ঢাকা 12:28 pm, Saturday, 4 February 2023

ই-সিম কী, সুবিধা ও অসুবিধা

  • আপডেট সময় : 10:49:06 am, Sunday, 18 September 2022 41 বার পড়া হয়েছে

ইলেক ট্রনিক সিম কী-শুনতে কেমন লাগবে যদি বলি আপনার হাতের ফোনটি চালাতে এখন আর কোন সিমের প্রয়োজন পরবে না।। অর্থাৎ কোন প্রকার সিম ছাড়াই চলবে ফোনের নেটওয়ার্ক। চমকে যাবার মতো কথা হলেও বর্তমানে এটাই সত্যি। ইতিমধ্যেই ফিজিক্যাল সিম বিহীন ফোন✆ ব্যবহার করতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। এই সিম বিহীন প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ই-সিম। ই-সিম বা ESIM মানে হলো Embedded Subscriber Identify Module. বিভিন্ন দেশের মতোও বাংলাদেশেও চালু হয়েছে E-Sim সেবা। ইলেক ট্রনিক সিম কী

আজ এই পোস্টে জানার চেষ্টা করব ই-সিম কী , কিভাবে কাজ করে, এর সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে। তাহলে আর বেশি কথা না বলে শুরু করি৷।

ই-সিম কী:

আমরা যখন কোন মোবাইল কেনার দোকান থেকে মোবাইল কিনে নেই তখন তার সাথে যেকোনো নেটওয়ার্ক অপারেটর এর একটা সিম কিনে থাকি। যে সিম ব্যবহার করে আমারা একে অপরের সাথে ফোনে কথা বলা থেকে, ম্যাসেজ করা, এমন কি ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিশ্বের সকল খবর জানতে পারি। আমরা যে SIM ব্যবহার করি তার পূর্ণরূপ হল Subscriber Identify Module ।

ইলেক ট্রনিক সিম কী

মানে যে মডিউলটি আপনার পরিচয় বহন করে। সহজভাবে বলতে গেলে এই মডিউল এর কারণে আপনি কাউকে ফোন বা ম্যাসেজ করলে ফোন বা ম্যাসেজ প্রাপক আপনাকে শনাক্ত করতে পারেন। অপর দিকে ই-সিম হলো Embedded Subscriber Identify Module. যা ফোনে এমবেড করা থাকে বা সংযুক্ত করা থাকে। আপনি একটা ই-সিম কিনলে তা কিন্তু আগের প্রচলিত প্রথার মতোই কাজ করবে। আপনি এই সিম ব্যবহার করেও ফোন বা ম্যাসেজ করতে পারবেন। কিন্তু এই সিম আপনাকে ফোনে রাখতে হবে না।

ইলেক ট্রনিক সিম কী

এটি টেলিকম কোম্পানির মাধ্যমে সক্রিয় থাকে। এই সিম হলো ফোনে ইন্সটল করা ভার্চুয়াল সিম। তার জন্যেই ফোনে আর আলাদা করে সিম লাগাতে হয় না। সাধারণ সিম প্লাস্টিকের ও অন্যান্য উপাদানের তৈরি একটা পদার্থ। অপর দিকে Embedded Subscriber Identify Module হলো ফোনের অ্যাপের মতো। যা স্মার্টফোনে Qr Code scan করে এক্টিভেট করে ব্যবহার করতে হয়।
ই-সিম কী তা জানা হলো এবার জেনে আসি এই সিমের কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে।

সিমের সুবিধাঃ

এই সিম ফোনের অ্যাপের মতো করে Install করা যায় তাই ফোনের কিছু জায়গা থেকে যায়। ই-সিমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এই সিমের কোম্পানি মালিকানা পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে সিম পরিবর্তন করতে হবে না। নাম্বার ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তন করলেই হবে। একইসাথে একাধিক নাম্বারও ব্যবহার করতে পারবেন। যদিও তার জন্য আপনাকে আর আলাদা করে সিম ক্রয় করতে হবে না।

ইলেক ট্রনিক সিম কী

এমনকি ফোন ভিজে গেলেও এই সিম এর সমস্যা হবার কোন সুযোগ নেই।। যেহেতু এই সিম বারবার খোলার ঝামেলা নেই তাই নষ্ট হবে না। অন্য কোন দেশে যেতে চাইলে প্রথমে যে সমস্যা হয় তা হলো নতুন সিম কেনা যা ওই দেশের হতে হয়। এক্ষেত্রে আপনি ই-সিম নিয়ে যেকোনো দেশে বিনা বাধায় যেতে পারেন।। এই ব্যবহার করতে পারবেন অন্য দেশে গিয়েও। পরিবেশ রক্ষাতেও সহায়ক হতে পারে এই সিম।

ই-সিমের অসুবিধাঃ

ই সিমের নানান সুবিধা নিয়ে জানলাম এবার জানব অসুবিধা নিয়ে। ই সিমের সুবিধার পাশাপাশি বেশ কিছু অসুবিধাও আছে। যেমনঃ ই সিম এ অনেক নাম্বার ব্যবহার করা যায়। তাই একটিতে কল আসলে অন্যগুলোতে বন্ধ দেখাবে। তাছাড়া যেটা বড় সমস্যা তা হল আপনি চাইলেই এই সিম এক ফোন থেকে অন্য স্থানান্তর করতে পারবেন না। যেমনটা সাধারণ সিমে মাঝে মাঝে করে থাকি। এক ফোন নষ্ট হলে আমরা সিম খুলে অন্য ফোনে স্থানান্তর করে ব্যবহার করে থাকি। ই সিমের ক্ষেত্রে তা যাবে না।

ইলেক ট্রনিক সিম কী

যে সব ফোনে চলবে ই – সিমঃ

আপাতত অ্যাপল, স্যামসাং ও গুগল পিক্সেল এর কিছু নির্ধারিত ফোলে ই সিম ব্যবহার করা যাবে।

one. অ্যাপল ফোনগুলোর মধ্যে

আইফোন ১১ সিরিজ
1. ১২ সিরিজ
2. ১৩ সিরিজ
3. এসই
4. এক্সএস
5. এক্সএস ম্যাক্স
6. এসআর

ই-সিম কী, সুবিধা ও অসুবিধা

আইপ্যাড প্রো ১২.৯ ফোর্থ জেনারেশন
1. ১২.৯ থার্ড জেনারেশন
2. ১১ সেকেন্ড জেনারেশন
3. ১১ ফাস্ট জেনারেশন
আইপ্যাড এয়ার ফোর্থ জেনারেশন
আইপ্যাড এয়ার থার্ড জেনারেশন

two. স্যামসাং ফোনের মধ্যে

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২২ ফাইভজি
1. জেড ফোল্ড থ্রি & টু ফাইভজি
2. জেড ফ্লিপ ফাইভজি

Z
1. ফোল্ড
সহ আরো কিছু মডেল

three. পিক্সেল এর মধ্যে

পিক্সেল সিক্স এবং সিক্স প্রো
ফাইভ & ফাইভ-এ ফাইভজি
১  ফোর
২  থ্রি
৩  টু।

এই ফোনগুলাতে এখন এই সিম কাজ করবে। তবে আশা করা আগামীতে আরও বেশ কিছু ফোনে ই-সিম কাজ করবে।

আজ এ পর্যন্ত।

See more>>>

লাজারাস, হ্যাকিং গ্রুপ লাজারাস

ট্যাগস :

ই-সিম কী, সুবিধা ও অসুবিধা

আপডেট সময় : 10:49:06 am, Sunday, 18 September 2022

ইলেক ট্রনিক সিম কী-শুনতে কেমন লাগবে যদি বলি আপনার হাতের ফোনটি চালাতে এখন আর কোন সিমের প্রয়োজন পরবে না।। অর্থাৎ কোন প্রকার সিম ছাড়াই চলবে ফোনের নেটওয়ার্ক। চমকে যাবার মতো কথা হলেও বর্তমানে এটাই সত্যি। ইতিমধ্যেই ফিজিক্যাল সিম বিহীন ফোন✆ ব্যবহার করতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। এই সিম বিহীন প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ই-সিম। ই-সিম বা ESIM মানে হলো Embedded Subscriber Identify Module. বিভিন্ন দেশের মতোও বাংলাদেশেও চালু হয়েছে E-Sim সেবা। ইলেক ট্রনিক সিম কী

আজ এই পোস্টে জানার চেষ্টা করব ই-সিম কী , কিভাবে কাজ করে, এর সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে। তাহলে আর বেশি কথা না বলে শুরু করি৷।

ই-সিম কী:

আমরা যখন কোন মোবাইল কেনার দোকান থেকে মোবাইল কিনে নেই তখন তার সাথে যেকোনো নেটওয়ার্ক অপারেটর এর একটা সিম কিনে থাকি। যে সিম ব্যবহার করে আমারা একে অপরের সাথে ফোনে কথা বলা থেকে, ম্যাসেজ করা, এমন কি ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিশ্বের সকল খবর জানতে পারি। আমরা যে SIM ব্যবহার করি তার পূর্ণরূপ হল Subscriber Identify Module ।

ইলেক ট্রনিক সিম কী

মানে যে মডিউলটি আপনার পরিচয় বহন করে। সহজভাবে বলতে গেলে এই মডিউল এর কারণে আপনি কাউকে ফোন বা ম্যাসেজ করলে ফোন বা ম্যাসেজ প্রাপক আপনাকে শনাক্ত করতে পারেন। অপর দিকে ই-সিম হলো Embedded Subscriber Identify Module. যা ফোনে এমবেড করা থাকে বা সংযুক্ত করা থাকে। আপনি একটা ই-সিম কিনলে তা কিন্তু আগের প্রচলিত প্রথার মতোই কাজ করবে। আপনি এই সিম ব্যবহার করেও ফোন বা ম্যাসেজ করতে পারবেন। কিন্তু এই সিম আপনাকে ফোনে রাখতে হবে না।

ইলেক ট্রনিক সিম কী

এটি টেলিকম কোম্পানির মাধ্যমে সক্রিয় থাকে। এই সিম হলো ফোনে ইন্সটল করা ভার্চুয়াল সিম। তার জন্যেই ফোনে আর আলাদা করে সিম লাগাতে হয় না। সাধারণ সিম প্লাস্টিকের ও অন্যান্য উপাদানের তৈরি একটা পদার্থ। অপর দিকে Embedded Subscriber Identify Module হলো ফোনের অ্যাপের মতো। যা স্মার্টফোনে Qr Code scan করে এক্টিভেট করে ব্যবহার করতে হয়।
ই-সিম কী তা জানা হলো এবার জেনে আসি এই সিমের কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে।

সিমের সুবিধাঃ

এই সিম ফোনের অ্যাপের মতো করে Install করা যায় তাই ফোনের কিছু জায়গা থেকে যায়। ই-সিমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এই সিমের কোম্পানি মালিকানা পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে সিম পরিবর্তন করতে হবে না। নাম্বার ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তন করলেই হবে। একইসাথে একাধিক নাম্বারও ব্যবহার করতে পারবেন। যদিও তার জন্য আপনাকে আর আলাদা করে সিম ক্রয় করতে হবে না।

ইলেক ট্রনিক সিম কী

এমনকি ফোন ভিজে গেলেও এই সিম এর সমস্যা হবার কোন সুযোগ নেই।। যেহেতু এই সিম বারবার খোলার ঝামেলা নেই তাই নষ্ট হবে না। অন্য কোন দেশে যেতে চাইলে প্রথমে যে সমস্যা হয় তা হলো নতুন সিম কেনা যা ওই দেশের হতে হয়। এক্ষেত্রে আপনি ই-সিম নিয়ে যেকোনো দেশে বিনা বাধায় যেতে পারেন।। এই ব্যবহার করতে পারবেন অন্য দেশে গিয়েও। পরিবেশ রক্ষাতেও সহায়ক হতে পারে এই সিম।

ই-সিমের অসুবিধাঃ

ই সিমের নানান সুবিধা নিয়ে জানলাম এবার জানব অসুবিধা নিয়ে। ই সিমের সুবিধার পাশাপাশি বেশ কিছু অসুবিধাও আছে। যেমনঃ ই সিম এ অনেক নাম্বার ব্যবহার করা যায়। তাই একটিতে কল আসলে অন্যগুলোতে বন্ধ দেখাবে। তাছাড়া যেটা বড় সমস্যা তা হল আপনি চাইলেই এই সিম এক ফোন থেকে অন্য স্থানান্তর করতে পারবেন না। যেমনটা সাধারণ সিমে মাঝে মাঝে করে থাকি। এক ফোন নষ্ট হলে আমরা সিম খুলে অন্য ফোনে স্থানান্তর করে ব্যবহার করে থাকি। ই সিমের ক্ষেত্রে তা যাবে না।

ইলেক ট্রনিক সিম কী

যে সব ফোনে চলবে ই – সিমঃ

আপাতত অ্যাপল, স্যামসাং ও গুগল পিক্সেল এর কিছু নির্ধারিত ফোলে ই সিম ব্যবহার করা যাবে।

one. অ্যাপল ফোনগুলোর মধ্যে

আইফোন ১১ সিরিজ
1. ১২ সিরিজ
2. ১৩ সিরিজ
3. এসই
4. এক্সএস
5. এক্সএস ম্যাক্স
6. এসআর

ই-সিম কী, সুবিধা ও অসুবিধা

আইপ্যাড প্রো ১২.৯ ফোর্থ জেনারেশন
1. ১২.৯ থার্ড জেনারেশন
2. ১১ সেকেন্ড জেনারেশন
3. ১১ ফাস্ট জেনারেশন
আইপ্যাড এয়ার ফোর্থ জেনারেশন
আইপ্যাড এয়ার থার্ড জেনারেশন

two. স্যামসাং ফোনের মধ্যে

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২২ ফাইভজি
1. জেড ফোল্ড থ্রি & টু ফাইভজি
2. জেড ফ্লিপ ফাইভজি

Z
1. ফোল্ড
সহ আরো কিছু মডেল

three. পিক্সেল এর মধ্যে

পিক্সেল সিক্স এবং সিক্স প্রো
ফাইভ & ফাইভ-এ ফাইভজি
১  ফোর
২  থ্রি
৩  টু।

এই ফোনগুলাতে এখন এই সিম কাজ করবে। তবে আশা করা আগামীতে আরও বেশ কিছু ফোনে ই-সিম কাজ করবে।

আজ এ পর্যন্ত।

See more>>>

লাজারাস, হ্যাকিং গ্রুপ লাজারাস