ঢাকা 11:55 am, Saturday, 4 February 2023

ই-কমার্স এর সকল তথ্য।

  • আপডেট সময় : 04:42:57 pm, Friday, 26 August 2022 83 বার পড়া হয়েছে

ই-কমার্স সকল তথ্য-আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা।আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজ আমরা আলোচনা করব ই-কমার্স  সম্পর্কে। ই-কমার্স এর পরিপূর্ণ রূপ হল ইলেকট্রনিক কমার্স। বর্তমানে ব্যবসায়িক জগতে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি  করেছে। বর্তমানে, বর্তমান যুগের ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে  পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়- বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকে ই-কমার্স বলে। এক কথায় বলা যায়, ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা কে ই-কমার্স বলে। আবার একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেন ই হল ইলেকট্রনিক কমার্স ।

 

 এবার আসা যাক ই-কমার্স এর সুবিধা সমূহ;

 ১- ব্যবসার মান বিশেষ ভাবে উন্নয়ন করা।

২- ই-কমার্স কোন প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে সাহায্য করে।

৩- ই-কমার্স তথ্য প্রক্রিয়া করণের  খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।

৪- ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজেই সু-সম্পর্ক তৈরি  হয়।

৫-  ই-কমার্স সময় বাঁচায় এবং অতি দ্রুত পণ্য  পৌঁছায় ভোক্তার কাছে।

৬-  যোগাযোগ খরচ কম হয়।

৭-  পণ্য ও সেবার মান উন্নয়ন করা যায়।

 ইত্যাদি। 

 

এবার আসা যাক ই-কমার্স এর প্রকারভেদ;

 সেবা ও লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্স সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়। যথা;

১> ব্যবসা থেকে ব্যবসা

২> ব্যবসা থেকে ভোক্তা

৩> ভোক্তা থেকে ব্যবসা

৪> ভোক্তা থেকে ভোক্তা

 

১> ব্যবসা থেকে ব্যবসা;

ই-কমার্স এর ক্ষেত্রে একটি মৌলিক দিক হচ্ছে বিজনেস 2 বিজনেস অর্থাৎ ব্যবসা থেকে ব্যবসা। কতগুলি গতানুগতিক পদ্ধতিতে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে পাইকারি দরে কেনা ও বেচা কে ব্যবসা থেকে ব্যবসা বা বিজনেস টু বিজনেস বলে। কিন্তু, বর্তমানে অধিকাংশ ই-কমার্স আইওএস এবং ইলেকট্রনিক মার্কেট এর লেনদেনসমূহ বিজনেস টু বিজনেস এর আওতায় পরে। উদাহরণ আলিবাবা ডটকম।

 

২> ব্যবসা থেকে ভোক্তা;

ব্যবসা থেকে ভোক্তা কমার্স হচ্ছে ই-কমার্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুচরা ও পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার বা ব্যবসা থেকে ভোক্তা এর অন্তর্গত। ইন্টারনেটে ব্যবসা সংক্রান্ত কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিজনেস টু কনজিউমার সংক্রান্ত ব্যবসা অতি দ্রুত বাড়তেই  থাকে। উদাহরণ; অ্যামাজন ডটকম।

 

৩> ভোক্তা থেকে ব্যবসা;

ভোক্তা থেকে ব্যবসা হল  যখন কোন ভোক্তা  একক ভাবে অন্য কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসা বা কনজিউমার টু বিজনেস বলে। উদাহরণ মনস্টার ডটকম।

 

৪> ভোক্তা থেকে ভোক্তা ;

কাস্টমার 2 কাস্টমার হল অন্য কোন ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তা এর লেনদেন কে কাস্টমার 2 কাস্টমার বলে। এজাতীয় ব্যবসায় কোন বিজনেস  মিডিল  ম্যান থাকে না। যেমন; এক শ্রেণীর গাড়ি ক্রয় বিক্রয় প্রতিষ্ঠান আছে যারা পুরাতন গাড়ি সহ  পুরাতন সকল যন্ত্রাংশ বা জিনিস বেচাকেনা করে। অর্থাৎ যদি প্রতিষ্ঠানটি কোন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে ব্যবহারকারীর কাজ থেকে পুরাতন গাড়ি বা যন্ত্রাংশ ক্রয় করা একটি ব্যবস্থা রাখেন। এবং ক্রয় করা পুরাতন বিক্রয় করেন তাহলে এ ধরনের ই-কমার্স  কে কনজিউমার টু কনজিউমার বলা হয়। উদাহরণ ইবাই ডট কম।

 

নন বিজনেস কনজিউমার;

 বর্তমানে অনেক অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান যেমন; শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি এজেন্সি সমূহ ব্যয় কমানোর জন্য এবং সেবার মান বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ই-কমার্স ব্যবহার করেছে। এ সকল লেনদেনের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য না থাকায় এদের নন বিজনেস ই-কমার্স বলা হয়।

 

 এবার আমাদের দেশের জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট সমূহ নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করব।

 

 বাংলাদেশের জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট সমূহ;

 

১< নতুন পুরাতন ক্রয় বিক্রয় পণ্যের ওয়েবসাইট হল;

www.bikroy.com অথবা www.cellbazar.com

 

২< অন লাইনের বই  ক্রয়ের ওয়েবসাইট  হল;

www.boimela.com অথবা www.rokomary.com 

 

৩< পণ্যের মূল্য ছাড়পাওয়ার ওয়েবসাইট হল;

www.akhoni.com অথবা www.ajkerdeal.com  

 

৪< প্রিয় জনকে বই উপহার পাঠাগার ওয়েবসাইট  হল;

www.wekipedia.com অথবা www.gifthaat.com অথবা www.dishigociting.c

 

 ইত্যাদি। 

ট্যাগস :

ই-কমার্স এর সকল তথ্য।

আপডেট সময় : 04:42:57 pm, Friday, 26 August 2022

ই-কমার্স সকল তথ্য-আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা।আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজ আমরা আলোচনা করব ই-কমার্স  সম্পর্কে। ই-কমার্স এর পরিপূর্ণ রূপ হল ইলেকট্রনিক কমার্স। বর্তমানে ব্যবসায়িক জগতে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি  করেছে। বর্তমানে, বর্তমান যুগের ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে  পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়- বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকে ই-কমার্স বলে। এক কথায় বলা যায়, ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা কে ই-কমার্স বলে। আবার একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেন ই হল ইলেকট্রনিক কমার্স ।

 

 এবার আসা যাক ই-কমার্স এর সুবিধা সমূহ;

 ১- ব্যবসার মান বিশেষ ভাবে উন্নয়ন করা।

২- ই-কমার্স কোন প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে সাহায্য করে।

৩- ই-কমার্স তথ্য প্রক্রিয়া করণের  খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।

৪- ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজেই সু-সম্পর্ক তৈরি  হয়।

৫-  ই-কমার্স সময় বাঁচায় এবং অতি দ্রুত পণ্য  পৌঁছায় ভোক্তার কাছে।

৬-  যোগাযোগ খরচ কম হয়।

৭-  পণ্য ও সেবার মান উন্নয়ন করা যায়।

 ইত্যাদি। 

 

এবার আসা যাক ই-কমার্স এর প্রকারভেদ;

 সেবা ও লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্স সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়। যথা;

১> ব্যবসা থেকে ব্যবসা

২> ব্যবসা থেকে ভোক্তা

৩> ভোক্তা থেকে ব্যবসা

৪> ভোক্তা থেকে ভোক্তা

 

১> ব্যবসা থেকে ব্যবসা;

ই-কমার্স এর ক্ষেত্রে একটি মৌলিক দিক হচ্ছে বিজনেস 2 বিজনেস অর্থাৎ ব্যবসা থেকে ব্যবসা। কতগুলি গতানুগতিক পদ্ধতিতে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে পাইকারি দরে কেনা ও বেচা কে ব্যবসা থেকে ব্যবসা বা বিজনেস টু বিজনেস বলে। কিন্তু, বর্তমানে অধিকাংশ ই-কমার্স আইওএস এবং ইলেকট্রনিক মার্কেট এর লেনদেনসমূহ বিজনেস টু বিজনেস এর আওতায় পরে। উদাহরণ আলিবাবা ডটকম।

 

২> ব্যবসা থেকে ভোক্তা;

ব্যবসা থেকে ভোক্তা কমার্স হচ্ছে ই-কমার্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুচরা ও পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার বা ব্যবসা থেকে ভোক্তা এর অন্তর্গত। ইন্টারনেটে ব্যবসা সংক্রান্ত কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিজনেস টু কনজিউমার সংক্রান্ত ব্যবসা অতি দ্রুত বাড়তেই  থাকে। উদাহরণ; অ্যামাজন ডটকম।

 

৩> ভোক্তা থেকে ব্যবসা;

ভোক্তা থেকে ব্যবসা হল  যখন কোন ভোক্তা  একক ভাবে অন্য কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসা বা কনজিউমার টু বিজনেস বলে। উদাহরণ মনস্টার ডটকম।

 

৪> ভোক্তা থেকে ভোক্তা ;

কাস্টমার 2 কাস্টমার হল অন্য কোন ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তা এর লেনদেন কে কাস্টমার 2 কাস্টমার বলে। এজাতীয় ব্যবসায় কোন বিজনেস  মিডিল  ম্যান থাকে না। যেমন; এক শ্রেণীর গাড়ি ক্রয় বিক্রয় প্রতিষ্ঠান আছে যারা পুরাতন গাড়ি সহ  পুরাতন সকল যন্ত্রাংশ বা জিনিস বেচাকেনা করে। অর্থাৎ যদি প্রতিষ্ঠানটি কোন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে ব্যবহারকারীর কাজ থেকে পুরাতন গাড়ি বা যন্ত্রাংশ ক্রয় করা একটি ব্যবস্থা রাখেন। এবং ক্রয় করা পুরাতন বিক্রয় করেন তাহলে এ ধরনের ই-কমার্স  কে কনজিউমার টু কনজিউমার বলা হয়। উদাহরণ ইবাই ডট কম।

 

নন বিজনেস কনজিউমার;

 বর্তমানে অনেক অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান যেমন; শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি এজেন্সি সমূহ ব্যয় কমানোর জন্য এবং সেবার মান বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ই-কমার্স ব্যবহার করেছে। এ সকল লেনদেনের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য না থাকায় এদের নন বিজনেস ই-কমার্স বলা হয়।

 

 এবার আমাদের দেশের জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট সমূহ নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করব।

 

 বাংলাদেশের জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট সমূহ;

 

১< নতুন পুরাতন ক্রয় বিক্রয় পণ্যের ওয়েবসাইট হল;

www.bikroy.com অথবা www.cellbazar.com

 

২< অন লাইনের বই  ক্রয়ের ওয়েবসাইট  হল;

www.boimela.com অথবা www.rokomary.com 

 

৩< পণ্যের মূল্য ছাড়পাওয়ার ওয়েবসাইট হল;

www.akhoni.com অথবা www.ajkerdeal.com  

 

৪< প্রিয় জনকে বই উপহার পাঠাগার ওয়েবসাইট  হল;

www.wekipedia.com অথবা www.gifthaat.com অথবা www.dishigociting.c

 

 ইত্যাদি।