ঢাকা 7:38 pm, Saturday, 28 January 2023

শেয়ার মার্কেট কি?

  • আপডেট সময় : 10:59:43 pm, Sunday, 21 August 2022 126 বার পড়া হয়েছে

শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট (Stock Market) কি?

শেয়ার মার্কেট কি?-শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট কথাটির মাঝেই আছে মার্কেট / বাজার। তো একটা বাজার যেভাবে কাজ করে একটা স্টক মার্কেট বা শেয়ার বাজারও সেইভাবে কাজ করে।। বাজারের ভিতর যদি কোন জিনিসের সাপ্লাই কমে যায় এবং চাহিদা বেড়ে যায় তাহলে জিনিসটার দামও বেড়ে যায়।

আবার যদি কোন জিনিসের সাপ্লাই বেড়ে যায় এবং চাহিদা কমে যায় তাহলে জিনিসটার দামও কমে যায়। আর এই নিয়মটাও শেয়ার বাজারেও চলে। কেউ কেউ শেয়ার বাজারকে জুয়ার মতো মনে করে, তারা ভাবে শেয়ার বাজার থেকে লাভ হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।

অপরদিকে কিছু মানুষ মনে করে যদি সঠিক বুদ্ধি ব্যবহার করে শেয়ার বাজারে ব্যয় করা যায় তাহলে এখান থেকে অনেক লাভ করা যায়।আর এইসব মানুষ শেয়ার বাজারকে Intelligence Investment মনে করে ।।। তবে এই দুই ধারণাই সঠিক হতে পারে।। ভালোভাবে না জেনে এখানে Invest করলে যে কেউ ক্ষতির শিকার হতে পারে, অপরদিকে ভালোভাবে জেনে, পূর্বের ধারণা থেকে Invest করলে প্রচুর মুনাফা পাওয়া পায়।৷ শেয়ার বা স্টক কি????

শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট নিয়ে বিস্তারিত জানার আগে আমাদের জানতে হবে একটা স্টক বা শেয়ার কি। শেয়ার হল কোন কোম্পানির তরফ থেকে জারি করা ফিনালসিয়াল টোকেন যার মালিক যদি আপনি হন তাহলে আপনি ওই কোম্পানির কিছু অংশের মালিকানার অধিকারী হয়ে যান।

উদাহরণ হিসাবে যদি Walton কোম্পানির ১০০টা শেয়ার থাকে, আর আপনি যদি ১টা শেয়ার কিনে নেন তাহলে Walton কোম্পানির ১০০ ভাগের মধ্যে ১ভাগের মালিক হয়ে যাবেন ( বাস্তবে Walton কোম্পানির ১০০টার কম বা বেশি শেয়ার থাকতে পারে)। যদি ওই কোম্পানির ভ্যালু বেড়ে যায় তাহলে আপনার শেয়ার ভ্যালুও বাড়বে,, কোন কারণে কোম্পানির ভ্যালু কমে গেলে আপনার শেয়ার এর ভ্যালুও কমে যাবে।

শেয়ার এর প্রকারঃ

৫ প্রকার 

1. ইক্যুইটি শেয়ার বা সাধারণ শেয়ার

2. প্রেফারেন্স শেয়ার বা অগ্রাধিকার শেয়ার

3. নন ভোটিং সাধারণ শেয়ার

4. কিউমুলেটিভ প্রেফারেন্স শেয়ার

5. রিডেমেবল শেয়ার

কিন্তু শেয়ার প্রধানত ২ প্রকার হয়

1. Common Stock

2. Preferred Stock Common Sheare

যাদের কাছে থাকে তারা কোম্পানির বড় বড় সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারে। কিন্তু যারা Preferred Sheare এর মালিক হয় তারা কোম্পানিতে ভোটিং দিতে পারে না বরং তারা কোম্পানির থেকে DEVIDENT পায়। DEVIDENT কি? DEVIDENT হল কোম্পানির লাভের একটা অংশ যা শেয়ার হোল্ডারদের ( যারা শেয়ার কেনে) মাঝে বিতরন করা হয়।কিন্তু এই DEVIDENT নির্ভর করে কোম্পানির উপর।। কোম্পানি চাই এই DEVIDENT বছরে ১বার বা ২বছরে একবার বিতরন করতে পারে।।

শেয়ার কেন বিক্রি করা হয়ঃ

বড় বড় কোম্পানি তাদের শেয়ার বিক্রি করে দেয়। কিন্তু কেন???????? কোম্পানি গুলো চাইলেই তো নিজেদের শেয়ার গুলো নিজেদের কাছে রেখে পুরো প্রফিটটাই নিজেরা নিতে পারে। বিষয়টা সিম্পল ( Simple) বাজার থেকে টাকা উত্তলন করার জন্য।

কোম্পানিগুলো তাদের শেয়ার বিক্রি করে প্রচুর পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করতে পারে কোনপ্রকার পরিশ্রম ছাড়াই। এভাবে নতুন বা খারাপ কোম্পানি গুলোও শেয়ার বিক্রি করে প্রচুর পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করে। কোন একটা কোম্পানির শেয়ার বেশি বিক্রি হবে যখন মানুষ বুঝতে পারে যে এই কোম্পানিটি পরে অনেক আয় করতে পারবে।।

স্টক মার্কেটঃ

এবার চলুন জেনে নেই শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট নিয়ে।। যেহেতু কোম্পানি গুলো তাদের শেয়ার বিক্রি করে তাই এইসব শেয়ার কেনা বা বেচার জন্য একটা জায়গায় প্রয়োজন ।। আর শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট হল সেই জায়গা।

শেয়ার বাজারে বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের নাম শেয়ার বাজারে লিস্ট করায় একটা সর্বনিম্ন দাম রেখে যাকে IPO (Initial Public Offering) বলা হয়।। শেয়ার কেন উঠানামা করেঃ এবার একটু জেনে নেই শেয়ার কেন উঠানামা করে। কোম্পানির ধরন, কাজের পরিমাণ, সাধারণ মানুষ এই কোম্পানি নিয়ে কি চিন্তা ভাবনা করে তার উপর নির্ভর করে কোম্পানির শেয়ার উঠানামা করে।

সবচেয়ে যে বিষয়টি জড়িত তা হল কোম্পানিটি কেমন আয় করে।

একই সময়ে অনেক মানুষ শেয়ার কেনে বা শেয়ার বিক্রি করে। যদি একই সময়ে অনেক মানুষ একই কোম্পানির শেয়ার কেনে তবে ওই কোম্পানির শেয়ার এর দাম বেড়ে যায়। আবার যদি একই সময়ে অনেক মানুষ একই কোম্পানির শেয়ার বেচে দেয় তবে ওই কোম্পানির শেয়ার এর দাম কমে যায়। শেয়ার ক্রেতার পরিমাণ বেড়ে গেলে শেয়ার এর দাম বাড়ে, শেয়ার বিক্রেতার পরিমাণ বেড়ে গেলে শেয়ার এর দাম কমে।

আগে এই শেয়ার বাজার ম্যানুয়ালি করা হত, তবে এখন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে করা হয় যার কারণে দাম দ্রুত উঠানামা করতে পারে। ব্যংক & শেয়ার বাজার এর মধ্যে ব্যংকে টাকা রাখলে আপনি 4- 5% প্রফিট পাবেন, কিন্তু আপনি যদি সঠিকভাবে ওই টাকা শেয়ার বাজারে লাগান তাহলে আপনি 4- 5 % এর চেয়ে অনেক প্রফিট পাবেন।

শেয়ার বাজারে ব্রোকার হাউসঃ

স্টক এক্সচেঞ্জ এর বহু অনুমোদিত এজেন্ট বয়েছে যাদের বলা হয় ব্রোকার হাউস ।। শেয়ার বাজারে ক্রয়-বিক্রয়, আইপিওর টাকা জনা নেওয়া, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য কাজ করা এগুলা হল ব্রোকার হাউসের প্রধান কাজ।

সহজ কথায় ব্রোকার হাউস হল

” স্টক এক্সচেঞ্জ এর থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যারা সাধারণত বিনিয়োগকারীদের হয়ে কাজ করে “। ব্রোকার হাউস ব্যংকের মতো কাজ করে। ব্যংক যেমন গ্রাহকদের একাউন্ট খুলে তেমনি ব্রোকার হাউসও বিনিয়োগকারী আইপিও একাউন্ট খুলে দেয় শেয়ার কেনা বা বেচার জন্য।

ব্রোকার হাউস মাঝে মাঝে লোন দিয়ে থাকে যাকে মার্জিন লোন বলে।ব্রোকার হাউসে কেনেবেচার জন্য ব্রোকার একাউন্টের পাশাপাশি বিও একাউন্ট থাকতে হয়। বিও একাউন্ট কি? বিও একাউন্ট হল ব্যংক একাউন্টের মতো। এই বিও একাউন্ট ব্রোকার হাউসে খুলতে হয়। বিও একাউন্ট এর মাধ্যমেই একজন বিনিয়োগকারী শেয়ার বাজার এ বিনিয়োগ করতে পারে।।

বাংলাদেশ শেয়ার বাজারঃ

বাংলাদেশে ২টি শেয়ার বাজার আছে। সেগুলো হল

1. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

2. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ

এই দুটি স্টক এক্সচেঞ্জই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়।।

বাংলাদেশ শেয়ার বাজার ক্যালেঙ্কারিঃ

২০০৯, ২০১০ & ২০১১ সালের পত্র-পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির কথা নিয়ে।। ২০০৯ সালে শেয়ার বাজার এর সূচক ছিল ৬২ %, ২০১০ সালে ৮৩ % কিন্তু ২০১১ সালে তা হয়ে দাঁড়ায় মাত্র ১০%। এটাই ছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসের সেরা ক্যালেঙ্কারি অধ্যায়। এর ফলে অনেক বিনিয়োগকারী তাদের অনেক অর্থ হারিয়ে শেষে আত্মাহত্যা করে।
শুধু বাংলাদেশই নয় বিশ্বে অনেক বার এমন ঘটনা ঘটেছে।
যার মধ্যে ১৯২৯ সালের Dowjones Industries এর চারদিনের শেয়ারের ধসে সূচক নেমে দারায় মাত্র ২৫%। মার্কেট ভ্যলু কমে দ্বারায় $৩০ মিলিয়ন। শেয়ার বাজার এর বড় ক্রাস গুলোর মধ্যে ১৯৮৭ সালে Black Monday ১৯৯৮ সালে Asian Crash ২০০৮ সালে Crisis ২০১৫-১৬ সালের Chinese Market Chrash বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ট্যাগস :

শেয়ার মার্কেট কি?

আপডেট সময় : 10:59:43 pm, Sunday, 21 August 2022

শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট (Stock Market) কি?

শেয়ার মার্কেট কি?-শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট কথাটির মাঝেই আছে মার্কেট / বাজার। তো একটা বাজার যেভাবে কাজ করে একটা স্টক মার্কেট বা শেয়ার বাজারও সেইভাবে কাজ করে।। বাজারের ভিতর যদি কোন জিনিসের সাপ্লাই কমে যায় এবং চাহিদা বেড়ে যায় তাহলে জিনিসটার দামও বেড়ে যায়।

আবার যদি কোন জিনিসের সাপ্লাই বেড়ে যায় এবং চাহিদা কমে যায় তাহলে জিনিসটার দামও কমে যায়। আর এই নিয়মটাও শেয়ার বাজারেও চলে। কেউ কেউ শেয়ার বাজারকে জুয়ার মতো মনে করে, তারা ভাবে শেয়ার বাজার থেকে লাভ হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।

অপরদিকে কিছু মানুষ মনে করে যদি সঠিক বুদ্ধি ব্যবহার করে শেয়ার বাজারে ব্যয় করা যায় তাহলে এখান থেকে অনেক লাভ করা যায়।আর এইসব মানুষ শেয়ার বাজারকে Intelligence Investment মনে করে ।।। তবে এই দুই ধারণাই সঠিক হতে পারে।। ভালোভাবে না জেনে এখানে Invest করলে যে কেউ ক্ষতির শিকার হতে পারে, অপরদিকে ভালোভাবে জেনে, পূর্বের ধারণা থেকে Invest করলে প্রচুর মুনাফা পাওয়া পায়।৷ শেয়ার বা স্টক কি????

শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট নিয়ে বিস্তারিত জানার আগে আমাদের জানতে হবে একটা স্টক বা শেয়ার কি। শেয়ার হল কোন কোম্পানির তরফ থেকে জারি করা ফিনালসিয়াল টোকেন যার মালিক যদি আপনি হন তাহলে আপনি ওই কোম্পানির কিছু অংশের মালিকানার অধিকারী হয়ে যান।

উদাহরণ হিসাবে যদি Walton কোম্পানির ১০০টা শেয়ার থাকে, আর আপনি যদি ১টা শেয়ার কিনে নেন তাহলে Walton কোম্পানির ১০০ ভাগের মধ্যে ১ভাগের মালিক হয়ে যাবেন ( বাস্তবে Walton কোম্পানির ১০০টার কম বা বেশি শেয়ার থাকতে পারে)। যদি ওই কোম্পানির ভ্যালু বেড়ে যায় তাহলে আপনার শেয়ার ভ্যালুও বাড়বে,, কোন কারণে কোম্পানির ভ্যালু কমে গেলে আপনার শেয়ার এর ভ্যালুও কমে যাবে।

শেয়ার এর প্রকারঃ

৫ প্রকার 

1. ইক্যুইটি শেয়ার বা সাধারণ শেয়ার

2. প্রেফারেন্স শেয়ার বা অগ্রাধিকার শেয়ার

3. নন ভোটিং সাধারণ শেয়ার

4. কিউমুলেটিভ প্রেফারেন্স শেয়ার

5. রিডেমেবল শেয়ার

কিন্তু শেয়ার প্রধানত ২ প্রকার হয়

1. Common Stock

2. Preferred Stock Common Sheare

যাদের কাছে থাকে তারা কোম্পানির বড় বড় সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারে। কিন্তু যারা Preferred Sheare এর মালিক হয় তারা কোম্পানিতে ভোটিং দিতে পারে না বরং তারা কোম্পানির থেকে DEVIDENT পায়। DEVIDENT কি? DEVIDENT হল কোম্পানির লাভের একটা অংশ যা শেয়ার হোল্ডারদের ( যারা শেয়ার কেনে) মাঝে বিতরন করা হয়।কিন্তু এই DEVIDENT নির্ভর করে কোম্পানির উপর।। কোম্পানি চাই এই DEVIDENT বছরে ১বার বা ২বছরে একবার বিতরন করতে পারে।।

শেয়ার কেন বিক্রি করা হয়ঃ

বড় বড় কোম্পানি তাদের শেয়ার বিক্রি করে দেয়। কিন্তু কেন???????? কোম্পানি গুলো চাইলেই তো নিজেদের শেয়ার গুলো নিজেদের কাছে রেখে পুরো প্রফিটটাই নিজেরা নিতে পারে। বিষয়টা সিম্পল ( Simple) বাজার থেকে টাকা উত্তলন করার জন্য।

কোম্পানিগুলো তাদের শেয়ার বিক্রি করে প্রচুর পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করতে পারে কোনপ্রকার পরিশ্রম ছাড়াই। এভাবে নতুন বা খারাপ কোম্পানি গুলোও শেয়ার বিক্রি করে প্রচুর পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করে। কোন একটা কোম্পানির শেয়ার বেশি বিক্রি হবে যখন মানুষ বুঝতে পারে যে এই কোম্পানিটি পরে অনেক আয় করতে পারবে।।

স্টক মার্কেটঃ

এবার চলুন জেনে নেই শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট নিয়ে।। যেহেতু কোম্পানি গুলো তাদের শেয়ার বিক্রি করে তাই এইসব শেয়ার কেনা বা বেচার জন্য একটা জায়গায় প্রয়োজন ।। আর শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট হল সেই জায়গা।

শেয়ার বাজারে বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের নাম শেয়ার বাজারে লিস্ট করায় একটা সর্বনিম্ন দাম রেখে যাকে IPO (Initial Public Offering) বলা হয়।। শেয়ার কেন উঠানামা করেঃ এবার একটু জেনে নেই শেয়ার কেন উঠানামা করে। কোম্পানির ধরন, কাজের পরিমাণ, সাধারণ মানুষ এই কোম্পানি নিয়ে কি চিন্তা ভাবনা করে তার উপর নির্ভর করে কোম্পানির শেয়ার উঠানামা করে।

সবচেয়ে যে বিষয়টি জড়িত তা হল কোম্পানিটি কেমন আয় করে।

একই সময়ে অনেক মানুষ শেয়ার কেনে বা শেয়ার বিক্রি করে। যদি একই সময়ে অনেক মানুষ একই কোম্পানির শেয়ার কেনে তবে ওই কোম্পানির শেয়ার এর দাম বেড়ে যায়। আবার যদি একই সময়ে অনেক মানুষ একই কোম্পানির শেয়ার বেচে দেয় তবে ওই কোম্পানির শেয়ার এর দাম কমে যায়। শেয়ার ক্রেতার পরিমাণ বেড়ে গেলে শেয়ার এর দাম বাড়ে, শেয়ার বিক্রেতার পরিমাণ বেড়ে গেলে শেয়ার এর দাম কমে।

আগে এই শেয়ার বাজার ম্যানুয়ালি করা হত, তবে এখন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে করা হয় যার কারণে দাম দ্রুত উঠানামা করতে পারে। ব্যংক & শেয়ার বাজার এর মধ্যে ব্যংকে টাকা রাখলে আপনি 4- 5% প্রফিট পাবেন, কিন্তু আপনি যদি সঠিকভাবে ওই টাকা শেয়ার বাজারে লাগান তাহলে আপনি 4- 5 % এর চেয়ে অনেক প্রফিট পাবেন।

শেয়ার বাজারে ব্রোকার হাউসঃ

স্টক এক্সচেঞ্জ এর বহু অনুমোদিত এজেন্ট বয়েছে যাদের বলা হয় ব্রোকার হাউস ।। শেয়ার বাজারে ক্রয়-বিক্রয়, আইপিওর টাকা জনা নেওয়া, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য কাজ করা এগুলা হল ব্রোকার হাউসের প্রধান কাজ।

সহজ কথায় ব্রোকার হাউস হল

” স্টক এক্সচেঞ্জ এর থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যারা সাধারণত বিনিয়োগকারীদের হয়ে কাজ করে “। ব্রোকার হাউস ব্যংকের মতো কাজ করে। ব্যংক যেমন গ্রাহকদের একাউন্ট খুলে তেমনি ব্রোকার হাউসও বিনিয়োগকারী আইপিও একাউন্ট খুলে দেয় শেয়ার কেনা বা বেচার জন্য।

ব্রোকার হাউস মাঝে মাঝে লোন দিয়ে থাকে যাকে মার্জিন লোন বলে।ব্রোকার হাউসে কেনেবেচার জন্য ব্রোকার একাউন্টের পাশাপাশি বিও একাউন্ট থাকতে হয়। বিও একাউন্ট কি? বিও একাউন্ট হল ব্যংক একাউন্টের মতো। এই বিও একাউন্ট ব্রোকার হাউসে খুলতে হয়। বিও একাউন্ট এর মাধ্যমেই একজন বিনিয়োগকারী শেয়ার বাজার এ বিনিয়োগ করতে পারে।।

বাংলাদেশ শেয়ার বাজারঃ

বাংলাদেশে ২টি শেয়ার বাজার আছে। সেগুলো হল

1. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

2. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ

এই দুটি স্টক এক্সচেঞ্জই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়।।

বাংলাদেশ শেয়ার বাজার ক্যালেঙ্কারিঃ

২০০৯, ২০১০ & ২০১১ সালের পত্র-পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির কথা নিয়ে।। ২০০৯ সালে শেয়ার বাজার এর সূচক ছিল ৬২ %, ২০১০ সালে ৮৩ % কিন্তু ২০১১ সালে তা হয়ে দাঁড়ায় মাত্র ১০%। এটাই ছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসের সেরা ক্যালেঙ্কারি অধ্যায়। এর ফলে অনেক বিনিয়োগকারী তাদের অনেক অর্থ হারিয়ে শেষে আত্মাহত্যা করে।
শুধু বাংলাদেশই নয় বিশ্বে অনেক বার এমন ঘটনা ঘটেছে।
যার মধ্যে ১৯২৯ সালের Dowjones Industries এর চারদিনের শেয়ারের ধসে সূচক নেমে দারায় মাত্র ২৫%। মার্কেট ভ্যলু কমে দ্বারায় $৩০ মিলিয়ন। শেয়ার বাজার এর বড় ক্রাস গুলোর মধ্যে ১৯৮৭ সালে Black Monday ১৯৯৮ সালে Asian Crash ২০০৮ সালে Crisis ২০১৫-১৬ সালের Chinese Market Chrash বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।