরবরাহের কাজ করবে। যার থাকবে নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা । এতে থাকবে জীবন রক্ষাকারী জিনিসপত্র ও থাকার ঘর।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

বর্তমানে মহাকাশে আইএসএস (ISS = International Space Station) ব্যবহার করতে না দেওয়ার কারণে চাঁদ দখলে মরিয়া হয়েছে বেইজিং।

মহাকাশে সামরিক অভিযানঃ

রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চীনা মহাকাশ এ তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় বলে মনে করে পশ্চিমারা। তাদের যুক্তি চীনের অনেক স্যাটেলাইট সামরিক কাজে ব্যবহার করা হয়। এইসব স্যাটেলাইট ব্যবহার করে শত্রু দেশগুলোর উপর নজরদারি করা যায়। এমনি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের গতিপথ নির্দেশ করতেও সাহায্য করে।সেই কারণে মহাকাশে সামরিক অভিযান জোরদার করছে বেইজিং।

মহাকাশ পরিকল্পনা ২০৩০ঃ

চায়নার লক্ষ্য ২০৩০ সালের দিকে তারা চাঁদে তারা নভোচারী পাঠাবে, নমুনা সংগ্রহ ও গবেষণার জন্য অনুসন্ধানী মহাকাশযান পাঠাবে মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহে। এর মধ্যে মহাকাশে মানববিহীন মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে। যেটি এর পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিতে চাঁদের বুকে আমেরিকার পতাকার চেয়ে বড় আকারের চীনা পতাকা স্থাপন করেছে বেইজিং।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

অনেকের মতে চীনের চাঁদের প্রতি এতো আগ্রহ থাকার বড় কারণ হলো এর পৃষ্ঠে থাকা বিরল ধাতু আহরণ করা৷ অনেকের মতে চীনা অর্জন দেখিয়ে নিজেকে প্রদর্শন করতে চায়। ক্ষমতা প্রদর্শন ও৷ প্রযুক্তির অগ্রধারাকে তুলে ধরাই হলো চীনের লক্ষ্য৷।

চাঁদের পৃষ্ঠে থাকা বিরল ধাতুঃ

পৃথিবীতে যেসব জ্বালানি আছে তা খুব শিগগিরই ফুরিয়ে যাবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, খনিজ তেলের মজুদ আগামী ৫০ বছর, প্রাকৃত্রিক তেলের মজুদ ৫৩ বছর এবং কয়লার মজুদ ১১৪ বছর পর সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যাবে। এই সমস্যার এক বিকল্প উপায় আছে। তা হল চাঁদের মাটির এক ধাতু ।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

মহামূল্যবান এই পদার্থের নাম ” হিলিয়াম – 3″।সেই হিলিয়াম – 3 দিয়ে এতো পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে যে, পৃথিবী ১০ হাজার বছর চলতে পারবে।এই হিলিয়াম- 3 এর খোজেই বিভিন্ন দেশ চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তামাবে পারমাণবিক চুল্লীতে ইউরেনিয়াম 235 কে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হয়৷ যা বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবার সাথে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পরে। আবার উৎপাদিত বর্জ্য পদার্থ বিশেষ নিরাপত্তার সাথে মাটিতে সংরক্ষণ করা হয়। সাধারণত যে পদ্ধতিতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় তা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

কিন্তু হিলিয়াম – 3 ব্যবহার করায় এ সমস্যা অনেক কমে যায়।।আবার চাঁদের দিকে যাওয়া যাক। হিলিয়াম – 3 পৃথিবীতে খুবই দূর্লভ। প্রাকৃতিক হিলিয়াম – 3 এর প্রধান উৎস হল সূর্য। সৌর বায়ুর মাধ্যমে হিলিয়াম – 3 মহাকাশে ছড়িয়ে পরে। পৃথিবীর বায়ুমন্ডল এই একে পৃথিবীতে আসতে দেয় না কিন্তু চাঁদের বায়ুমন্ডল না থাকায় তা সরাসরি চাঁদের মাটিতে জমা হয়। ধারণা করা হয় চাঁদের মাটিতে প্রায় ১২মেট্রিক টন হিলিয়াম- 3 রয়েছে। তার জন্যেই চীন চাঁদ দখলের নেশায় মেতে উঠেছে চীন সহ অন্যান্য দেশ।

See more >>>

ই-সিম কী, সুবিধা ও অসুবিধা

ট্যাগস :

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

আপডেট সময় : 11:50:32 pm, Monday, 19 September 2022

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু-প্রযুক্তি দিয়ে পুরো পৃথিবীতে রাজত্ব করছে চীন। সেই চীন এখন পৃথিবীর গন্ডি পেরিয়ে মহাকাশেও আধিপত্য বিস্তারে নানান পরিকল্পনা করছে বেইজিং। এর মধ্যে দেশটি মহাকাশ স্টেশন তৈরি করে চলছে।চাঁদ ও মহাকাশ নিয়ে চীনের যে উচ্চাকাঙ্খা তা নিয়ে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার প্রধান দাবি করছেন, সামরিক মহাকাশ অভিযানের অংশ হিসাবে চীন একসময় পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদ দখল করবে।
কিন্তু চায়নার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নাসা প্রধানের এমন মন্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে অবিহিত করে তা অস্বীকার করেছেন।। – চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু –

মহাকাশে চীনের অভিযান ও চাঁদ দখল কতটা বাস্তব তা জানব আজ।

চাঁদের দখলঃ

চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে চাঁদে তাদের নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে।কিন্তু এই ব্যাপারে বরাবরই আগে থেকেই এক ধাপ এগিয়ে রয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

নাসা প্রধানের দাবি, চাঁদ দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে চায়না। তিনি আরও অভিযোগ করেন চাঁদ দখলের জন্য চায়না নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, চীনের মহাকাশ নিয়ে যে লক্ষ্য তা নিয়ে তারা বেশ শংকিত। তাছাড়া চায়না অন্যদের কাছ থেকে নানান প্রযুক্তি চুরি করেছে বলেও জানান তিনি।
নাসা প্রধান বলে, চী্নারা চাঁদে অবতরন করছে, চাঁদ এখন তাদের দখলে। বেইজিং চায় অন্যরা যেন বাইরে থাকে আর এই নিয়েই ঘোর আপত্তি নাসার।

মহাকাশের পরাশক্তিঃ

মহাকাশের পরাশক্তি হয়ে ওঠার দৌড়ে রীতিমতো যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় নেমেছে চায়না এর অংশ হিসাবে মহাকাশ নিয়ে নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া শুরু করেছে। এমন কি এই কর্মসূচি আগের চেয়ে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এই কর্মসূচির মধ্যে চীন তাদের ১ম স্যাটেলাইট পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠায় ১৯৭০ সালে।। গত দশকে চীন ২০০ টির বেশি রকেট উৎক্ষেপন করেছে। মহাকাশ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনে চীন পৃথিবীর ৩য় দেশ। তারা মহাকাশে নভোচারী পাঠিয়েছে এবং একইসাথে স্পেশ স্টেশন তৈরি করছে।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

এর আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র একই উদ্দ্যেগ নিলেও এক্ষেত্রে চীনাদের পরিকল্পনা খুবই উচ্চাকাঙ্খী। যার অংশ হিসাবে চীন তাদের স্পেশ স্টেশন এর প্রথম মডিউল কক্ষপথে স্থাপন করেছে। যার বাংলা নাম ” স্বর্গের প্রাসাদ”। আগামি বছর চীনারা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি টেলিস্কোপ পাঠাবে। এটি কক্ষপথের কেন্দ্রের আশেপাশে ঘুরবে, কক্ষপথ দেখাশোনা ও জ্বালানি সরবরাহের কাজ করবে। যার থাকবে নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা । এতে থাকবে জীবন রক্ষাকারী জিনিসপত্র ও থাকার ঘর।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

বর্তমানে মহাকাশে আইএসএস (ISS = International Space Station) ব্যবহার করতে না দেওয়ার কারণে চাঁদ দখলে মরিয়া হয়েছে বেইজিং।

মহাকাশে সামরিক অভিযানঃ

রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য চীনা মহাকাশ এ তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় বলে মনে করে পশ্চিমারা। তাদের যুক্তি চীনের অনেক স্যাটেলাইট সামরিক কাজে ব্যবহার করা হয়। এইসব স্যাটেলাইট ব্যবহার করে শত্রু দেশগুলোর উপর নজরদারি করা যায়। এমনি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের গতিপথ নির্দেশ করতেও সাহায্য করে।সেই কারণে মহাকাশে সামরিক অভিযান জোরদার করছে বেইজিং।

মহাকাশ পরিকল্পনা ২০৩০ঃ

চায়নার লক্ষ্য ২০৩০ সালের দিকে তারা চাঁদে তারা নভোচারী পাঠাবে, নমুনা সংগ্রহ ও গবেষণার জন্য অনুসন্ধানী মহাকাশযান পাঠাবে মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহে। এর মধ্যে মহাকাশে মানববিহীন মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে। যেটি এর পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিতে চাঁদের বুকে আমেরিকার পতাকার চেয়ে বড় আকারের চীনা পতাকা স্থাপন করেছে বেইজিং।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

অনেকের মতে চীনের চাঁদের প্রতি এতো আগ্রহ থাকার বড় কারণ হলো এর পৃষ্ঠে থাকা বিরল ধাতু আহরণ করা৷ অনেকের মতে চীনা অর্জন দেখিয়ে নিজেকে প্রদর্শন করতে চায়। ক্ষমতা প্রদর্শন ও৷ প্রযুক্তির অগ্রধারাকে তুলে ধরাই হলো চীনের লক্ষ্য৷।

চাঁদের পৃষ্ঠে থাকা বিরল ধাতুঃ

পৃথিবীতে যেসব জ্বালানি আছে তা খুব শিগগিরই ফুরিয়ে যাবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, খনিজ তেলের মজুদ আগামী ৫০ বছর, প্রাকৃত্রিক তেলের মজুদ ৫৩ বছর এবং কয়লার মজুদ ১১৪ বছর পর সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যাবে। এই সমস্যার এক বিকল্প উপায় আছে। তা হল চাঁদের মাটির এক ধাতু ।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

মহামূল্যবান এই পদার্থের নাম ” হিলিয়াম – 3″।সেই হিলিয়াম – 3 দিয়ে এতো পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে যে, পৃথিবী ১০ হাজার বছর চলতে পারবে।এই হিলিয়াম- 3 এর খোজেই বিভিন্ন দেশ চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তামাবে পারমাণবিক চুল্লীতে ইউরেনিয়াম 235 কে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হয়৷ যা বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবার সাথে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পরে। আবার উৎপাদিত বর্জ্য পদার্থ বিশেষ নিরাপত্তার সাথে মাটিতে সংরক্ষণ করা হয়। সাধারণত যে পদ্ধতিতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় তা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

চাঁদের মাটিতে বিরল ধাতু

কিন্তু হিলিয়াম – 3 ব্যবহার করায় এ সমস্যা অনেক কমে যায়।।আবার চাঁদের দিকে যাওয়া যাক। হিলিয়াম – 3 পৃথিবীতে খুবই দূর্লভ। প্রাকৃতিক হিলিয়াম – 3 এর প্রধান উৎস হল সূর্য। সৌর বায়ুর মাধ্যমে হিলিয়াম – 3 মহাকাশে ছড়িয়ে পরে। পৃথিবীর বায়ুমন্ডল এই একে পৃথিবীতে আসতে দেয় না কিন্তু চাঁদের বায়ুমন্ডল না থাকায় তা সরাসরি চাঁদের মাটিতে জমা হয়। ধারণা করা হয় চাঁদের মাটিতে প্রায় ১২মেট্রিক টন হিলিয়াম- 3 রয়েছে। তার জন্যেই চীন চাঁদ দখলের নেশায় মেতে উঠেছে চীন সহ অন্যান্য দেশ।

See more >>>

ই-সিম কী, সুবিধা ও অসুবিধা